Skip to content

দুর্নীতি সিদ্ধান্ত

গত মাসের শেষ দিকে কয়েক শব্দের এই টুইটটা করতে গিয়ে একটা শব্দ নিয়ে আমি আবারো চিন্তায় পড়ে গেলাম।

পাঁচ বছর আগের এক টুইটগুচ্ছে ‘corruption এর বাংলাটাই আমরা ভুল করেছি*‘ এই মর্মে যেকথাটা বলেছিলাম তার দিকে আমার সম্পূর্ণ সমর্থন রেখেও আমি এখন এই সিদ্ধান্তে এসেছি corruption = দুর্নীতি লেখা ছাড়া আমার আর কোনো উপায় নেই এবং দুর্নীতি না লিখে ‘ভ্রষ্টাচার’ ‘অসততা’ লিখতে গেলে আমার এই সহজ টুইটটা ‘মুখ পচে যায় দুর্নীতিতে‘ পুরোপুরি লক্ষ্যভ্রষ্ট হচ্ছে। ‘দুর্নীতি’ corruptionকে দিয়ে সেসাথে এটাও ঠিক করে নিয়েছি good policy bad policyর বাংলা এখন থেকে আমি ‘ভাল নীতি’ ‘খারাপ নীতি’ই লিখব এবং ‘সুনীতি’ শব্দটা নাম ছাড়া আর কোথাও ব্যবহার করব না।

*

টুইট থেকে পোস্টে : তিন

corruption এর বাংলাটাই আমরা ভুল করেছি। দুর্নীতি সুনীতির বিপরীত bad policy, good policyর বাংলা। bad policyর বিচার ও তদন্ত উন্নত বিশ্বেও হয় না,এটা হয়ত হবে পরবর্তী বিশ্বে। অথবা নাম বিভ্রাটে বাংলাদেশের ‘দুনীতি দমন কমিশন’ সেটা শুরু করার কথা ভাবতে পারে। ঘুষ, অর্থ আত্মসাৎ, টেন্ডারবাজি,অবৈধভাবে বড় বড় সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেয়া এগুলো অসততা, নির্বাহী দূষণ — সংষ্কৃতে আরো যথার্থ শব্দ আছে, ভ্রষ্টাচার। হিন্দি ভাষায় সংস্কৃত এই শব্দটিই corruption বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। আমরা Anti-Corruption Commissionএর বাংলা করতে পারি ‘অসততা দমন কমিশন’। অসৎ কর্মকর্তা, অসৎ ব্যবসায়ী খুব শুনি আমরা, কাজেই এতে কমিশনের অর্থ আরো পরিস্কার হবে। ‘দুনীতি দমন কমিশন’কে আমরা রেখে দেব আমরা যখন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আরো বেশি খারাপ নীতি ভাল নীতি নিয়ে ক্রিটিক্যাল হব, ঢালাও নীতিনির্ধারণ করব না – তখন যখন সবকিছুর পরেও কেউ যদি দুর্নীতির (bad policy) প্রয়োগ করে বসবে তার বিচার করতে। এবং সেবিচার করা অনেক কঠিন কাজ হবে, কারণ দুর্নীতি অনুধাবন যেমন কঠিন দুর্নীতি অসততার চেয়ে অনেক ব্যাপকতা নিয়ে জনগণের ক্ষতি করে, সেক্ষতি নিরুপণ করা কঠিনতম কাজ হবে।

Advertisements

দুইহাজারআঠারো সালের নির্বাচনী রাজনীতিতে আওয়ামি লিগকে যেটা আমি মনে করিয়ে দিতে চাই

আমার মনে হয় না বিএনপির আর কোনো আশা আছে। বিএনপির মহাসচিব থেকে শুরু করে বিএনপির সব শীর্ষ নেতা যতই বলে বেড়ান না কেন তারা নিজেরাও জানেন তারা ফাঁকা আওয়াজ তোলা ছাড়া আর সব রাজনীতি ভুলে গেছেন তাই যত দিন ফাঁকা আওয়াজ তুলে মিঠিয়া পাড়া, আমবেচাধর পাড়া ও সুশীলং পাড়ায় শোরগোল জারি রাখা যায় তত দিন তারা এসব বলে যাবেন আর তলে তলে তাদের লন্ডনি ওস্তাদের সন্ত্রাসের তরিকা নিয়ে মাঠে নামার জন্য প্রস্তুতি চলতে থাকবে। পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপির অনুপস্থিত থাকাটাই আমার কাছে এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত মনে হচ্ছে এবং আমাদের জাতীয় জীবনে আবারো দুইহাজারতেরোচৌদ্দপনেরো ধরনের বিএনপি পরিকল্পিত ও নিয়ন্ত্রিত গণসন্ত্রাসের আশঙ্কা করাটাই আমার কাছে খুব সম্ভব মনে হচ্ছে।

এখন বর্তমান সরকারের প্রস্তুতি এই পথেই রাখতে হবে সবচেয়ে বেশি তাকে সব দিক থেকে যতটুকু সম্ভব এই গণসন্ত্রাস ঠেকানোর আগাম সতর্ক অবস্থান নিয়ে প্রতিরোধ কৌশল ভেবে রাখতে হবে পাশাপাশি বিএনপি নির্বাচনে আসলে তাকে নির্বাচনে হরানোর প্রস্তুতিও সম্পূর্ণভাবে নিয়ে রাখতে হবে।

দুইহাজারআঠারো সালের নির্বাচনী রাজনীতিতে আওয়ামি লিগকে যেটা আমি মনে করিয়ে দিতে চাই তা হল খালেদা জিয়া কিন্তু এবার আর নিজের জন্য যুদ্ধাপরাধীদের জন্য নির্বাচন মিশনে থাকবেন না এবার যদি বিএনপি নির্বাচনে আসে তিনি নির্বাচন মিশনে প্রক্সি দিতে নামবেন তার ছেলে তারেক জিয়ার হাতে বাংলাদেশ তুলে দেয়ার জন্য কারণ তারেক জিয়ার হাতে বাংলাদেশ তুলে দিতে পারলেই সেবাংলাদেশ আবার খুব সহজেই তার ও যুদ্ধাপরাধীগোষ্ঠীর হয়ে যাবে।

কাজেই সবাই সাবধান বিএনপির ফখরুলরা আশি আশি করবেই কিন্তু তারা যেন আর তলে তলে পরিকল্পনা করে গণসন্ত্রাস করতে না পারে তারা যেন নির্বাচনে এসে আর বাংলাদেশের ক্ষমতায় এসে না পড়ে সেদিকে সংশিষ্ট সবারই সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

কমিউনিটি ব্লগে : আশি আশি বলে বিএনপি আর আসবে না

ভজঘট কাতরিন+৯৯

ফরাসি দৈনিক Le Monde এ ০৯ জানুয়ারিতে [অনলাইনে, ছাপা কাগজে ১০ জানুয়ারি] প্রকাশিত Catherine Deneuve + ৯৯ জনের #MeToo/#BalanceTonPorc বিরোধী বিবৃতি আমি Le Monde এর গ্রাহক না হওয়াতে পুরো পড়তে পারিনি, তবে শুধু শিরোনাম

« Nous défendons une liberté d’importuner, indispensable à la liberté sexuelle »

পড়েই যা বুঝলাম তার মানে দাঁড়াল

।। আমরা উত্ত্যক্ত* করার স্বাধীনতার পক্ষে যা যৌন স্বাধীনতার জন্য অপরিহার্য।।

* পুরুষ নারীকে উত্ত্যক্ত করার প্রথাগত স্বাধীনতার কথাই এই ১০০ জন বলছেন প্রধানত, যদিও নারী পুরুষকে নারী নারীকে পুরুষ পুরুষকে তৃতীয়লিঙ্গ পুরুষকে পুরুষ তৃতীয়লিঙ্গকে তৃতীয়লিঙ্গ নারীকে নারী তৃতীয়লিঙ্গকে তৃতীয়লিঙ্গ তৃতীয়লিঙ্গকে উত্ত্যক্ত করার স্বাধীনতার কথাও একই নিঃশ্বাসে বলা যেতে পারলেই বলাটা সম্পূর্ণ হয়।

এরা উত্ত্যক্ত করাকে যৌন প্রস্তাবের পর্যায়ে দেখছেন এবং মনে করছেন এছাড়া যৌনতার উন্মেষ ঘেরাটোপে বদ্ধ মৌলবাদী নৈতিকতায় পর্যবসিত হবে।

উত্ত্যক্ত করার জন্মগত অধিকার পুরুষ কোথায় নিয়ে ঠেকিয়েছে তার কঠিন বাস্তবতা থেকেই #MeToo/#BalanceTonPorc প্রচারণা চলছে আমি মনে করি এই ১০০ জন এই প্রচারণার বিরোধিতা করতে গিয়ে নিজেরাই নেতিবাচক ভাবে অনেক দূরে সরে গেছেন, জানি না পুরো লেখায় এবিষয়টি এসেছে কিনা অনেক নারী পুরুষের এই উত্ত্যক্ত করার জন্মগত অধিকারকে উসকে দিয়ে অনেক কিছু অনৈতিকভাবে অর্জন করছে এবং তাদের সেই অর্জনকে যোগ্যতা ভাবছে যা সামগ্রিক নারীবাদকে বিপদের মুখে যেমন ফেলছে তেমনি পুরুষের ইচ্ছার অধীন থেকে পুরুষকে পুরুষবাদিতার চর্চার অভিমুখ উচ্চকিত রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

ডেস্ক মাক

প্রায় দেখা যায় কিছু না কিছু পাঠ্যবস্তু স্ক্যান করি অথবা কোনো না কোনো পাঠ্যবস্তুর পিডিএফ জমিয়ে রাখি গত বছরের শেষ চর্তুথাংশে ভাবলাম এখন থেকে এরকম কিছু কিছু একটা ব্লগে তুলে রাখব, Tumblr বেছে নিলাম, এখন পর্যন্ত ৫৪টি ব্লগপোস্ট করেছি, আশা করি from Desk MK চলবে এবং পাঠকরাও সময় সুযোগ করে পড়বেন, ও আরেকটি কথা ছবি ভিডিও দিয়েও সামনে পোস্ট করব আশা করি তাও দেখবেন শুনবেন।

এই ব্লগপোস্টগুলো টুইটারে ফেসবুকে শেয়ার করা যায়, যেমন আমি করি, এর নমুনা

৪৫ পেরিয়ে

৪৫ পেরিয়ে গেলে স্ফূর্তির আবেশ অনেকটুকুই বিদায় নেয়। এটা আমি এই পুরো বছরটা ভালই উপলব্ধি করেছি। কিন্তু যাই হবে হোক পরবর্তীতে এটাই তো সময় যখন আরো ৪৫ বছর বাঁচার সাধ মনে জাগে। তো বাঁচা তো যেতেই পারে যেমন আমরা বলে থাকি মরতে তো হবেই। ঠিক এভাবে বাঁচার সাধের কথা আমি বলছিলাম না। আমার মনে হয়েছে স্ফূর্তি গত যেহেতু হয়েছেই তাই শরীর অ্যথলেটিক রাখতে নিবিড় কষ্টসাধ্য প্রচুর ঘাম ঝরানো শরীরচর্চা আর যে নিতে পারবই না এটা তো ঠিক কিন্তু শরীর পরিচর্যার অ্যাথলেটিক মনস্ক কিছু অনুশীলন তো নিয়মিত বা প্রায় নিয়মিত চালিয়ে যেতে পারি। এদিকটায় গত কয়েক মাস মনোযোগ দিয়ে আমি মোটামুটি একটা ছক যাচাই বাছাই করে গুছিয়ে ফেলেছি। এবার জানাই আমার শরীর পরিচর্যার অনুশীলনগুলোর কথা।

সকালে প্রথমেই আধ ঘণ্টা বা এক ঘণ্টার সহজ হাঁটাহাঁটি।

বাসায় ফিরে ৫ ক্যালরি পোড়ে পরিমাপের সাইক্লিং মেশিনে সাইক্লিং

২০ বার উঠবস

৫ ক্যালরি পোড়ে পরিমাপের সাইক্লিং মেশিনে সাইক্লিং

২০ বার পুশআপ

৫ ক্যালরি পোড়ে পরিমাপের সাইক্লিং মেশিনে সাইক্লিং

২০ বার স্কিপিং

৫ ক্যালরি পোড়ে পরিমাপের সাইক্লিং মেশিনে সাইক্লিং

এভাবে কত বছর চালাতে পারি দেখা যাক, এইটুকু অনুশীলনও যদি এক সময় দেখা যায় আর করতে পারছি না তখন আবার শরীর পরিচর্যার নতুন ছক কষতে হবে, তার আগ পর্যন্ত এভাবেই চলবে।

কমিউনিটি ব্লগে : ৪৫ পেরিয়ে

টুকনীতি ও জেরুজালেম সঞ্চয় প্রকল্প

At the UN we’re always asked to do more & give more. So, when we make a decision, at the will of the American ppl, abt where to locate OUR embassy, we don’t expect those we’ve helped to target us. On Thurs there’ll be a vote criticizing our choice. The US will be taking names.

Referencing tomorrow’s UN vote criticizing the US embassy move. In the words of the President, “Let them vote against us, we’ll save a lot.”

A Wonderfully Illustrated 1925 Japanese Edition of Aesop’s Fables by Legendary Children’s Book Illustrator Takeo Takei

Most of us have internalized the content of a fair few of Aesop’s fables but have long since forgotten the source — if, indeed, we read it close to the source in the first place. Whether or not we’ve had any real awareness of the ancient Greek storyteller himself, we’ve certainly encountered his stories in countless much more recent interpretations over the decades. My personal favorite renditions came, skewed, in the form of the “Aesop and Son” segments on Rocky and Bullwinkle, but this 1925 Japanese edition of Aesop’s Fables, illustrated by hugely respected children’s artist Takeo Takei, must certainly rank in the same league.

Takei began his career in the early 1920s, illustrating children’s magazine covers, collections of Japanese folktales and original stories, and even youngster-oriented writings of his own. Even in that early period, he showed a professional interest in giving new aesthetic life to not just old stories but old non-Japanese stories, such as The Thousand and One Nights and Hans Christian Andersen’s fairy tales. It was during that time that he took on the challenge of putting his own aesthetic stamp on Aesop.

You can see quite a few of Takei’s Aesop illustrations at the book design and illustration site 50watts, whose author notes that he found the images in the database of Japan’s National Diet Library. Even if you can’t read the Japanese, you’ll know the fables in question — “The Tortoise and the Hare,” “The North Wind and the Sun,” “The Wolf and the Crane” — after nothing more than a glance at Takei’s lively artwork, which takes Aesop’s well-known characters (often animals or natural forces personified) and dresses them up in the natty style of jazz-age Tokyo high society.

Takei would go on to enjoy a long career after illustrating Aesop’s Fables. A decade after its publication, he would begin producing his best-known series of works, the “kampon” (in Japanese, “published book”). With these 138 volumes, he explored the form of the illustrated children’s book in every way he possibly could, using, according to rarebook.com, “traditional methods of letterpress, woodblock, wood engraving, stencil, etching and lithography,” as well as clay block-prints and “definitely non-traditional images of woven labels, painted glass, ceramic, and cello-slides – transparencies composed of bright cellophane paper.” He would continue working working right up until his death in 1983, leaving a legacy of influence on Japanese visual culture as deep as the one Aesop left on storytelling.