Skip to content

দুইহাজারআঠারো সালের নির্বাচনী রাজনীতিতে আওয়ামি লিগকে যেটা আমি মনে করিয়ে দিতে চাই

January 28, 2018

আমার মনে হয় না বিএনপির আর কোনো আশা আছে। বিএনপির মহাসচিব থেকে শুরু করে বিএনপির সব শীর্ষ নেতা যতই বলে বেড়ান না কেন তারা নিজেরাও জানেন তারা ফাঁকা আওয়াজ তোলা ছাড়া আর সব রাজনীতি ভুলে গেছেন তাই যত দিন ফাঁকা আওয়াজ তুলে মিঠিয়া পাড়া, আমবেচাধর পাড়া ও সুশীলং পাড়ায় শোরগোল জারি রাখা যায় তত দিন তারা এসব বলে যাবেন আর তলে তলে তাদের লন্ডনি ওস্তাদের সন্ত্রাসের তরিকা নিয়ে মাঠে নামার জন্য প্রস্তুতি চলতে থাকবে। পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপির অনুপস্থিত থাকাটাই আমার কাছে এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত মনে হচ্ছে এবং আমাদের জাতীয় জীবনে আবারো দুইহাজারতেরোচৌদ্দপনেরো ধরনের বিএনপি পরিকল্পিত ও নিয়ন্ত্রিত গণসন্ত্রাসের আশঙ্কা করাটাই আমার কাছে খুব সম্ভব মনে হচ্ছে।

এখন বর্তমান সরকারের প্রস্তুতি এই পথেই রাখতে হবে সবচেয়ে বেশি তাকে সব দিক থেকে যতটুকু সম্ভব এই গণসন্ত্রাস ঠেকানোর আগাম সতর্ক অবস্থান নিয়ে প্রতিরোধ কৌশল ভেবে রাখতে হবে পাশাপাশি বিএনপি নির্বাচনে আসলে তাকে নির্বাচনে হারানোর প্রস্তুতিও সম্পূর্ণভাবে নিয়ে রাখতে হবে।

দুইহাজারআঠারো সালের নির্বাচনী রাজনীতিতে আওয়ামি লিগকে যেটা আমি মনে করিয়ে দিতে চাই তা হল খালেদা জিয়া কিন্তু এবার আর নিজের জন্য যুদ্ধাপরাধীদের জন্য নির্বাচন মিশনে থাকবেন না এবার যদি বিএনপি নির্বাচনে আসে তিনি নির্বাচন মিশনে প্রক্সি দিতে নামবেন তার ছেলে তারেক জিয়ার হাতে বাংলাদেশ তুলে দেয়ার জন্য কারণ তারেক জিয়ার হাতে বাংলাদেশ তুলে দিতে পারলেই সেবাংলাদেশ আবার খুব সহজেই তার ও যুদ্ধাপরাধীগোষ্ঠীর হয়ে যাবে।

কাজেই সবাই সাবধান বিএনপির ফখরুলরা আশি আশি করবেই কিন্তু তারা যেন আর তলে তলে পরিকল্পনা করে গণসন্ত্রাস করতে না পারে তারা যেন নির্বাচনে এসে আর বাংলাদেশের ক্ষমতায় এসে না পড়ে সেদিকে সংশিষ্ট সবারই সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

কমিউনিটি ব্লগে : আশি আশি বলে বিএনপি আর আসবে না

2 Comments
  1. সব পরিস্থিতির জন্যই প্রস্তুত: ওবায়দুল কাদের

    https://bangla.bdnews24.com/politics/article1533824.bdnews

    ভোটের লড়াইয়ে কিংবা আন্দোলনের মাঠে, দুই ক্ষেত্রেই বিএনপিকে মোকাবেলার প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    বিএনপি নির্বাচনে এলে কী কৌশল হবে, আর না এলে কী কৌশল হবে, তাও ঠিক করে রাখলেও দলটিকে ভোটে আনতে আওয়ামী লীগের কোনো ভূমিকা থাকবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

    নির্বাচন ঘনিয়ে আসার মধ্যে নানা আশঙ্কা-অনিশ্চয়তার মধ্যে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দলের ভাবনার কথা খোলামেলাভাবে তুলে ধরেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

    নির্বাচনকালীন সরকার এবং ভোটের আগে জোটের বিষয়গুলো নিয়েও কথা বলেছেন তিনি।

    বিএনপির বর্জনের মধ্যে দশম সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশাবাদী টানা তৃতীয় মেয়াদেও তারা ক্ষমতায় থাকবেন।

    তরুণ ভোটার ও নারীদের সমর্থনের উপর ভর করেই সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের আশা করছেন ওবায়দুল কাদের।

    দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করে তা প্রতিহতের ঘোষণা দিয়েও সফল হয়নি বিএনপি। ফলে আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের আগে তাদের আন্দোলনের হুমকিতেও গা করছে না আওয়ামী লীগ।

    ২০১৪ সালে নির্বাচনের আগে বিএনপি-জামায়াত জোটে যেমন সহিংস আন্দোলন করেছিল, এবারও তেমন ঘটনার পুনরাবৃত্তির শঙ্কা করছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

    তবে দলের প্রস্তুতির কথাও সেই সঙ্গে জানিয়ে তিনি বলেন, “সেই প্রস্তুতি তারা নিচ্ছে, আমরা জানি। আমাদের প্রস্তুতি আছে। আমরা সতর্ক আছি।

    “তারা কী প্রস্তুতি নিচ্ছে, কী তাদের প্ল্যান। এ ব্যপারে আমরা ওয়াকিবহাল, কাজেই সময় আসুক যদি চৌদ্দ (২০১৪) সালের মতো কিছু করতে চায়, দাঁতভাঙ্গা জবাব দেব। আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আছি।”

    বিএনপির আন্দোলনের ‘সামর্থ্যহীনতা’ কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদককে।

    তিনি বলেন, “জনগণ নয় বছরে সাড়া দেয়নি একবারও। তারা কোনো আন্দোলন করতে পারেনি। তারা আন্দোলনে ব্যর্থ।

    “তাদের নেতারাই আন্দোলনের ডাক দিয়ে ঘরে বসে হিন্দি সিরয়াল দেখে। আমাদের নেতারা নির্যাতনের মাঝেও রাস্তা ছাড়েনি। তাদের তো সৎ সাহস নেই।”

    আবার বিএনপি নির্বাচনে আসবে ধরে নিয়ে জয়ী হতে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদেরই নৌকার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হবে বলে জানান কাদের।

    তিনি বলেন, “জোটসঙ্গীদের ও বলে দিয়েছি, বিএনপি ইলেকশন করবে না, এটা আমরা মনে করছি না। বিএনপি একবারে হেলাফেলা করার মতো দলও তারা না।

    “জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতাকে প্রধান্য দিয়ে আমরা মনোনয়ন দেব। আমলনামা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আছে, সব জরিপ দেখেই আমরা বিবেচনা করব, কাকে মনোনয়ন দেওয়া যায়।”

    বিএনপির ভোটে আসা না আসার উপর যে ভোটের আগে জোটের হিসাব যে বদলে যাবে, তা ১৪ দলীয় জোটের প্রধান দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের কথায় স্পষ্ট।

    “যারা আছেন তারা বলেছেন এই জোটেই থাকছেন। জাতীয় পার্টির ক্ষেত্রে বিএনপি ইলেকশনে না আসলে জোট থেকে বেরিয়ে তারা ৩০০ আসনে প্রার্থী দিবেন। আর বিএনপি ইলেকশনে আসলে জোটেই থাকছেন। এটা তো তারা প্রকাশ্যেই বলেছে।

    “আর জোটের সমীকরণ- এই বিষয়গুলো নির্বাচনী রাজনীতিতে খুবই ডিফিকাল্ট বিষয়। যেটা সময়ে সময়ে পরিবর্তন হতে পারে, নতুন নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে।”

    বিএনপি বাদেও ‘চলবে’

    গতবার বিএনপি বর্জনের পর নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে দেশে-বিদেশে প্রশ্ন উঠেছিল; তারপরও এবারও বিএনপিকে বাদ দিয়ে নির্বাচনের দিকে যেতে কোনো সমস্যা দেখছেন না আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

    তিনি বলেন, “নির্বাচন কেউ না করলে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অভাব পড়বে না। বিএনপিকে তো আমরা না করিনি । নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। সে অধিকার তারা নেবেন, নাকি গত নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি তারা ঘটাবেন, এটা তাদের ব্যাপার। নির্বাচনে না আসলে ট্রেন থেমে থাকবে না।”

    বিএনপিকে ভোটে আনতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ভূমিকা রাখবেন না জানিয়ে কাদের বলেন, “বিএনপিকে নির্বাচনে আনার জন্য আমাদের কোনো দায়-দায়িত্ব নেই।”

    বিএনপি নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার চাইছে, যা নাকচ করে আসছে আওয়ামী লীগ। এখন খালেদা জিয়ার মুক্তির শর্তও যোগ করেছে তারা।

    কাদের বলেন, “খালেদা জিয়া কারাগারে থাকবেন কি থাকবেন না, এটা আদালতের ব্যাপার। এখানে সরকারের কোনো কিছু করার নেই।”

    বিএনপির সংলাপের আহ্বানের বিষয়ে তিনি বলেন, “এখন সময়ও নেই, সুযোগও নেই, আবার কোনো প্রয়োজনও নেই আলোচনার।”

    সরকার বিএনপিকে নির্বাচনে চাইছে না- এমন অভিযোগের পাল্টায় কাদের বলেন, “তথ্য প্রমাণ দিয়ে বলুন, বিএনপিকে নির্বাচনে আশার ব্যাপারে কোনো প্রকার বাধা সরকার বা সরকারি দল কি দিচ্ছে? মির্জা ফখরুল ইসলাম বলুন, সরকার কীভাবে বাধা দিচ্ছে?

    “সরকার যদি বাধা দিত, যেই ভাষায় নয়া পল্টন অফিসে বসে, নোংরা ভাষায়, অশ্রাব্য ভাষায় দেশের প্রধানমন্ত্রীকে গালিগালাজ করা হয়, এরপরও কি কারও মুখ বন্ধ হয়েছে? কারও কণ্ঠ রোধ করা হয়েছে?”

    “ফ্রিস্টাইলে মিথ্যাচার করছে, যখন তখন কূটনীতিকদের সাথে দেশের বিরুদ্ধে কথা বলছে। কারও মুখ তো বন্ধ হয়নি।”

    নির্বাচনকালীন সরকারেও বিএনপির ‘সুযোগ নেই’

    সংসদে প্রতিনিধিত্ব না থাকায় গতবারের মতো এবার নির্বাচনকালীন সরকার হলেও তাতে বিএনপি স্থান পাচ্ছে না বলে জানালেন ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে কয়েক দিনের জন্য, টেকনোক্রেট কাউকে নেবে এমন আমার কাছে মনে হয় না। পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব নেই, তাদের (বিএনপি) থাকার কোনো সুযোগ নেই।”

    গতবার নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেওয়ারও প্রস্তাব রেখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু তারা তাতে সাড়া দেয়নি।

    এবারও গতবারের মতো সংসদে প্রতিনিধিত্বশীল দলগুলোকে নিয়ে নির্বাচনকালীন ছোট সরকার গড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, “গতবছর তাদের প্রতিনিধিত্ব ছিল। এবার তো তারা পার্লামেন্টে প্রেজেন্ট নেই। পার্লামেন্টে প্রেজেন্টেশন থাকতে হবে।”

    ভোটের তফসিল অক্টোবরে হলে তখন থেকেই নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব পালন করবে বলে জানান তিনি।

    নির্বাচন কমিশনই নির্বাচন সংক্রান্ত সব দায়িত্ব পালন করবে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকার শুধু ‘রুটিন ওয়ার্ক করবে’।

    নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে বিএনপির দাবির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে ন্যাস্ত হবে না। কাজেই সেনাবাহিনী নিয়োগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন যদি সরকারকে অনুরোধ করতে পারে। সেক্ষেত্রে সরকার যেভাবে নিয়োগ করার প্রয়োজন মনে করবে, সেভাবে নিয়োগ করবে, অথবা করবে না।

    “তবে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনাবাহিনী আগে যেভাবে হয়েছে, সেভাবে সেনাবাহিনী নিয়োগ করা হবে, স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে।”

    তরুণ ও নারীরাই হবে ‘জয়ের হাতিয়ার’

    কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় সরকারের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা হলেও ওবায়দুল কাদের আশাবাদী, তরুণ এবং নারী ভোটারদের উপর ভর করেই আবার ভাসবে নৌকা।

    তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচনে ফার্স্ট টাইম ভোটার ও নারীরাই হবে আওয়ামী লীগের বিজয়ের প্রধান হাতিয়ার।”

    নিরাপদ সড়কের আন্দোলনকে ঘিরে গুজব ছড়িয়ে সরকারের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র হয়েছিল, তা এখন দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট বলে মনে করেন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    “তরুণদের আন্দোলন যৌক্তিক আন্দোলন। এই সামাজিক আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার যে নোংরা খেলা সেটা পরিষ্কার হয়েছে। এটা করার পরও অভিভাবকসুলভ ব্যক্তিত্ব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আহ্বান করার পর ছাত্র-ছাত্রীরা ঘরে ফিরে গেছে। তরুণ সমাজ শুধু প্রধানমন্ত্রীর কথাই শুনেছে।”

    “আমি মনে করি না, কোনো ইফেক্ট পড়বে। কারণ তাদের সব দাবি আমরা মেনে নিয়েছি। শুধু মেনেই নিইনি, ইমপ্লিমেন্টেশন প্রসেস শুরু হয়ে গেছে।”

    মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিগুলোর সমর্থন চেয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, যে কেউ আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসতে চাইলে তা বিবেচনা করা হবে।

    সম্প্রতি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমাদের ১৪ দলের বাইরে কিছু দল আছে যার মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের, যেমন কমিউনিস্ট পার্টি। তারা আমাকে বলেছে, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী কোনো শক্তির সঙ্গে তারা থাকবে না, সাম্প্রদায়িক কোনো জোটের সঙ্গে থাকবে না।

    “কাদের সিদ্দিকী সাহেব মুক্তিযোদ্ধা, তিনিও এখানে এসেছিলেন, মেজর মান্নান সাহেবও (বিকল্পধারার মহাসচিব) এসেছিলেন। তাদের সঙ্গেও আমার আলাপ হয়েছে, কর্নেল অলির সঙ্গেও আমার ফোনালাপ হয়েছে।

    “তারা সরকারের সঙ্গে বসতে চেয়েছেন। তারা যে কোনো সময় আলাপ-আলোচনায় বসতে পারে। এই আলোচনা না হওয়া পর্যন্ত আমি ফাইনাল কিছু বলতে পারছি না।”

    বি চৌধুরী, আ স ম রব, মাহমুদুর রহমান মান্না নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টকেও কোনো চ্যালেঞ্জ মনে করছেন না আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

    “চ্যালেঞ্জ ছুড়ুক, আমরা কনফিডেন্ট, আমাদের সাপোর্ট নিয়ে আমরা কনফিডেন্ট,” বলেন তিনি।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: