Skip to content

সিআখা বাংলাদেশের রারপু

সিরাজুল আলম খান : ইতিহাসের এক ব্যর্থ খলনায়ক

সময়টা সত্তরের দশকের মাঝামাঝি। ৭ নভেম্বরের ঘটনাবলীর কিছু পরে জনপ্রিয় ‘সাপ্তাহিক বিচিত্রা’ তার প্রচ্ছদের শিরোনাম দেয়, ‘সিরাজুল আলম খানঃ বাংলাদেশের রাজনীতির রহস্য পুরুষ’। তাতে লম্বা দাঁড়ি এবং চুলওয়ালা এক ব্যক্তির ছবি ছাপা হয়। অনেকটা যেন কার্ল মার্কস বা রাসপুটিনের মত দেখতে। এ ব্যক্তিটিকে বাংলাদেশের রাজনীতির একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। তিনি নেপথ্যে থাকেন। কিন্তু দেশের এমন কোন তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা নেই, যাতে তিনি মূখ্য ভূমিকা পালন করেন না।

এ ব্যক্তিটি জনসম্মুখে আসেন না। বক্তৃতা, বিবৃতি দেন না; সেমিনার, সিম্পোজিয়াম এ যান না। এমনকি, সাংবাদিকদের সাথে কথাও বলেন না। তিনি কোনো সংবাদপত্র বা ম্যাগাজিনে সাক্ষাৎকারও দেন না। কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্যও নন তিনি। আড়ালে থাকেন সব সময়। কেমন যেন রহস্যে ঘেরা মানুষ।

রহস্যের প্রতি মানুষের একটা সহজাত আকর্ষণ রয়েছে। যা কিছু রহস্যময়, তাই যেন আকর্ষণীয়। বাংলাদেশের মধ্যবিত্তের প্রিয় চরিত্র তখন মাসুদ রানা। ইতিমধ্যে কর্নেল তাহের নামে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে ঘটে গেছে এক ব্যর্থ অভ্যুথান। এর পিছনেও নাকি এ রহস্যময় লম্বা চুল, দাঁড়িওয়ালা ব্যক্তিটি।

এর কিছু পূর্বে, বিচিত্রা বছরের আলোচিত চরিত্র করে হাইকোর্ট মাজারের নুরা পাগলাকে। প্রচ্ছদে ছবি দেওয়া হয় নুরা পাগলার। লম্বা চুল, দাঁড়ি, হাতে গাঁজার কল্কি। লম্বা দাঁড়ি চুলের ব্যক্তির প্রতি বস্তুবাদী পাশ্চাত্যেই যেখানে জনমানসে আগ্রহের জায়গা তৈরি হয়; সেখানে ভাববাদ, ভক্তিবাদ, সুফিবাদ, লালন আর সহজিয়ার দেশ বাংলাদেশে তাঁদের তো একটা বাড়তি আবেদন থাকবেই।

বলিভিয়ায় নিহত হওয়া চে পুঁজিবাদী, অপুঁজিবাদী সব দেশেই তখন প্রবল জনপ্রিয়। কিছুদিন পূর্বে নিহত হয়েছেন নকশাল আন্দোলনের জনক চারু মজুমদার। তারই ধারাবাহিকতায় অনেকটা একই রকমভাবে নিহত হয়েছেন চারু মজুমদারের ভাব শিষ্য সিরাজ শিকদার।

ঘটনা এখানেই থেমে থাকেনি। হত্যার মিছিলে সামিল হন কর্নেল তাহেরও। ব্যর্থ অভ্যুত্থানের ফলশ্রুতিতে গোপন বিচারের নামে হত্যা করা হয় তাঁকেও। তাঁদের সবার চাওয়া একই ছিল। সেটা হল সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা।

বিচিত্রা থেকে জানা গেল সিরাজুল আলম খানও সেটা চান। আরো জানা গেল, জাসদ গঠন করে বঙ্গবন্ধু সরকারের বিরুদ্ধে দক্ষযজ্ঞ বাঁধিয়ে দেয়া ব্যক্তিটিও নাকি সিরাজুল আলম খান। ফলে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি পরিচিতি পেয়ে যান রহস্য পুরুষ হিসাবে। আর লম্বা চুল দাঁড়ির জন্য কাপালিক। তবে, তাঁর অনুসারী জাসদ নেতা কর্মীরা তাঁকে ডাকেন দাদা হিসাবে।

৭ নভেম্বরের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর জিয়া বুঝতে পেরেছিলেন তাঁকে ক্ষমতায় টিকে থাকতে হলে জাসদকে ভেঙ্গে তছনছ করতে হবে। জিয়ার শাসনামলে জাসদের উপর নেমে আসে স্টিমরোলার। হাজার হাজার নেতাকর্মী এ সময় গ্রেফতার হন। সাথে দাদা সিরাজুল আলম খানও। তিনি সহ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জেলে থাকা অবস্থাতেই জাসদ ভেঙ্গে হয় বাসদ। জিয়ার উদ্দেশ্য সফল হয়। তারপরের জাসদের ইতিহাস হল ক্রমশ নিঃশেষ থেকে নিঃশেষিত হওয়ার। একের পর এক ভাঙ্গন আসতে থাকে জাসদে।

সিরাজুল আলম খান ১৯৮১ সালে দীর্ঘ কারাভোগের পর মুক্তি পান। কারামুক্তির পরও তিনি একাকী, নিভৃত জীবন যাপন করতে থাকেন। এরপর রাজনৈতিক অঙ্গনে আর তিনি কোনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেননি। বরং, তাঁকে দেখা যায় রবের জাসদকে দিয়ে সামরিক শাসক এরশাদের তাঁবেদারি করতে। এরশাদ পতনের পর তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট থেকে সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে যান। সাধারণ মানুষ তাঁকে কখনোই তেমনভাবে চেনেনি, যারা তাঁর সম্পর্কে জানতেন, তাঁদের অনেকেই ইতিমধ্যে তাঁকে ভুলে যান।

আশির কাছাকাছি বয়সে সিরাজুল আলম খান আজ জীবন সায়াহ্নে উপনীত। শারীরিকভাবে তিনি অনেকটা অসুস্থ্য। জীবনের প্রান্তে এসে হঠাৎ করে তিনি তাঁর ভাব শিষ্য শামসুদ্দিন পেয়ারার অনুলিখনে ‘আমি সিরাজুল আলম খান’ শিরোনামে সম্প্রতি একটি গ্রন্থ প্রকাশ করেছেন। এক প্রাক্তন সহকর্মী বইটি আমাকে পাঠিয়েছেন।

বইটি হাতে আসার পর প্রথমে যতটা উল্লসিত হয়েছিলাম, পড়া শেষ করে ততটাই হতাশ হয়েছি। বইটা পাবার পর ভেবেছিলাম ১৯৭১-৭৫ কালপর্বে তাঁর ভূমিকা কি ছিল সেটা হয়ত শেষ বয়সে অকপটে তিনি জাতির সামনে তুলে ধরবেন। কিন্তু বইটিতে অত্যন্ত সুকৌশলে তিনি তাঁর ভূমিকা এড়িয়ে গেছেন। মাত্র কয়েক পাতায় এ কালপর্ব সম্পর্কে তিনি যা বলেছেন, তাতে নতুন কিছু নেই। ইতিমধ্যে যে বিষয়গুলো আমরা জানি, সেগুলোই খুব দায়সারাভাবে, কয়েক পাতায় তিনি এখানে উল্লেখ করেছেন। এতে একটা বিষয় স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে নেপথ্যে থেকে তিনি যে কলকাঠি নেড়েছেন, সেটা তিনি জাতির সামনে বলে যেতে চান না।

বইটার মূল ফোকাস ১৯৬২-৭০ সময়কালে তাঁর ভূমিকা কি ছিল তার উপর। ১৯৬২ সালে সিরাজুল আলম খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ছাত্র। বিশ্বব্যাপী তখন ঔপনিবেশিকবিরোধী জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের সময়। তাঁর ছোঁয়া লাগে সিরাজুল আলম খানের মাঝেও। তিনি তখন ছাত্রলীগের সদস্য।অনেকটা তারুণ্যের ফ্যান্টাসি থেকেই যেন তখন তিনি আব্দুর রাজ্জাক এবং কাজী আরেফ আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে ছাত্রলীগের মাঝে গড়ে তুলেন ‘নিউক্লিয়াস,’ যার লক্ষ্য হবে দেশ স্বাধীন করা।

এ নিউক্লিয়াসকে পরবর্তীতে তাঁরা ‘স্বাধীন বাঙলা নিউক্লিয়াস’ বলতে থাকেন, যাকে আবার একটা সময় পর ‘বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স’ বা বিএলএফ হিসাবে ডাকা হয়। এ বিএলএফের গেরিলা উইং হিসাবে ১৯৭১ সালে মেজর জেনারেল সুজান সিং উবানের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ভারতের দেরাদুনে গড়ে তোলেন ‘জয়বাংলা বাহিনী, ’যা সাধারণের কাছে ‘মুজিব বাহিনী’ নামে পরিচিত ছিল।

১৯৬২ সালে সিরাজুল আলম খানই যে প্রথম স্বাধীনতার কথা ভাবেননি এটা তাঁর বইয়েই উল্লখ আছে। এতে তিনি জানাচ্ছেন, ১৯৪৮ সালে তোয়াহা একটা প্রবন্ধে প্রথম দেশ স্বাধীন করবার কথা বলেন। পঞ্চাশের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক বুঝতে পেরেছিলেন পাকিস্তানী রাষ্ট্র কাঠামো টিকে থাকবে না। ১৯৫৭ সালের কাগমারী সম্মেলনে মাওলানা ভাসানী জাতীয় পর্যায়ের নেতা হিসাবে পাকিস্তানকে ‘আসসালাম ওয়ালাইকুম’ বলেন। বস্তুত ১৯৬২ সালের মধ্যেই, গণমানসে না হলেও, সমাজের খুব ক্ষুদ্র একটা অগ্রসর অংশের মাঝে স্বাধীনতার ধারণা জন্মলাভ করে গিয়েছিল।

ষাটের দশকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের তরুণ সমাজের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ বিশ্বব্যাপী বাম রাজনীতির স্বর্ণ যুগের প্রভাবে বিপ্লবী চিন্তায় আক্রান্ত। সিরাজুল আলম খানও বাম সাহিত্যের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেন। কিন্তু তিনি তাঁর বইতে স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন, বাম সাহিত্য তাঁকে টানেনি। ইউরোপে জন্ম লাভ করা মার্কসীয় চিন্তাধারা বরং তার কাছে পূর্ব পাকিস্তানের প্রেক্ষাপটে অবাস্তব মনে হয়েছে। বাম রাজনৈতিক দল এবং ছাত্র সংগঠনসমূহও বাংলার জনগণের মনন এবং জাতীয়তাবাদী চেতনা বুঝতে অক্ষম বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। তিনি আকৃষ্ট হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামী লীগের জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারা দ্বারা। স্বাধীনতার পূর্বে আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র এবং পুঁজিবাদী পথেই দেশের উন্নয়নের কথা ভাবত। শীতল যুদ্ধকালীন বিশ্বে আওয়ামী লীগকে তখন মার্কিন ঘেঁষা দল হিসাবেই মনে করা হত। সিরাজুল আলম খান সে পথেরই অনুসারী ছিলেন।

আওয়ামী লীগের জাতীয়তাবাদী চিন্তা দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়েই তিনি নিউক্লিয়াসের বিস্তার ঘটাবার উদ্যোগ নেন। ১৯৭০-৭১ সাল নাগাদ এর সদস্য সংখ্যা কয়েক হাজারে দাঁড়ায়। সিরাজুল আলম খান একে গোপন সংগঠন হিসাবে দাবী করলেও এটি সে অর্থে গোপন সংগঠন ছিল না, যে অর্থে সেসময়কার বাম রাজনৈতিক দলগুলি ছিল। একটি বৈধ সংগঠনের মাঝে আরেকটি সংগঠন গোড়ে তুলে একে গোপন দাবী করবার বিষয়টি হাস্যকর। বরং, তিনি যে কাজটা ১৯৬২ সাল থেকে করেছেন সেটা হল ছাত্রলীগের মাঝে একটি শক্তিশালী, সুশৃঙ্খল উপদল গড়ে তোলা, যার নেতৃত্ব ছিল তাঁর হাতে। এ উপদলটিকে তিনি চেষ্টা করেছেন মূল সংগঠনের মাঝে গোপন রাখতে।

এখন প্রশ্ন হল, এ উপদল গঠন করবার দরকার হল কেন? এটি প্রথমে বিপ্লবী রোমান্টিসিজম জাত হলেও সেই তরুণ বয়স থেকেই কি একই সাথে তিনি আওয়ামী রাজনীতির নেপথ্য নিয়ামক হয়ে উঠবার স্বপ্ন দেখছিলেন? তিনি কি তখন থেকেই ভাবতে শুরু করেছিলেন, দেশ স্বাধীন হলে তিনিই হয়ে উঠবেন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু?

উচ্চাভিলাষী সিরাজুল আলম খান রাজনীতির মাঠে নামার সাথে সাথে একটা বিষয় বুঝে গিয়েছিলেন যে, বঙ্গবন্ধু বা মাওলানা ভাসানীর মত নেতা হতে পারা তো দূরের কথা, তাঁর পক্ষে মণি সিংহ বা অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মত নেতা হওয়াও সম্ভব হবে না। তাই তিনি চিন্তা করেছিলেন ভিন্ন পথ ধরার, যাতে নেতা না হতে পারলেও পর্দার আড়ালে থেকে তিনি মূল নেতৃত্বকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। আর এ নিয়ন্ত্রক হবার স্বপ্নে বিভোর হয়েই তিনি স্বয়ং বঙ্গবন্ধুকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসবার বিষয়টা ভাবতে থাকেন। বইটি অধ্যয়ন করলেই সিরাজুল আলম খানের এ চিন্তাধারা এবং এ সংক্রান্ত কার্যক্রম স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

নেপথ্যে থেকে নিয়ন্ত্রক হবার ধারণা কোন নেতার বা বিপ্লবীর থাকে না। বিশ্বের দেশে দেশে জাতীয়তাবাদী নেতাদের বাদ দিলেও; এমনকি, বড় বড় বিপ্লবীরাও কখনোই নেপথ্যে থাকেন নাই। লেনিন, মাও, ক্যাস্ট্রো, চে গুয়েভারা, হো চি মিন, আনোয়ার হোজ্জা থেকে শুরু করে চারু মজুমদার বা সিরাজ শিকদার কেউই নেপথ্যে থেকে রাজনীতি করেননি। রাজনীতির প্রয়োজনে তাঁরা আত্মগোপনে গিয়েছেন, কিন্তু নেপথ্যে কখনো চলে যাননি। গান্ধী, নেহেরু, বঙ্গবন্ধুর মত নেতারা কখনো আত্মগোপনেও যাননি। এর চেয়ে জেলে যাওয়াকে তাঁরা অধিক যৌক্তিক মনে করেছেন।

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায় নেপথ্যে থেকে নিয়ন্ত্রক হবার অভিপ্রায় আমরা পাই রাশিয়ার রাসপুটিনের মাঝে। তিনি পিছনে থেকে জারের নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠেছিলেন এবং পরিণতিতে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন। বইটিতে উল্লেখ না করলেও তাঁর কর্মপদ্ধতি অনুসরণ করলে একটি বিষয় অত্যন্ত পরিস্কার হয়ে যায় যে, এ রাসপুটিন ছিলেন সিরাজুল আলম খানের আদর্শ। তাঁর মতো তিনিও চেয়েছিলেন সদ্য জন্ম নেয়া বাংলাদেশ নামক রিপাবলিকটির রাসপুটিন হয়ে উঠতে। এ সুদূর প্রসারী লক্ষ্যকে সামনে নিয়েই নিউক্লিয়াস গড়ে তুলবার পর তিনি স্বাধীনতার লক্ষ্যে কাজ করে গেছেন। আর তাঁর জবানীতেই তিনি বলেছেন, ১৯৬৫ সালে তিনি সিদ্ধান্ত নেন নেপথ্যে চলে যাবার। কেন তিনি এ সিদ্ধান্ত নিলেন, এর ব্যাখ্যা তিনি বইয়ের কোথাও দেননি।

নিউক্লিয়াসকে বইটিতে এমনভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যেটা পড়লে পাঠকের মনে হবে বঙ্গবন্ধুকে সামনে আইকন হিসাবে রেখে, সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্বে একমাত্র নিউক্লিয়াসের কার্যক্রমের ফলেই বুঝি ক্রমান্বয়ে পূর্ব পাকিস্তানে স্বাধীনতার ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রামের ক্ষেত্র তৈরি এবং মুক্তিযুদ্ধে নিউক্লিয়াস সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু ছাত্রলীগের অভ্যন্তরের একটি গোপন উপদল বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের মূল নিয়ামক, এটি ইতিহাসে বস্তুনিষ্ঠ দাবী নয়। ইতিহাসকে এভাবে বিশ্লেষণ করলে, তৎকালীন যেকোন গোপন দলও দাবী করতে পারে, তারাই নেপথ্যে থেকে গণ আন্দোলনগুলো সংগঠিত করেছিল। গণ আন্দোলনগুলোতে গোপন দল, সংগঠন, উপদলগুলোর অংশগ্রহণ থাকে। কিন্তু, গোপন উপদলের উপর নির্ভর করে দুনিয়ার কোথায়ও গণ আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি।

১৯৭১ সালে মুক্তি সংগ্রাম শুরু হলে সিরাজুল আলম খান এবং তাঁর নিউক্লিয়াসের সদস্যরা ভারত চলে যান। কিন্তু প্রবাসী সরকারের অধীনে মুক্তি বাহিনীতে যোগ না দিয়ে তাঁরা ভারতের উচ্চ পদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ সহয়তায় কয়েক হাজার সদস্যের ‘জয় বাংলা’ বাহিনী গড়ে তোলেন। এ বাহিনীকে মুক্তি বাহিনীর চেয়ে উন্নত মানের সমরাস্ত্র এবং ট্রেনিং দেওয়া হয়।

সিরাজুল আলম খান দাবি করেছেন, এ বাহিনী গড়ে তুলবার আগে এ বিষয় বা অন্য কোনো কিছু নিয়ে ভারতের সাথে তাঁর কোনো যোগাযোগ হয়নি। তাঁর দাবিটি সত্য ধরে নিলেও যে প্রশ্নটি সামনে আসে সেটি হল, নিউক্লিয়াসের সদস্যরা সবাই আওয়ামী লীগের সদস্য হলেও, তাঁরা কেন প্রবাসী সরকারের অধীনে মুক্তি বাহিনীতে যোগ না দিয়ে আলাদা বাহিনী গড়ে তুললেন বা ভারতকে গড়ে তুলতে দিলেন। ভারত যে উদ্দেশ্যেই এ বাহিনী গড়ে তুলুক একটি বিষয় পরিস্কার, সিরাজুল আলম খান এ সুযোগটি নিয়েছেন এ ভেবে যে, এতে তিনি এ বাহিনীর সহযোগীতায় মুক্তিযুদ্ধের নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় চলে যেতে পারবেন।

দেশ স্বাধীন হবার পর যখন তিনি দেখতে পেলেন যে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু থেকে তিনি অনেক দূরে চলে যাচ্ছেন, তখন চাপে রাখবার কৌশল হিসাবে বঙ্গবন্ধুকে তিনি জাতীয় সরকার গড়ে তুলতে বলেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, জাতীয় সরকারের ধারণা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কাঠামোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। প্রাকারান্তরে এটি মূলত এক দলীয় শাসন।

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য হল ছোট, বড় সব দল নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সংবিধানের আওতায় ভূমিকা পালন করা। ভারত বা যুক্তরাষ্ট্রের মত আপাত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলিতে সঙ্কটকালীন সময়ে কখনোই জাতীয় সরকার গঠিত হয়নি। কিন্তু সিরাজুল আলম খান দেশ স্বাধীন হবার অব্যবহিত পর থেকেই বঙ্গবন্ধুকে জাতীয় সরকারের নামে এক দলীয় শাসনের দিকে নিয়ে যাবার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। এ ক্ষেত্রে ব্যর্থ হবার পর বঙ্গবন্ধু সরকারকে বেকায়দায় ফেলবার জন্য তিনি ‘বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের’ শ্লোগান দিয়ে ছাত্রলীগে ভাঙ্গন ধরান এবং জাসদ গঠন করেন।

বইটিতে তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছেন, জাসদ গঠনের লক্ষ্য ছিল বঙ্গবন্ধুর সরকারকে উৎখাত করা এবং জাসদের নেতৃত্বে ‘জাতীয় সরকার’ তথা একনায়কতান্ত্রিক শাসন কায়েম করা। এ সরকারের নেপথ্য গুরু হবেন সিরাজুল আলম খান। বঙ্গবন্ধু সরকারের প্রভাব বিস্তারকারীর ভূমিকায় না থাকতে পেরে তিনি পরিকল্পনা করছিলেন, এ সরকারকে ফেলে দিয়ে নিজেই নেপথ্য থেকে দেশের সর্বেসর্বা হয়ে উঠবার।

এ লক্ষ্যে শুধু জাসদ গঠন করেই তিনি ক্ষান্ত হননি। দলটির ‘অঙ্গসংগঠন’ হিসাবে গড়ে তোলেন স্বেচ্ছাসেবক ‘মিলিশিয়া’ বাহিনী, যা জনগণের কাছে ‘গণবাহিনী’ নামে পরিচিত। এ গণবাহিনীর ঢাকা অঞ্চলের প্রধান ছিলেন হাসানুল হক ইনু। এ বাহিনীর মূল লক্ষ্য ছিল সারা দেশে বিশৃংখলা, অরাজকতা, নৈরাজ্য সৃষ্টি করে বঙ্গবন্ধু সরকারের পতনের পথ তরান্বিত করা। এ বাহিনী সেসময় সারা দেশে ব্যাপক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। এসব কাজের জন্য ‘প্রাপাগান্ডা উইং’ হিসাবে তাঁরা প্রতিষ্ঠা করেন ‘গণকণ্ঠ’ পত্রিকা, যার সম্পাদক ছিলেন কবি আল মাহমুদ। এ পত্রিকা সেসময় মুজিব সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক নেতিবাচক প্রচারণা চালায়। শেখ কামালের ব্যাংক ডাকাতির গল্প এরাই প্রথম চালু করে।

তাহলে দেখা যাচ্ছে, এক দিকে কর্নেল ফারুক, রশিদ এবং অপরদিকে সিরাজুল আলম খান, রব ও ইনুরা দুটো ভিন্ন প্লাটফরম থেকে একই লক্ষ্যে কাজ করছিলেন। ফারুক, রশিদরা সফল হয়েছিল, অপর গ্রুপটি হয়নি। ফারুক, রশিদরা মুসলিম জাতীয়াতাবাদের রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নের কথা মাথায় রেখেই তাঁরা ১৫ অগাস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেন। অপরদিকে, রাজনৈতিক সুবিধার জন্য চরমতম আদর্শগত পথ ভ্রষ্টতার নজির স্থাপন করেন সিরাজুল আলম খান।

বামদের ভাষায় ‘বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক’ আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে এক লহমায় তিনি সেই বামদের—যাদের তিনি কিছুদিন আগেও সমালোচনা করেছেন— ‘বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের’ আদর্শের ‘ধারক’ হয়ে উঠেন। এবং সে আদর্শ বাস্তবায়নে হিটলারের ন্যাশনাল সোশালিস্ট পার্টির বাংলা অনুবাদ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল করে, দল গঠন করেন। আদর্শগত ডিগবাজি তাঁর এখানেই শেষ হয়ে যায়নি। এরশাদ আমলে তাঁকে আবার দেখা যায় মুসলিম জাতীয়তাবাদী এরশাদের সাথে হাত মিলাতে। বইটিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, এরশাদের সাথে তিনি চারবার দেখা করেছেন এবং দাবি করেছেন, উপজেলা ব্যবস্থার ধারণা তাঁর থেকেই এরশাদ নিয়েছেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, মার্কস তাঁর পূর্ববর্তী সমাজতান্ত্রিক চিন্তকদের চিন্তাধারা বাতিল করে নিজের চিন্তাধারাকে প্রতিষ্ঠা করবার জন্য পূর্বোক্তদের চিন্তাধারাকে ‘ইউটোপীয় সমাজতন্ত্র’ (যার দূরবর্তী দুর্বল বাংলা হল কাল্পনিক সমাজতন্ত্র) আখ্যায়িত করে নিজের ধারণাকে ‘বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র’ বলে অভিহিত করেছেন। বাংলাদেশের সিপিবিসহ মার্কস পরবর্তী দুনিয়ার সমস্ত কমিউনিস্ট পার্টির আদর্শই হল এই ‘বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র। কোনো বাম দলই তাদের সমাজতন্ত্র যে বৈজ্ঞানিক, এভাবে আলাদা করে উল্লেখ করে না। কিন্তু, সিরাজুল আলম খান অত্যন্ত চতুরতার সাথে বাম রাজনৈতিক কর্মীদের মাঝে একটা কনফিউশন তৈরির লক্ষ্যে, সমাজতান্ত্রিক ধ্যান-ধারণা সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান না রেখে, শুধুমাত্র রাজনৈতিক অসততার জায়গা থেকে, তাঁর কর্মী এবং অনুসারীদের সমাজতন্ত্রের আগে বৈজ্ঞানিক শ্লোগান দিতে বলেন।

১৫ অগাস্টের নির্মম ঘটনার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর বাকশাল সরকারের অবসান ঘটবার পর সিরাজুল আলম খান সু্যোগ খুঁজতে থাকেন ক্ষমতা দখল করবার। এ সুযোগের ধারাবাহিকতায় তিনি কর্নেল তাহেরকে দিয়ে ৭ নভেম্বরের ব্যর্থ অভ্যুত্থান সংগঠিত করেন, যার ফলশ্রুতি হল জিয়াউর রহমানের ক্ষমতায় আসা। এ অভ্যুত্থান পরিচালনা করবার জন্য তাহেরকে দিয়ে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে তিনি গঠন করেন ‘বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা’। এ সংস্থার হাতে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন খালেদ মোশাররফ, মেজর হায়দারসহ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সেনাবাহিনীর অনেক প্রতিভাবান অফিসার এবং সৈনিক।

এদের লাশ যখন ক্যন্টনমেন্টে পড়ে ছিল তখন ইনুসহ জাসদের অনেক নেতাকর্মীকে ঢাকার রাস্তায় উল্লাস করতে দেখে গেছে অভ্যুত্থান সফল হয়েছে এটা ভেবে। অভ্যুত্থানের ক্ষেত্র তৈরি করবার জন্য জাসদ সে সময় ব্যাপক প্রচারণা চালায় খালেদ মোশাররফকে ভারতীয় চর আখ্যা দিয়ে।

৭ নভেম্বরের ঘটনার পর সামরিক শাসক এরশাদের সাথে হাত মিলানো ছাড়া সিরাজুল আলম খানের রাজনীতিতে আর কোন উল্লেখ করবার মত ভূমিকা নেই। বর্তমানে আসম রবসহ জাসদের ক্ষুদ্র একটা অনুসারী রাজনীতির এ ব্যর্থ খলনায়ককে গুরু মনে করেন। রব বইটির পরিশিষ্টে এক সাক্ষাৎকারে অকপটে বলেছেন, রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সময় থেকে আজ পর্যন্ত দাদার নির্দেশের বাইরে এক পাও তিনি ফেলেন নাই এবং দাদা যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন তাঁর নির্দেশ মতই তিনি পরিচালিত হবেন।

সেই দাদার নির্দেশেই রবসহ সেদিন জাসদ কর্মীরা শ্লোগান দিয়েছিল, ‘মুজিব, মণি, মোজাফফর, বাংলার মীর জাফর’। কিন্তু বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর দলের সাথে বেঈমানী করে কারা বাংলার ইতিহাসে মীর জাফরের ভূমিকায় অভিনয় করেছিল, সেটি আজ জাতির কাছে পরিস্কার।

[পাদটীকা : দাদা সিরাজুল আলম খানের বাংলাদেশের রাসপুটিন হবার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে যেয়ে জাসদের অনেক নেতা কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন, যা তাদের হিসাবে ৩০ হাজার। এ লক্ষ্যে তাঁরা অনেকের প্রাণ সংহারও করেছেন। পুরো বইটিতে জাতির কাছে না হোক, জাসদের নেতা কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া বা অনুশোচনার বিষয় তো নেই-ই, এমনকি এত প্রাণ ঝরে পড়বার বিষয়টি একটি লাইনেও উল্লেখ নেই। এ ধরণের ক্ষমা না চাওয়া, অনুশোচনা বিহীন জীবন আরেক জনের ক্ষেত্রে দেখা যায়। তিনি হলেন গোলাম আজম। ]

Advertisements

Greta Thunberg reaches New York after two-week sailing journey across Atlantic

“The determination and perseverance shown during your journey should embolden all of us taking part in next month’s #ClimateAction Summit.”

Kashmir is an Indian colony

Kashmir is the Test Bed for a New Model of Internal Colonialism

The prime minister and the home minister have both insisted that the special status of Jammu and Kashmir, stuck in as a temporary provision of the Indian constitution, was an egregious anomaly which had to go. Since Kashmir is an integral part of India, it should be treated exactly like the other parts of the country.

By abolishing Article 370, they argue, Kashmir has been brought on par with the rest of India. In the process, they have applied a classic colonial strategy: extend a common measure to the colony to justify why it must be treated differently.

The problem with the princely states

There are specific reasons why Articles 370 and 371 were included in the Indian constitution. The temporary special provisions of these articles were not prompted by Jammu and Kashmir alone. When Mountbatten announced his partition plan in June 1947, several major princely states such as Travancore, Hyderabad and Bhopal were toying with the idea of not joining either India or Pakistan and instead setting up independent sovereign states. Mountbatten firmly rejected this possibility. This led to hectic negotiations with each of the princely states on the terms of accession. To allay the fears of the princes that they would lose their sovereign powers, it was announced that accession would mean that the laws of the dominion government – India or Pakistan – would apply to the states only on three subjects: defence, external affairs and communications. On other matters, the states would be free to come to whatever agreement they wished with the dominion they joined.

Those were the terms of the first instruments of accession with all of the states which chose India – more than five hundred of them – although most of them were clubbed into States Unions such as Saurashtra, Madhya Bharat, Travancore-Cochin, Rajasthan, Patiala and East Punjab, and several smaller states were merged with neighbouring provinces. While the princes became constitutional heads called Rajpramukhs, the state governments now had responsible ministries headed by prime ministers. Each state or states union was supposed to set up its own representative constituent assembly to decide how far it would accept the Indian constitution that was being drafted in New Delhi. This requirement was an attempt by the Indian political leadership to introduce an element of popular consent into the process of accession by the princes, and also use the popular will there as a check on the ambition of the princes.

With a mixture of assurances and threats from Mountbatten and Vallabhbhai Patel, and the diplomatic energy of V. P. Menon, Patel’s right hand man in the states ministry, nearly all the princes were finally persuaded to accede in exchange for a generous privy purse. A problem arose with Junagadh, a tiny state in Kathiawar, whose nawab decided to join Pakistan even though most of his subjects were Hindu. Following a popular revolt led by local Congressmen who set up a provisional rebel government, and a blockade supported by Indian troops, the Nawab fled to Pakistan, leaving behind his diwan, Shah Nawaz Bhutto, (Zulfikar Ali Bhutto’s father) to negotiate the accession to India. A plebiscite was held in Junagadh in which 99% voted in favour of joining India.

The nizam of Hyderabad held out for more than a year, believing he could play off India and Pakistan and remain independent. He would not agree to the Indian insistence on a plebiscite, since 85% of his subjects were Hindu and the result was a foregone conclusion. At one point, the Indian government was willing to give the nizam a railway line to an Indian seaport, a guaranteed 45% reservation for Muslims in the state’s constituent assembly and the right to maintain his own army – far more than anything that was given to Jammu and Kashmir. But Nizam Osman Ali was by this time a virtual prisoner in the hands of a fanatical rabble-rouser called Kasem Razvi, head of an armed militia of Razakars, who wanted Hyderabad to join Pakistan.

Casting aside every piece of sane advice, the nizam turned down the Indian offer. In the end, in September 1948, two days after Jinnah’s death, an armoured division of the Indian army supported by bombers of the air force swept into Hyderabad, leading to the quick surrender of the nizam’s forces and his accession to India. While there was little fighting between the two armies, the entry of the Indian forces led to massive communal violence in various parts of the state, provoked in the first place by the Razakars but followed by a severe retaliation by Hindus. There was no political agreement that produced the accession of Hyderabad to India; just a military takeover. Hence, there was no plebiscite and no constituent assembly. The state was put under the charge of a military governor.

In Jammu and Kashmir, the accession to India signed by Maharaja Hari Singh in October 1947 and the military campaign by the Indian army in Kashmir led to a ceasefire, supervised by the United Nations, in January 1949. In the meantime, there was a political agreement by which the maharaja appointed Sheikh Abdullah of the National Conference as prime minister and agreed to convene a constituent assembly. There was also an assurance on both sides, later endorsed by the UN Security Council, to ratify the accession “in accordance with the wishes of the people”. None of these constitutional terms of accession were unique to Jammu and Kashmir.

Articles 370 and 371

By mid-1949, as the process of constitution making was coming to a close in New Delhi, only Saurashtra, Travancore-Cochin, Mysore and Jammu and Kashmir had managed to set up their constituent assemblies.

At the request of the Indian government, B. N. Rau, the constitutional expert, drafted a model constitution for the states which did not find much approval. Finally, it was decided that all necessary constitutional matters relating to the states, now called Part B States, would be included in the Indian constitution.

At this time, the Saurashtra constituent assembly resolved to accept the Indian constitution in full and disbanded itself. When India’s constitution was promulgated in January 1950, only three states still had constituent assemblies that had not finished their work. Hence, Article 370 was included to define the relation between the Union government and Jammu and Kashmir until the latter’s constituent assembly came up with its own constitution.

Article 371 was a similar temporary provision for ten years that allowed the Union government to declare by presidential order which of its laws would or would not be extended to a Part B state. The immediate reason for this was to accommodate Mysore and Travancore-Cochin, whose constituent assemblies had still not accepted the Indian constitution.

The general elections of 1952 brought in elected Congress ministries in all Part B states, including Mysore and Travancore-Cochin which then proceeded to accept the Indian constitution and dissolve themselves. Thus, from 1952, Article 371 became, in V. P. Menon’s words, “a dead letter”. But Jammu and Kashmir had a National Conference government. Soon, Sheikh Abdullah fell foul of the leadership in New Delhi and was removed from power and arrested. Bakshi Ghulam Mohammed, Abdullah’s cabinet colleague, became prime minister and later joined the Congress. In 1956, the Jammu and Kashmir constituent assembly produced a constitution for the state and disbanded itself.

There is one strand of legal opinion that believes that with this event the provisions of Article 370 became permanent features of the Indian constitution that could not be changed by any authority. Others believe that in the absence of the constituent assembly, the elected legislature of Jammu and Kashmir would have to approve of any such change. In any event, Article 370 was a recognition that there had to be an element of consent of the Kashmiri people in the evolving relation between the state and the rest of India. This is especially significant in view of the fact that the promised plebiscite was never held.

At the same time, Article 371 acquired an extended life because periodic political agitations in various parts of India ended up in agreements that required special constitutional provisions defining the relations of particular states with the Union. Thus, Maharashtra and Gujarat were given special powers to set up developmental boards for Vidarbha, Marathwada and Kutch. Union laws cannot apply to Nagaland, without the agreement of the state assembly, in matters of the religion and social practices of the Naga people, customary law, and ownership of land. Similar special provisions also exist for Mizoram. There are special provisions for Assam, Manipur, Arunachal Pradesh, Sikkim and Goa – provisions that do not apply to the other states.

Few people remember that when Sikkim was annexed by Indian forces during the Emergency in 1975, it was first included in India as an “associate state”, a unique category, and then regularised after the people of Sikkim ratified by a plebiscite the abolition of the monarchy and union with India. This proves that despite the desire for legal uniformity, the specific political conditions under which the people of different parts of the country agree to join the Indian state requires a flexible federal structure. Without it, the dominating force of the state must subjugate the willing consent of the people.

Kashmir as an Indian colony

Nowhere is this proved more tellingly, and tragically, than in Jammu and Kashmir. Over the years, in the course of puppet regimes, rigged elections, popular insurgency, military repression and terrorist violence, the autonomy given by Article 370 was serially diluted, by presidential orders from the Centre as well as with the approval of the state assembly. The Congress party, which ruled in Delhi for most of the last five decades, was primarily responsible for this. True, since the Kashmir dispute had become an international issue and the main bone of contention between Pakistan and India, it was the foreign policy and security aspects that dominated the thinking of those in power. The wishes of the people of Kashmir became insignificant.

This attitude propagated by decision-makers in New Delhi has percolated into the common sense of ordinary people in the rest of India. They have come to believe that Kashmir is a property of India – a valuable piece of real estate that Pakistan wants to grab – and that Kashmiris are a nuisance who must be taught to behave. Of course, democratic decorum required periodic gestures of consultation with local politicians and a nod to Kashmiriyat. But the idea that order had to be maintained in Kashmir by occasional emergencies and a permanent military occupation became thoroughly normalised. The present regime in Delhi, boosted by a new resurgence of nationalist assertion, has now thrown away the veil.

In the old days, liberal governments in imperial Britain or France justified a dual policy of democracy at home and autocracy in the colonies by pointing out that even though democracy was universally the best form of government, the colonial peoples were not yet ready for it. They needed a spell of enlightened authoritarian rule before they could be trusted with the rights of freedom. Those are the words that BJP leaders are now using to justify the extraordinary clampdown in Kashmir. They admit that conditions are harsh but it is all for the ultimate good of Kashmiris.

The rhetoric marks a change in the way nationalism is understood in India. Fifty years ago, Indian nationalism was still primarily anti-colonial. It saw itself as fighting against the colonial exploitation and racial discrimination perpetrated by Western imperial powers and was in solidarity with freedom struggles in Africa and Southeast Asia. Now India prefers to think of itself as one of the great powers of the world. What do Indians have in common with the people of Zimbabwe or Sudan or Palestine? Why, like all great powers, we too have our own colonial problem in Kashmir which we will now solve clinically and unsentimentally, in a way our previous governments had never dared to do.

There are speculations on why the BJP government chose this moment to abolish Article 370, dismember Jammu and Kashmir and bring it under direct physical control. Perhaps the impending deal in Afghanistan between the United States and the Taliban and the strategic advantage this might give to Pakistan had something to do with it. There may be plans afoot for property development and demographic change in Kashmir to alter the effective political character of the state, but those plans would take years to bear fruit. Or perhaps it was the utter confusion and despair in the ranks of the opposition parties that presented an opportunity to the government to push the measure through both houses of parliament. The legality of the step will certainly come under judicial scrutiny in the days to come. But the political implications for the Indian people of what has been done are not merely alarming but catastrophic.

Political consequences

First of all, it creates a precedent by which an original and much discussed constitutional provision touching upon the basic structure of federal relations between the Union and the states has been annulled by executive order, ratified by a simple majority in Parliament, without any consultation with the elected representatives of the people of the concerned state.

Second, it gives the Union government the power to partition a state without any reference to its people or their elected legislature.

Third, in a complete reversal of the normal process of integration of the federating parts into the whole, a state that has existed since the beginning of the constitution has been demoted to a Union territory, supposedly in order to make it better suited for development and democracy. One cannot think of a more colonial reasoning than that.

It is distressing that even those parties and leaders who should have been most concerned about the implications of this move for the federal polity have fallen in line or remained silent. The thrust of this majoritarian logic of colonising nationalism will not stop at Kashmir. Every minority identity that appears to stand in the way of a homogeneous nationhood – language, religion, caste, gender – will come under attack. Only the Hindu upper-caste male who speaks Hindi will have the sovereign privilege of not having to prove his Indianness.

Unlike the old kind of colonialism which was discredited by the international order after decolonisation, internal colonialism is a domestic matter that has no rules. Is India becoming the laboratory for developing the constitutional rules of internal colonialism? Unfortunately, those who may be its next victims seem not to be worried.

‘সাম্যবাদের বিপদ’ : একটি প্রাচীন ব্রিটিশ পুস্তিকা

Burying the Nakba

Burying the Nakba: How Israel Systematically Hides Evidence of 1948 Expulsion of Arabs

Since early last decade, Defense Ministry teams have scoured local archives and removed troves of historic documents to conceal proof of the Nakba

Four years ago, historian Tamar Novick was jolted by a document she found in the file of Yosef Vashitz, from the Arab Department of the left-wing Mapam Party, in the Yad Yaari archive at Givat Haviva. The document, which seemed to describe events that took place during the 1948 war, began:

“Safsaf [former Palestinian village near Safed] – 52 men were caught, tied them to one another, dug a pit and shot them. 10 were still twitching. Women came, begged for mercy. Found bodies of 6 elderly men. There were 61 bodies. 3 cases of rape, one east of from Safed, girl of 14, 4 men shot and killed. From one they cut off his fingers with a knife to take the ring.”

The writer goes on to describe additional massacres, looting and abuse perpetrated by Israeli forces in Israel’s War of Independence. “There’s no name on the document and it’s not clear who’s behind it,” Dr. Novick tells Haaretz. “It also breaks off in the middle. I found it very disturbing. I knew that finding a document like this made me responsible for clarifying what happened.”

The Upper Galilee village of Safsaf was captured by the Israel Defense Forces in Operation Hiram toward the end of 1948. Moshav Safsufa was established on its ruins. Allegations were made over the years that the Seventh Brigade committed war crimes in the village. Those charges are supported by the document Novick found, which was not previously known to scholars. It could also constitute additional evidence that the Israeli top brass knew about what was going on in real time.


The evacuation of Iraq al-Manshiyya, near today’s Kiryat Gat, in March, 1949. Collection of Benno Rothenberg/The IDF and Defense Establishment Archives

Novick decided to consult with other historians about the document. Benny Morris, whose books are basic texts in the study of the Nakba – the “calamity,” as the Palestinians refer to the mass emigration of Arabs from the country during the 1948 war – told her that he, too, had come across similar documentation in the past. He was referring to notes made by Mapam Central Committee member Aharon Cohen on the basis of a briefing given in November 1948 by Israel Galili, the former chief of staff of the Haganah militia, which became the IDF. Cohen’s notes in this instance, which Morris published, stated: “Safsaf 52 men tied with a rope. Dropped into a pit and shot. 10 were killed. Women pleaded for mercy. [There were] 3 cases of rape. Caught and released. A girl of 14 was raped. Another 4 were killed. Rings of knives.”

Morris’ footnote (in his seminal “The Birth of the Palestinian Refugee Problem, 1947-1949”) states that this document was also found in the Yad Yaari Archive. But when Novick returned to examine the document, she was surprised to discover that it was no longer there.

“At first I thought that maybe Morris hadn’t been accurate in his footnote, that perhaps he had made a mistake,” Novick recalls. “It took me time to consider the possibility that the document had simply disappeared.” When she asked those in charge where the document was, she was told that it had been placed behind lock and key at Yad Yaari – by order of the Ministry of Defense.

Since the start of the last decade, Defense Ministry teams have been scouring Israel’s archives and removing historic documents. But it’s not just papers relating to Israel’s nuclear project or to the country’s foreign relations that are being transferred to vaults: Hundreds of documents have been concealed as part of a systematic effort to hide evidence of the Nakba.

The phenomenon was first detected by the Akevot Institute for Israeli-Palestinian Conflict Research. According to a report drawn up by the institute, the operation is being spearheaded by Malmab, the Defense Ministry’s secretive security department (the name is a Hebrew acronym for “director of security of the defense establishment”), whose activities and budget are classified. The report asserts that Malmab removed historical documentation illegally and with no authority, and at least in some cases has sealed documents that had previously been cleared for publication by the military censor. Some of the documents that were placed in vaults had already been published.

An investigative report by Haaretz found that Malmab has concealed testimony from IDF generals about the killing of civilians and the demolition of villages, as well as documentation of the expulsion of Bedouin during the first decade of statehood. Conversations conducted by Haaretz with directors of public and private archives alike revealed that staff of the security department had treated the archives as their property, in some cases threatening the directors themselves.

Yehiel Horev, who headed Malmab for two decades, until 2007, acknowledged to Haaretz that he launched the project, which is still ongoing. He maintains that it makes sense to conceal the events of 1948, because uncovering them could generate unrest among the country’s Arab population. Asked what the point is of removing documents that have already been published, he explained that the objective is to undermine the credibility of studies about the history of the refugee problem. In Horev’s view, an allegation made by a researcher that’s backed up by an original document is not the same as an allegation that cannot be proved or refuted.

The document Novick was looking for might have reinforced Morris’ work. During the investigation, Haaretz was in fact able to find the Aharon Cohen memo, which sums up a meeting of Mapam’s Political Committee on the subject of massacres and expulsions in 1948. Participants in the meeting called for cooperation with a commission of inquiry that would investigate the events. One case the committee discussed concerned “grave actions” carried out in the village of Al-Dawayima, east of Kiryat Gat. One participant mentioned the then-disbanded Lehi underground militia in this connection. Acts of looting were also reported: “Lod and Ramle, Be’er Sheva, there isn’t [an Arab] store that hasn’t been broken into. 9th Brigade says 7, 7th Brigade says 8.”


Palestinian refugees leaving their village, unknown location, 1948. credit: UNRWA

“The party,” the document states near the end, “is against expulsion if there is no military necessity for it. There are different approaches concerning the evaluation of necessity. And further clarification is best. What happened in Galilee – those are Nazi acts! Every one of our members must report what he knows.”

The Israeli version

One of the most fascinating documents about the origin of the Palestinian refugee problem was written by an officer in Shai, the precursor to the Shin Bet security service. It discusses why the country was emptied of so many of its Arab inhabitants, dwelling on the circumstances of each village. Compiled in late June 1948, it was titled “The Emigration of the Arabs of Palestine.”

This document was the basis for an article that Benny Morris published in 1986. After the article appeared, the document was removed from the archive and rendered inaccessible to researchers. Years later, the Malmab team reexamined the document, and ordered that it remain classified. They could not have known that a few years later researchers from Akevot would find a copy of the text and run it past the military censors – who authorized its publication unconditionally. Now, after years of concealment, the gist of the document is being revealed here.

The 25-page document begins with an introduction that unabashedly approves of the evacuation of the Arab villages. According to the author, the month of April “excelled in an increase of emigration,” while May “was blessed with the evacuation of maximum places.” The report then addresses “the causes of the Arab emigration.” According to the Israeli narrative that was disseminated over the years, responsibility for the exodus from Israel rests with Arab politicians who encouraged the population to leave. However, according to the document, 70 percent of the Arabs left as a result of Jewish military operations.

The unnamed author of the text ranks the reasons for the Arabs’ departure in order of importance. The first reason: “Direct Jewish acts of hostility against Arab places of settlement.” The second reason was the impact of those actions on neighboring villages. Third in importance came “operations by the breakaways,” namely the Irgun and Lehi undergrounds. The fourth reason for the Arab exodus was orders issued by Arab institutions and “gangs” (as the document refers to all Arab fighting groups); fifth was “Jewish ‘whispering operations’ to induce the Arab inhabitants to flee”; and the sixth factor was “evacuation ultimatums.”

The author asserts that, “without a doubt, the hostile operations were the main cause of the movement of the population.” In addition, “Loudspeakers in the Arabic language proved their effectiveness on the occasions when they were utilized properly.” As for Irgun and Lehi operations, the report observes that “many in the villages of central Galilee started to flee following the abduction of the notables of Sheikh Muwannis [a village north of Tel Aviv]. The Arab learned that it is not enough to forge an agreement with the Haganah and that there are other Jews [i.e., the breakaway militias] to beware of.”

The author notes that ultimatums to leave were especially employed in central Galilee, less so in the Mount Gilboa region. “Naturally, the act of this ultimatum, like the effect of the ‘friendly advice,’ came after a certain preparing of the ground by means of hostile actions in the area.”

An appendix to the document describes the specific causes of the exodus from each of scores of Arab locales: Ein Zeitun – “our destruction of the village”; Qeitiya – “harassment, threat of action”; Almaniya – “our action, many killed”; Tira – “friendly Jewish advice”; Al’Amarir – “after robbery and murder carried out by the breakaways”; Sumsum – “our ultimatum”; Bir Salim – “attack on the orphanage”; and Zarnuga – “conquest and expulsion.”

Short fuse

In the early 2000s, the Yitzhak Rabin Center conducted a series of interviews with former public and military figures as part of a project to document their activity in the service of the state. The long arm of Malmab seized on these interviews, too. Haaretz, which obtained the original texts of several of the interviews, compared them to the versions that are now available to the public, after large swaths of them were declared classified.

These included, for example, sections of the testimony of Brig. Gen. (res.) Aryeh Shalev about the expulsion across the border of the residents of a village he called “Sabra.” Later in the interview, the following sentences were deleted: “There was a very serious problem in the valley. There were refugees who wanted to return to the valley, to the Triangle [a concentration of Arab towns and villages in eastern Israel]. We expelled them. I met with them to persuade them not to want that. I have papers about it.”

In another case, Malmab decided to conceal the following segment from an interview that historian Boaz Lev Tov conducted with Maj. Gen. (res.) Elad Peled:

Lev Tov: “We’re talking about a population – women and children?”

Peled: “All, all. Yes.”

Lev Tov: “Don’t you distinguish between them?”

Peled: “The problem is very simple. The war is between two populations. They come out of their home.”

Lev Tov: “If the home exists, they have somewhere to return to?”

Peled: “It’s not armies yet, it’s gangs. We’re also actually gangs. We come out of the house and return to the house. They come out of the house and return to the house. It’s either their house or our house.”

Lev Tov: “Qualms belong to the more recent generation?”

Peled: “Yes, today. When I sit in an armchair here and think about what happened, all kinds of thoughts come to mind.”

Lev Tov: “Wasn’t that the case then?”

Peled: “Look, let me tell you something even less nice and cruel, about the big raid in Sasa [Palestinian village in Upper Galilee]. The goal was actually to deter them, to tell them, ‘Dear friends, the Palmach [the Haganah “shock troops”] can reach every place, you are not immune.’ That was the heart of the Arab settlement. But what did we do? My platoon blew up 20 homes with everything that was there.”

Lev Tov: “While people were sleeping there?”

Peled: “I suppose so. What happened there, we came, we entered the village, planted a bomb next to every house, and afterward Homesh blew on a trumpet, because we didn’t have radios, and that was the signal [for our forces] to leave. We’re running in reverse, the sappers stay, they pull, it’s all primitive. They light the fuse or pull the detonator and all those houses are gone.”

Another passage that the Defense Ministry wanted to keep from the public came from Dr. Lev Tov’s conversation with Maj. Gen. Avraham Tamir:

Tamir: “I was under Chera [Maj. Gen. Tzvi Tzur, later IDF chief of staff], and I had excellent working relations with him. He gave me freedom of action – don’t ask – and I happened to be in charge of staff and operations work during two developments deriving from [Prime Minister David] Ben-Gurion’s policy. One development was when reports arrived about marches of refugees from Jordan toward the abandoned villages [in Israel]. And then Ben-Gurion lays down as policy that we have to demolish [the villages] so they won’t have anywhere to return to. That is, all the Arab villages, most of which were in [the area covered by] Central Command, most of them.”

Lev Tov: “The ones that were still standing?”

Tamir: “The ones that weren’t yet inhabited by Israelis. There were places where we had already settled Israelis, like Zakariyya and others. But most of them were still abandoned villages.”

Lev Tov: “That were standing?”

Tamir: “Standing. It was necessary for there to be no place for them to return to, so I mobilized all the engineering battalions of Central Command, and within 48 hours I knocked all those villages to the ground. Period. There’s no place to return to.”

Lev Tov: “Without hesitation, I imagine.”

Tamir: “Without hesitation. That was the policy. I mobilized, I carried it out and I did it.”

Crates in vaults

The vault of the Yad Yaari Research and Documentation Center is one floor below ground level. In the vault, which is actually a small, well-secured room, are stacks of crates containing classified documents. The archive houses the materials of the Hashomer Hatzair movement, the Kibbutz Ha’artzi kibbutz movement, Mapam, Meretz and other bodies, such as Peace Now.

The archive’s director is Dudu Amitai, who is also chairman of the Association of Israel Archivists. According to Amitai, Malmab personnel visited the archive regularly between 2009 and 2011. Staff of the archive relate that security department teams – two Defense Ministry retirees with no archival training – would show up two or three times a week. They searched for documents according to such keywords as “nuclear,” “security” and “censorship,” and also devoted considerable time to the War of Independence and the fate of the pre-1948 Arab villages.

“In the end, they submitted a summary to us, saying that they had located a few dozen sensitive documents,” Amitai says. “We don’t usually take apart files, so dozens of files, in their entirety, found their way into our vault and were removed from the public catalog.” A file might contain more than 100 documents.

One of the files that was sealed deals with the military government that controlled the lives of Israel’s Arab citizens from 1948 until 1966. For years, the documents were stored in the same vault, inaccessible to scholars. Recently, in the wake of a request by Prof. Gadi Algazi, a historian from Tel Aviv University, Amitai examined the file himself and ruled that there was no reason not to unseal it, Malmab’s opinion notwithstanding.

According to Algazi, there could be several reasons for Malmab’s decision to keep the file classified. One of them has to do with a secret annex it contains to a report by a committee that examined the operation of the military government. The report deals almost entirely with land-ownership battles between the state and Arab citizens, and barely touches on security matters.

Another possibility is a 1958 report by the ministerial committee that oversaw the military government. In one of the report’s secret appendixes, Col. Mishael Shaham, a senior officer in the military government, explains that one reason for not dismantling the martial law apparatus is the need to restrict Arab citizens’ access to the labor market and to prevent the reestablishment of destroyed villages.

A third possible explanation for hiding the file concerns previously unpublished historical testimony about the expulsion of Bedouin. On the eve of Israel’s establishment, nearly 100,000 Bedouin lived in the Negev. Three years later, their number was down to 13,000. In the years during and after the independence war, a number of expulsion operations were carried out in the country’s south. In one case, United Nations observers reported that Israel had expelled 400 Bedouin from the Azazma tribe and cited testimonies of tents being burned. The letter that appears in the classified file describes a similar expulsion carried out as late as 1956, as related by geologist Avraham Parnes:

“A month ago we toured Ramon [crater]. The Bedouin in the Mohila area came to us with their flocks and their families and asked us to break bread with them. I replied that we had a great deal of work to do and didn’t have time. In our visit this week, we headed toward Mohila again. Instead of the Bedouin and their flocks, there was deathly silence. Scores of camel carcasses were scattered in the area. We learned that three days earlier the IDF had ‘screwed’ the Bedouin, and their flocks were destroyed – the camels by shooting, the sheep with grenades. One of the Bedouin, who started to complain, was killed, the rest fled.”

The testimony continued, “Two weeks earlier, they’d been ordered to stay where they were for the time being, afterward they were ordered to leave, and to speed things up 500 head were slaughtered…. The expulsion was executed ‘efficiently.’” The letter goes on to quote what one of the soldiers said to Parnes, according to his testimony: “They won’t go unless we’ve screwed their flocks. A young girl of about 16 approached us. She had a beaded necklace of brass snakes. We tore the necklace and each of us took a bead for a souvenir.”

The letter was originally sent to MK Yaakov Uri, from Mapai (forerunner of Labor), who passed it on to Development Minister Mordechai Bentov (Mapam). “His letter shocked me,” Uri wrote Bentov. The latter circulated the letter among all the cabinet ministers, writing, “It is my opinion that the government cannot simply ignore the facts related in the letter.” Bentov added that, in light of the appalling contents of the letter, he asked security experts to check its credibility. They had confirmed that the contents “do in fact generally conform to the truth.”

Nuclear excuse

It was during the tenure of historian Tuvia Friling as Israel’s chief archivist, from 2001 to 2004, that Malmab carried out its first archival incursions. What began as an operation to prevent the leakage of nuclear secrets, he says, became, in time, a large-scale censorship project.

“I resigned after three years, and that was one of the reasons,” Prof. Friling says. “The classification placed on the document about the Arabs’ emigration in 1948 is precisely an example of what I was apprehensive about. The storage and archival system is not an arm of the state’s public relations. If there’s something you don’t like – well, that’s life. A healthy society also learns from its mistakes.”

Why did Friling allow the Defense Ministry to have access the archives? The reason, he says, was the intention to give the public access to archival material via the internet. In discussions about the implications of digitizing the material, concern was expressed that references in the documents to a “certain topic” would be made public by mistake. The topic, of course, is Israel’s nuclear project. Friling insists that the only authorization Malmab received was to search for documents on that subject.

But Malmab’s activity is only one example of a broader problem, Friling notes: “In 1998, the confidentiality of the [oldest documents in the] Shin Bet and Mossad archives expired. For years those two institutions disdained the chief archivist. When I took over, they requested that the confidentiality of all the material be extended [from 50] to 70 years, which is ridiculous – most of the material can be opened.”

In 2010, the confidentiality period was extended to 70 years; last February it was extended again, to 90 years, despite the opposition of the Supreme Council of Archives. “The state may impose confidentiality on some of its documentation,” Friling says. “The question is whether the issue of security doesn’t act as a kind of cover. In many cases, it’s already become a joke.”

In the view of Yad Yaari’s Dudu Amitai, the confidentiality imposed by the Defense Ministry must be challenged. In his period at the helm, he says, one of the documents placed in the vault was an order issued by an IDF general, during a truce in the War of Independence, for his troops to refrain from rape and looting. Amitai now intends to go over the documents that were deposited in the vault, especially 1948 documents, and open whatever is possible. “We’ll do it cautiously and responsibly, but recognizing that the State of Israel has to learn how to cope with the less pleasant aspects of its history.”

In contrast to Yad Yaari, where ministry personnel no longer visit, they are continuing to peruse documents at Yad Tabenkin, the research and documentation center of the United Kibbutz Movement. The director, Aharon Azati, reached an agreement with the Malmab teams under which documents will be transferred to the vault only if he is convinced that this is justified. But in Yad Tabenkin, too, Malmab has broadened its searches beyond the realm of nuclear project to encompass interviews conducted by archival staff with former members of the Palmach, and has even perused material about the history of the settlements in the occupied territories.

Malmab has, for example, shown interest in the Hebrew-language book “A Decade of Discretion: Settlement Policy in the Territories 1967-1977,” published by Yad Tabenkin in 1992, and written by Yehiel Admoni, director of the Jewish Agency’s Settlement Department during the decade he writes about. The book mentions a plan to settle Palestinian refugees in the Jordan Valley and to the uprooting of 1,540 Bedouin families from the Rafah area of the Gaza Strip in 1972, including an operation that included the sealing of wells by the IDF. Ironically, in the case of the Bedouin, Admoni quotes former Justice Minister Yaakov Shimshon Shapira as saying, “It is not necessary to stretch the security rationale too far. The whole Bedouin episode is not a glorious chapter of the State of Israel.”

According to Azati, “We are moving increasingly to a tightening of the ranks. Although this is an era of openness and transparency, there are apparently forces that are pulling in the opposite direction.”

Unauthorized secrecy

About a year ago, the legal adviser to the State Archives, attorney Naomi Aldouby, wrote an opinion titled “Files Closed Without Authorization in Public Archives.” According to her, the accessibility policy of public archives is the exclusive purview of the director of each institution.

Despite Aldouby’s opinion, however, in the vast majority of cases, archivists who encountered unreasonable decisions by Malmab did not raise objections – that is, until 2014, when Defense Ministry personnel arrived at the archive of the Harry S. Truman Research Institute at the Hebrew University of Jerusalem. To the visitors’ surprise, their request to examine the archive – which contains collections of former minister and diplomat Abba Eban and Maj. Gen. (res.) Shlomo Gazit – was turned down by its then director, Menahem Blondheim.

According to Blondheim, “I told them that the documents in question were decades old, and that I could not imagine that there was any security problem that would warrant restricting their access to researchers. In response, they said, ‘And let’s say there is testimony here that wells were poisoned in the War of Independence?’ I replied, ‘Fine, those people should be brought to trial.’”

Blondheim’s refusal led to a meeting with a more senior ministry official, only this time the attitude he encountered was different and explicit threats were made. Finally the two sides reached an accommodation.

Benny Morris is not surprised at Malmab’s activity. “I knew about it,” he says “Not officially, no one informed me, but I encountered it when I discovered that documents I had seen in the past are now sealed. There were documents from the IDF Archive that I used for an article about Deir Yassin, and which are now sealed. When I came to the archive, I was no longer allowed to see the original, so I pointed out in a footnote [in the article] that the State Archive had denied access to documents that I had published 15 years earlier.”

The Malmab case is only one example of the battle being waged for access to archives in Israel. According to the executive director of the Akevot Institute, Lior Yavne, “The IDF Archive, which is the largest archive in Israel, is sealed almost hermetically. About 1 percent of the material is open. The Shin Bet archive, which contains materials of immense importance [to scholars], is totally closed apart from a handful of documents.”

A report written by Yaacov Lozowick, the previous chief archivist at the State Archives, upon his retirement, refers to the defense establishment’s grip on the country’s archival materials. In it, he writes, “A democracy must not conceal information because it is liable to embarrass the state. In practice, the security establishment in Israel, and to a certain extent that of foreign relations as well, are interfering with the [public] discussion.”

Advocates of concealment put forward several arguments, Lozowick notes: “The uncovering of the facts could provide our enemies with a battering ram against us and weaken the determination of our friends; it’s liable to stir up the Arab population; it could enfeeble the state’s arguments in courts of law; and what is revealed could be interpreted as Israeli war crimes.” However, he says, “All these arguments must be rejected. This is an attempt to hide part of the historical truth in order to construct a more convenient version.”

What Malmab says

Yehiel Horev was the keeper of the security establishment’s secrets for more than two decades. He headed the Defense Ministry’s security department from 1986 until 2007 and naturally kept out of the limelight. To his credit, he now agreed to talk forthrightly to Haaretz about the archives project.

“I don’t remember when it began,” Horev says, “but I do know that I started it. If I’m not mistaken, it started when people wanted to publish documents from the archives. We had to set up teams to examine all outgoing material.”

From conversations with archive directors, it’s clear that a good deal of the documents on which confidentiality was imposed relate to the War of Independence. Is concealing the events of 1948 part of the purpose of Malmab?

“What does ‘part of the purpose’ mean? The subject is examined based on an approach of whether it could harm Israel’s foreign relations and the defense establishment. Those are the criteria. I think it’s still relevant. There has not been peace since 1948. I may be wrong, but to the best of my knowledge the Arab-Israeli conflict has not been resolved. So yes, it could be that problematic subjects remain.”

Asked in what way such documents might be problematic, Horev speaks of the possibility of agitation among the country’s Arab citizens. From his point of view, every document must be perused and every case decided on its merits.

If the events of 1948 weren’t known, we could argue about whether this approach is the right one. That is not the case. Many testimonies and studies have appeared about the history of the refugee problem. What’s the point of hiding things?

“The question is whether it can do harm or not. It’s a very sensitive matter. Not everything has been published about the refugee issue, and there are all kinds of narratives. Some say there was no flight at all, only expulsion. Others say there was flight. It’s not black-and-white. There’s a difference between flight and those who say they were forcibly expelled. It’s a different picture. I can’t say now if it merits total confidentiality, but it’s a subject that definitely has to be discussed before a decision is made about what to publish.”

For years, the Defense Ministry has imposed confidentiality on a detailed document that describes the reasons for the departure of those who became refugees. Benny Morris has already written about the document, so what’s the logic of keeping it hidden?

“I don’t remember the document you’re referring to, but if he quoted from it and the document itself is not there [i.e., where Morris says it is], then his facts aren’t strong. If he says, ‘Yes, I have the document,’ I can’t argue with that. But if he says that it’s written there, that could be right and it could be wrong. If the document were already outside and were sealed in the archive, I would say that that’s folly. But if someone quoted from it – there’s a difference of day and night in terms of the validity of the evidence he cited.”

In this case, we’re talking about the most quoted scholar when it comes to the Palestinian refugees.

“The fact that you say ‘scholar’ makes no impression on me. I know people in academia who spout nonsense about subjects that I know from A to Z. When the state imposes confidentiality, the published work is weakened, because he doesn’t have the document.”

But isn’t concealing documents based on footnotes in books an attempt to lock the barn door after the horses have bolted?

“I gave you an example that this needn’t be the case. If someone writes that the horse is black, if the horse isn’t outside the barn, you can’t prove that it’s really black.”

There are legal opinions stating that Malmab’s activity in the archives is illegal and unauthorized.

“If I know that an archive contains classified material, I am empowered to tell the police to go there and confiscate the material. I can also utilize the courts. I don’t need the archivist’s authorization. If there is classified material, I have the authority to act. Look, there’s policy. Documents aren’t sealed for no reason. And despite it all, I won’t say to you that everything that’s sealed is 100 percent justified [in being sealed].”

The Defense Ministry refused to respond to specific questions regarding the findings of this investigative report and made do with the following response: “The director of security of the defense establishment operates by virtue of his responsibility to protect the state’s secrets and its security assets. The Malmab does not provide details about its mode of activity or its missions.”

Hagar Shezaf
Lee Rotbart assisted in providing visual research for this article.

সহস্রাধিক দাগ

শতক পূর্ণ করে দাগ বন্ধ করে দিলে ভাল হত না মনে হচ্ছে আজ যখন সহস্রাধিক দাগ দেখা যাচ্ছে এবং কে বলতে পারে যদি সেদিনও সমাগত হয় যখন দশ সহস্রাধিক দাগ সম্পন্নের খবর দিয়ে আমাকে দাগ-এর এই অর্জনের কথা এই প্রাত্যহিক পাঠ-এ জানাতে পোস্ট তৈরি করতে হবে না।

দাগ কী? এখনো বলা যাচ্ছে না। তবে দাগ দৃশ্যত সেই সংকট যার কোনো শুরুও নেই শেষও নেই। দাগ সেই তালগোল যা তালও নয় গোলও নয় মস্কো তো ঢাকায় এথেন্স তো কারাকাসে খোলা ছাতা বা পাখাঝাপটানো প্রজাপতির অবস্থানের মতো বিশৃঙ্খল অতল।

আর টুইটারে #দাগ [at]urumurum লিখে সার্চ দিলে কমবেশি ১০০ দাগ পড়া যাবে।

The greatest Kannadiga

Girish Karnad, the greatest Kannadiga of his age

His courage in standing up to fundamentalists has led some to celebrate Karnad as an exemplary ‘activist’ and ‘public intellectual’. This, to my mind, is a mischaracterisation. We should remember him rather as a great playwright and superb actor, and as a profoundly civilised human being.

Girish Karnad, who died in his sleep in his Bengaluru home last week, was a colossus. Karnad had four careers, and he excelled in each. He was arguably the most influential playwright produced by India since Independence, whose oeuvre was astonishingly wide in its thematic and temporal range. He wrote at least half a dozen great plays; these included the political parable, Tughlak, the social reformist, Taledanda, and the darkly comic satire, Odakalu Bimba. (All were written originally in Kannada, all performed in most of the languages of the Eighth Schedule). He was an outstanding actor — as witness his work in the early films in Hindi of Shyam Benegal, and also in Pattabhirama Reddy’s Kannada classic, Samskara. He was an accomplished director, making films of major novels by KV Puttappa and SL Bhyrappa. And he was an able administrator, of the Film and Television Institute of India in Pune (where he mentored, among others, Naseeruddin Shah, Om Puri, and Tom Alter), of the Sangeet Natak Akademi in New Delhi, and of the Nehru Centre in London.

I was once travelling from Bengaluru to Mumbai. Karnad was in the same flight, a few rows ahead of me. He had a pen poised over a sheaf of papers as I passed him. When I asked what he was doing, he said he was correcting the proofs of the Marathi translation of his new play. My admiration for Karnad, already very high, rocketed further skywards. A man whose mother tongue was Konkani and who wrote in Kannada and spoke flawless English was apparently entirely comfortable in Marathi too.

But it was not just his mastery of many languages that set Karnad apart from other writers and artists. No one I knew so nobly carried the richness and depth of Indian civilisation in his body, and in his soul — and so utterly unselfconsciously too. In his life and work, he seamlessly blended North and South, the folk and the classical, the demotic and the scholarly. He was equally at ease speaking of the music of Kesarbai Kerkar and of Mohammad Rafi, of the dance of Balasaraswati and of Farah Khan, of the moral philosophy of Basava and of BR Ambedkar. And he could talk with insight about Shakespeare and Philip Larkin as well.

After Gauri Lankesh was murdered in September 2017, it was rumoured that Girish Karnad was the next writer on the terrorist hitlist. So I called Girish one morning and asked if I could see him the same afternoon. He lived an hour’s drive away, and given his commitments, I would normally have mailed several days in advance to set up a meeting.

Girish welcomed my impulsive call, and asked me to come over. I drove across the desolate city to the Karnads’ house in JP Nagar. Outside, a man in uniform posted to ostensibly guard the writer was sitting on a chair, asleep. As my car screeched to a halt he woke up, and escorted me inside.

I came intending to talk for perhaps half an hour, but stayed for four hours. We spoke of Gauri Lankesh, of course, but also of other matters — including the trajectory of our own lives. I got Girish to talk of his early days in Dharwad, and he got me to talk of my boyhood in Dehradun. We had both moved from a small town to a great metropolis; he to Mumbai, me to Delhi, before both finding ourselves in Bengaluru, a town when we first knew it and a city when we came to live in it. We spoke of our siblings — he had a musician brother, I a doctor sister — and of other things that normally did not figure in our otherwise literary and intellectual conversations.

When, night having fallen, I got up to leave, Girish walked me outside to my car. The security guard was nowhere to be seen. Girish thanked me for the spontaneous visit which, he said, both his doctor wife, Saras, and he had welcomed. I answered: “I suppose it takes the murder of a fellow writer for two writers who live in the same city to seek out one another.”

At this stage Karnad himself was quite ill, with a degenerative respiratory disease. The next January he visited Dharwad, on what he knew would be his final visit to the town where he had been raised, studied, and written his first plays. He said I must come with him. I did. I thus had the rare, but also ineffably sad, privilege of being with Girish Karnad on his last trip to his home town, accompanying him up the stairs of the Laxmi Building for his last peep into the offices of his long-time publishers, Manohara Grantha Mala, in Subhas Road, Dharwad.

Karnad had a highly developed social conscience, and a deep love for his country. Yet he never paraded his patriotism. His dignity and his rectitude would not allow it. He had left instructions that, when he died, there would be no state funeral. He knew that sundry politicians would want to come and hover around his body, taking pictures, seeking to cleanse their sins by illegitimate association with someone who was not just the greatest Kannada writer, but the greatest Kannadiga, of his age.

His courage in standing up to fundamentalists has led some to celebrate Karnad as an exemplary “activist” and “public intellectual”. This, to my mind, is a mischaracterisation. India has a hundred (and more) writers and intellectuals who speak out and stand up in public. But there was only one Girish Karnad. We should remember him rather as a great playwright and superb actor, and as a profoundly civilised human being, who had forgotten more about Indian culture than the present-day defenders of Bharatiya Sanskriti ever knew.

অভিনেতা, নাট্যকার, চিত্রপরিচালক গিরিশ কারনাড রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ‘মেডিওকর’ নাট্যকার এবং রবীন্দ্রনাথের নাটককে ‘সেকেন্ড রেইট’ বলেছেন। হ্যাঁ, রবীন্দ্রনাথের লেখা নাটকগুলোর মধ্যে ‘সেকেন্ড রেইট’ নাটক আছে — কিন্তু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘রক্তকবরী’র মতো অনন্যসাধারণ আধুনিক নাটকও লিখেছেন। এবং তার সমগ্র নাট্যসৃষ্টির মধ্যে যদিও হাতে গোনা কয়েকটিই অনন্য নাটক আছে, কিন্তু যেহেতু কিছু মহান নাটক তিনি সৃষ্টি করেছেন, তাহলে তাকে কি আর ‘মেডিওকর’ নাট্যকার বলা যায়? অবশ্য রবীন্দ্রনাথের নাটক নিয়ে শুধু যে কারনাড এবারই প্রথম এমন কথা বলেছেন তা নয় — কারনাড আগেও এমন কথা বলেছেন এবং শুধু কারনাডের মতো কন্নড় ও ইংরেজি ভাষার নাট্যকার নয় বাংলা ভাষার অনেক নাট্যকারও রবীন্দ্রনাথের নাটক নিয়ে এমন মনোভাব পোষণ করেন। অবশ্য এতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর নাটক ‘রক্তকবরী’, ‘মুক্তধারা’ বা ‘ডাকঘর’রের কিছুই আসবে যাবে না।