Skip to content

রোহিঙ্গাদের গন্তব্য চট্টগ্রাম

September 9, 2017

শুনতে করুণ লাগতে পারে আত্মঘাতী মনে হতে পারে কিন্তু এটা মেনে নিতেই হবে দুসপ্তাহের মধ্যে যদি বার্মার রাখাইন প্রদেশের তিন ভাগের এক ভাগ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে চলে আসতে পারে তাহলে দেড় মাসের মধ্যেই সব রোহিঙ্গা বাংলাদেশেই বসবাস শুরু করে দিতে পারে এবং এই পুরো চাপটি চট্টগ্রাম অঞ্চলকেই বহন করতে হবে এবং এটাও স্বীকার করে নিতে হবে রাখাইনবাসী রোহিঙ্গাদের গন্তব্য এখন চট্টগ্রাম।

২০১২ সালে এবং ২০১৬ সালে বাংলাদেশ চেষ্টা করেছে রোহিঙ্গারা যেন বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সেইসাথে রাখাইনে রোহিঙ্গাদেরও আশা ছিল তারা বার্মার ওই প্রদেশে তাদের সাময়িক নিবন্ধন সনদ নাগরিক সনদে রূপ না নিলেও অন্তত স্থায়ী নিবন্ধন সনদে উন্নীত হবে এবং তারা রাষ্ট্রহীন জনগোষ্ঠী থেকে রাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত জনগোষ্ঠীতে রূপান্তরের প্রাথমিক ধাপ অতিক্রম করবে।

রোহিঙ্গাদের এটাও আশা ছিল ২০১২ ও ২০১৬ সালের এআরএসএ-এর বিচ্ছিন্নতাবাদী আগ্রাসন ও তা দমনে বার্মার সিভিল ও সামরিক প্রশাসনের ঢালাও গ্রামের পর গ্রামে অবরোধ অগ্নিসংযোগ ধর্ষণ নির্যাতন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক উজ্জীবনের মধ্য দিয়ে কমে আসবে।

কিন্তু বার্মার রাখাইন প্রদেশে এবং বার্মার কেন্দ্রীয় সরকারে কোনো কিছুই সাধারণ রোহিঙ্গাদের প্রত্যাশার অনুকূলে চলেনি। প্রাদেশিক সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার রাষ্ট্রহীন রোহিঙ্গাদের বিষয়ে উদাসীনতার মাত্রা বাড়িয়ে সামরিক নজদারির মাত্রা চড়িয়ে রাষ্ট্রহীন জনগোষ্ঠীকে রাষ্ট্রচ্যূত জনগোষ্ঠীর দিকে ঠেলে দিতে কঠোর থেকে কঠোরতর হতে লাগল এবং রাখাইন প্রদেশের সংখ্যাগুরু বৌদ্ধদের সাথে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ধর্মগত ও জনজাতিগত ব্যবধানের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রাখাইন প্রদেশকে মা বা থা চরমপন্থা ও এআরএসএ-এর সশস্ত্র চরমপন্থার নৈরাজ্যের মধ্যে ঠেঁসে ধরল।

গত কয়েক বছরের আন্তর্জাতিক ইসলামি সন্ত্রাসবাদের বিকট বিস্তারের প্রেক্ষাপটে এআরএসএ হয়ে উঠল এমন সংগঠন যারা রোহিঙ্গা মুসলমানদের উদ্ধারের কথা বলে বেড়ে উঠলেও সন্ত্রাসবাদের সাধারণ নিয়মে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে থাকা মুসলিমদেরও শেষ করে দিতে বদ্ধপরিকর এবং তাদের কার্যকলাপ এমন হয়ে উঠল যাতে অং সান সু কি সহজেই বলতে পারছেন যেখানে মুসলমানরাও মুসলমানকে মারছে সেখানে আরাকানের সমস্যা সমাধান করা অনেক অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে যার ফলে এটা বলা অনেক সহজ আজকে এআরএসএ বার্মার গণতান্ত্রিক নেতার ও সামরিক প্রশাসনের রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের অনিচ্ছার পক্ষেই কাজ করছে এবং সাধারণ রোহিঙ্গাদের রাষ্ট্রচ্যূত করার নিয়ামক হিসেবেই তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিস্তার ঘটাচ্ছে।

এবং এখন এই যে রোহিঙ্গারা তাদের গন্তব্য চট্টগ্রামে পৌঁছে যাচ্ছে এই কঠিন বাস্তবতা চট্টগ্রাম অঞ্চল যেন মোকাবেলা করতে পারে তার জন্য শুধু বাংলাদেশ রাষ্ট্র কাজ করলেই চলবে না জাতিসংঘকে এবং আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলোকেও বড় ভূমিকা রাখতে হবে। সবার আগে এই রাষ্ট্রচ্যূত রোহিঙ্গাদের শরণার্থী হিসেবে নিবন্ধনের কাজটা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করতে হবে। আর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র স্বরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা অর্থ এই চার মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটা বিশেষ দপ্তর চট্টগ্রামেই প্রতিষ্ঠা করতে হবে যাদের কাজ হবে রোহিঙ্গাদের সব রকমের শরণার্থী সেবা দেয়ার পাশাপাশি এই শরণার্থীরা যেন কোনো ভাবেই বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দখল না করতে পারে সেদিকে সার্বক্ষণিক নজর রাখা।

আর বাংলাদেশ পুলিশের যেহেতু এখন একটা বিশেষায়িত সন্ত্রাসবাদবিরোধী ইউনিট আছে তাদেরও চট্টগ্রামে শক্তি বাড়িয়ে তৎপরতার দিক থেকে সক্রিয়তার দৃষ্টান্ত রাখতে পারলে রোহিঙ্গা উদ্ভূত সন্ত্রাস মোকাবেলায় সফলতা আশা করা যায়।

রোহিঙ্গাদের গন্তব্য চট্টগ্রামের বাইরে যেন যেতে না পারে নিশ্চিত করতে পারলেই একমাত্র রোহিঙ্গাদের আবার তাদের আরাকান প্রদেশে ফিরিয়ে দেয়ার কাজ করা যাবে আর রোহিঙ্গাদের গন্তব্য যদি বাংলাদেশের যেকোনো জায়গা হয়ে যায় বা বাংলাদেশও ছাড়িয়ে যায় তাহলে রোহিঙ্গাদের আর আরাকান প্রদেশে ফিরিয়ে দেয়া যাবে না। তাই বলছিলাম রোহিঙ্গাদের গন্তব্য চট্টগ্রাম এবং আশা করছি তাই যেন হয় আমরা যেন তাই করতে পারি।

কমিউনিটি ব্লগে : রোহিঙ্গাদের গন্তব্য চট্টগ্রাম

Advertisements
41 Comments
  1. বালুখালীতে ঠাঁই হবে ‘দুই লাখ রোহিঙ্গার’
    http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1392424.bdnews

    কক্সবাজারের বালুখালীতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গার জন্য আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খালেদ মাহমুদ।

    গত ২৪ অগাস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি পুলিশ পোস্ট ও একটি সেনা ঘাঁটিতে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার পর সেখানে সেনাবাহিনী অভিযান শুরু করলে বাংলাদেশ অভিমুখে নতুন করে রোহিঙ্গাদের ঢল নামে।

    এরই মধ্যে তিন লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে বলে ধারণা করছে জাতিসংঘ। নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোতে রাখার উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। এর বড় আকারে আশ্রয়কেন্দ্র হচ্ছে বালুখালীতে।

    খালেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, রোহিঙ্গারা কক্সবাজারে ঢুকে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। তাই তাদের এক জায়গায় রাখতে শুধুমাত্র বালুখালী থেকে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    “বালুখালীতে শেল্টার তৈরির কাজ চলছে এবং রোহিঙ্গাদের সেখানে ত্রাণ ও থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। এতে রাস্তাঘাটে ঘোরাফেরা করতে থাকা রোহিঙ্গারাও ত্রাণের জন্য নিজেরাই বালুখালীতে চলে যাবে।

    যেখানেই ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে সেখান থেকে রোহিঙ্গাদের সরানো যাচ্ছে না জানিয়ে জেলা প্রশাসনের এই কর্মকর্তা বলেন, “আলটিমেটল, তাদের নির্দিষ্ট স্থানে নেওয়ার আমাদের ‘গোল’ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

    “তাই, আমরা চেষ্টা করছি, বালুখালী ছাড়া অন্য কোথাও ত্রাণ না দিতে।”

  2. Myanmar Muslim Organizations Condemn ARSA, Pledge Collaboration
    https://www.irrawaddy.com/news/burma/myanmar-muslim-organizations-condemn-arsa-pledge-collaboration.html

    The All Myanmar Islamic Religious Organization on Saturday strongly condemned the Arakan Rohingya Salvation Army (ARSA) for its terrorist acts in northern Rakhine State, and pledged collaboration with the government, interfaith groups and the public to prevent such acts.

    Northern Rakhine State is reeling from the Muslim militant group’s attacks on 30 police outposts on Aug. 25 and subsequent violence against civilians. The Myanmar government declared the group a terrorist organization shortly after the attacks began and has since begun clearance operations in the area, causing ethnic Rakhine, self-identified Rohingya and other Rakhine sub-ethnicities to flee their homes. The UN said that as of Friday, some 270,000 Muslim refugees had fled to Bangladesh.

    The announcement from the national Islamic organization made up of five local Muslim organizations — including Jamiat Ulama-al Islam (H.Q), The Islamic Religious Affairs Council, All Myanmar Muslim Youth (Religious Affairs) and Myanmar Muslim Nation Affairs Organization — came a few days after anonymous warnings against possible Muslim and Buddhist attacks on Monday circulated via Facebook messenger and SMS to both Buddhist and Muslim communities across the country. Both the Myanmar government and the military issued a public alert that the ARSA was preparing for terrorist acts in the country’s major cities, including Yangon and Naypyitaw.

    The statement released by the Islamic umbrella organization said they “have never accepted terrorism and are totally against it.”

    “We are very much concerned about the attacks given the government’s alert. The government needs to strictly prevent the online instigations calling for racial and religious conflict at the moment,” it read.

    It also added that the organization felt sorry along with the bereaved families of innocent civilians killed by terrorists in Rakhine State as well as for displaced people.

    U Nyunt Maung Shein, the chairman of The Islamic Religious Affairs Council, one of the signatories, told The Irrawaddy on Sunday that the statement was the result of a meeting between members from all of the organizations on Saturday.

    He added that the statement had been delayed after the attacks as some members were on religious trips and they were waiting for their return.

    In a separate statement released on the same day, the Islamic organization urged all Muslims in Myanmar to condemn terrorism and collaborate with others for stability.

    “Please don’t share, believe nor react emotionally to those online instigations. If you find out any suspicious activity in your neighborhood, please report it to the authorities,” it said.

    On Saturday, the government also requested the public not spread the “online and SMS attack warnings,” and announced that it would take legal action against those instigating public panic.

  3. The Reality in Rakhine and Myanmar’s Complex Political Conundrum
    https://www.irrawaddy.com/opinion/reality-rakhine-myanmars-complex-political-conundrum.html

    What we can say definitively about the motivation behind the recent attacks in Rakhine State is that they were a violent rejection of meaningful recommendations made by the Kofi Annan-led Rakhine State Advisory Commission and a total obstruction against implementation as promised by the Myanmar government.

    The Arakan Rohingya Salvation Army (ARSA), led by Attaullah Abu Ammar Jununi – who was born in Pakistan and raised in Saudi Arabia – launched its synchronized attacks against 30 police outposts in Maungdaw on Aug. 25, hours after former UN secretary-general Kofi Annan presented comprehensive long-term solutions to solving the issues in Rakhine and integrating the local Muslim community (who self-identify as Rohingya).

    The Myanmar government led by Daw Aung San Suu Kyi welcomed the commission’s final report recommendations and officially said that it would implement them “within the shortest timeframe possible.”

    Within a few hours of Daw Aung San Suu Kyi’s meeting with Kofi Annan and his commission members on Aug. 24, the State Counselor’s Office released a statement saying: “As an immediate step, the government will form a new Ministerial-led committee responsible for the implementation of the commission’s recommendations.”

    The statement also said, “We hope to set out a full roadmap for implementation in the coming weeks.”

    That’s not exactly what the ARSA – designated a “terrorist” group by the government after its attacks – had in mind when it launched simultaneous attacks.

    Two weeks since the attacks, the government still cannot set out to implement the recommendations as it has been too busy trying to control the situation on the ground, which is in turmoil due to the ARSA’s attacks, militant supporters’ attacks on ethnic Rakhine and other groups as well, and military “clearance operations,” – all of which have forced hundreds of thousands of Muslim refugees to the Bangladesh border and thousands of Rakhine refugees to other cities in the state.

    But the ARSA’s violent methods have been a victory for them, at least so far. Their attacks – which killed more than a dozen security or government officials – may be seen by some outsiders as a ‘legitimate’ retaliation to alleged military oppression and human rights abuses against Muslims in Rakhine State. Beyond that, they have led to heavy criticism of the Myanmar government and its de facto leader Daw Aung San Suu Kyi.

    Daw Aung San Suu Kyi is under attack by rights groups, campaign groups and the international media for not publicly defending the rights of the Muslim refugees.

    But their criticism comes from a lack of knowledge regarding the country’s complex political situation.

    Emphasis of the international community and its media on the exodus of refugees and destruction alone is not helping this complex and volatile situation. Instead, it will prove to be counterproductive.

    Daw Aung San Suu Kyi and her government are sandwiched politically by the powerful military, nationalist parties and an undemocratic Constitution.

    There is no civilian oversight of the military, and it is guaranteed 25 percent of the seats in Parliament and three key ministerial positions – defense, border and home affairs.

    Some observers have said that the country is driven by two “parallel governments.”

    Nobody can clearly guess how much room the government has to use its executive power in dealing with the military in handling the latest situation in Rakhine. Daw Aung San Suu Kyi has said that the government cannot tell the military not to launch offensives.

    On Aug. 24, when Kofi Annan met Myanmar Army Chief Snr-Gen Min Aung Hlaing, the army chief said that the commission’s report included some factual inaccuracies and questioned its impartiality.

    In fact, some political groups rejected the commission from the start. In Parliament, three main groups – members of the Arakan National Party, the previous ruling Union Solidarity and Development Party formed by the ex-generals, and all military-appointed lawmakers sought to abolish the commission in early September 2016. But they didn’t succeed.

    Critics of Daw Aung San Suu Kyi, including western media, denounced her for not criticizing military leaderships over the institution’s alleged human rights violations – showing that these groups don’t clearly understand the political situation.

    The most important thing the country needs is genuine collaboration from the military leadership to continue this transition to democracy. The military could still return to power if military leaders believed it was necessary for the country. Critics of the military share a common view that since the current administration assumed office, military associates and USDP party members have a wait-and-see policy as the government confronts a difficult situation that may prove to be opportune for the opposition.

    A handful of people can understand the complexity of Myanmar. Derek Mitchell, who was US ambassador to Myanmar under former President Barack Obama’s administration, told the Associated Press that the militant attacks have “in some ways empowered the military to assert themselves ‘as saviors of the country,’ which is how they like to see themselves.” The former ambassador added, “That’s not very helpful to the transition.”

    Unlike him, most critics have shortsighted views without seeing the bigger picture, which is that the government and the military need to have good relations for the long-term benefit of the country.

    Violence begets violence and it cannot be accepted, in response to human rights abuses or terrorist attacks. Security forces must restrain themselves from using “excessive force” against militants and from hurting Muslim civilians during field operations. The government should be assertively talking to military leadership to follow the principles of democratic reform.

    But Daw Aung San Suu Kyi cannot afford to publicly criticize the military, which still has both seen and unseen power as the most established institution, with the experiences of coups in 1962 and 1988 and 50 years in power.

    Only smooth relations between the two sides can solve the many problems facing the country, including the current Rakhine conflict and more importantly, the peace process involving ethnic armed groups. Her speaking out against the military would only backfire.

    If the international community truly wants to see Myanmar as a stable country that can prosper under democratic rule, it needs to help the government halt the violence in Rakhine immediately and implement Kofi Annan’s recommendations as soon as possible.

  4. মিয়ানমার সাড়া দিচ্ছে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1392647.bdnews

    সমাধানের পথে না হেঁটে মিয়ানমার উল্টো বিদ্বেষমূলক প্রচার চালাচ্ছে বলেও কূটনীতিকদের জানিয়েছেন তিনি।

    চলমান রোহিঙ্গা সঙ্কট ও এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে রোববার ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

    রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এই বৈঠকের পর মাহমুদ আলী সংবাদ সম্মেলনে এসে বলেন, এই সমস্যা সমাধানে সারাবিশ্ব এখন বাংলাদেশের পাশে রয়েছে।

    মিয়ানমারে নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রশংসাও রাষ্ট্রদূতরা করেছেন বলে জানান তিনি।

    দশকের পর দশক ধরে ৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গার ভার বহন করে আসা বাংলাদেশে সম্প্রতি আরও তিন লাখের মতো রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে।

    বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আগের রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে আহ্বান জানিয়ে আসা হলেও তাতে কোনো গা করছিল না মিয়ানমার।

    নতুন করে রোঙিঙ্গা স্রোত আসার পর বাংলাদেশ মিয়ানমারের মধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি ‘সেইফ জোন’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেছে। পাশাপাশি সন্ত্রাস দমনে সীমান্তে যৌথ অভিযান চালাতেও মিয়ানমারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,“দুঃখজনকভাবে বাংলাদেশের এসব প্রস্তাবে মিয়ানমার সাড়া দিচ্ছে না।

    “উপরন্তু তারা নানা রকম বিদ্বেষমূলক প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে,রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অভিবাসী বলছে, হামলাকারীদের বাঙালি সন্ত্রাসী বলছে।”

    রোহিঙ্গারা যে মিয়ানমারেরই নাগরিক, ইতিহাস থেকে তার পক্ষে তথ্য মেলে ধরে সাবেক কূটনীতিক মাহমুদ আলী বলেন, “সমস্যা আমরা তৈরি করিনি। মিয়ানমার সমস্যা তৈরি করেছে , মিয়ানমারকেই তা সমাধান করতে হবে।”

    রোহিঙ্গা বিষয়ে মিয়ানমারের আচরণ বাংলাদেশের স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ মন্তব্য করে দেশটিকে থামাতে চীন ও ভারতের দ্বারস্ত হতে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    রাখাইন প্রদেশে যুগের পর যুগ ধরে বসবাসরত মুসলিম রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে মানতে নারাজ মিয়ানমার সরকার। প্রায় এক-তৃতীয়াংশ রোহিঙ্গা নিপীড়নের শিকার হয়ে কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে অবস্থান করছে।

    এর মধ্যে গত ২৫ অগাস্ট রাখাইনে সেনা ও পুলিশ চৌকিতে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার পর অভিযান শুরুর কথা মিয়ানমার সরকার বললেও শরণার্থীরা বলছেন, রাখাইনে নির্বিচারে রোহিঙ্গাদের হত্যা করা হচ্ছে, ঘরবাড়ি লুটপাট ও জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

    পলায়নপর রোহিঙ্গাদের দিকে গুলিবর্ষণের পাশাপাশি এই সময়ে বাংলাদেশের আকাশসীমাও লঙ্ঘন করেছে মিয়ানমারের হেলিকপ্টার।

    রোববারের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত বিভিন্ন দেশ ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের ডাকলেও আসিয়ান জোটভুক্ত কাউকে ডাকেননি।

    আসিয়ান জোটে মিয়ানমারের সঙ্গে রয়েছে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া, যারা রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে মিয়ানমারের ভূমিকার সমালোচনা করছে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আসিয়ান জোটের রাষ্ট্রদূতদের সোমবার ডাকা হবে।

    রোহিঙ্গা নিপীড়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্ব এখন মিয়ানমার ও দেশটির নেত্রী অং সান সু চির সমালোচনায় মুখর। সু চির নোবেল শান্তি পুরস্কার ফেরত নেওয়ার দাবিও তুলেছেন তুরস্কের এক মন্ত্রী।

    জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নিরাপত্তা পরিষদে লেখা এক চিঠিতে রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সতর্ক করেছেন, পরিস্থিতি শামাল দেওয়া না হলে মানবিক বিপর্যয় দেখা দেবে।

    এ মাসে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে আলোচনার প্রত্যাশাও রেখেছেন মহাসচিব গুতেরেস।

    রোহিঙ্গা সঙ্কটের এই সময়ে বাংলাদেশের প্রশংসায় সারা বিশ্ব এখন পঞ্চমুখ বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী।

    “প্রতিটি দেশের প্রতিনিধিই একবাক্যে রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাংলাদেশের নেওয়া ভূমিকা সমর্থন করেছেন। এত বিরাট জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়, চিকিৎসা ও খাদ্যের ব্যবস্থা করার জন্য নিখাদ প্রশংসা করেছে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা।”

    এই বিপুল সংখ্যক শরণার্থীর ভার বহন করা দুঃসাধ্য বলে সরকারের মন্ত্রীরা বলে আসছেন।

    রোহিঙ্গা ইস্যুকে একটি ‘জাতীয় সমস্যা’ হিসেবে অভিহিত করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা আগে থেকেই এখানে (বাংলাদেশ) ছিল, এরপর গত মাসের ঘটনার পর আরও তিন লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।”

    মাহমুদ আলী বলেন, “সব দেশই রোহিঙ্গা কিলিংকে গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানিয়েছে। তারা বলেছে-আমরা সবাই তোমাদের (বাংলাদেশ) সাহায্য করব।”

  5. রোহিঙ্গাদের মুখে ভয়াবহতার বর্ণনা
    http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1392872.bdnews

    গত ২৪ অগাস্ট রাতে পুলিশ পোস্ট ও সেনা ক্যাম্পে হামলার ঘটনার পর থেকে রোহিঙ্গাদের গ্রামে গ্রামে চালানো হচ্ছে হত্যা আর ধ্বংসযজ্ঞ। যারা প্রাণে বেঁচে গেছেন, তারা ছুটে আসছেন বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে।

    দশকের পর দশক ধরে ৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গার ভার বহন করে আসা বাংলাদেশে এই দফায় আরও তিন লাখের মতো রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে বলে ইতোমধ্যে সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

    কক্সবাজারের উখিয়ায় পাহাড়ের ঢালে গড়ে ওঠা নতুন শরণার্থী ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের কথায় উঠে এসেছে নিজের দেশে মৃত্যুর মুখ থেকে পালিয়ে আসার বর্ণনা।

    তারা বলছেন, গত দুই সপ্তাহে রাখাইনের রোহিঙ্গা গ্রামগুলো অনেকটাই জনশূন্য হয়ে পড়েছে। ১০-১৫ পথ পায়ে হেঁটে বাংলাদেশে আসার পথে কোনো রোহিঙ্গা পরিবারকে স্বাভাবিকভাবে নিজেদের বাড়িতে বসবাস করতে দেখেননি তারা।

    দুই একটি পরিবারকে তারা দেখেছেন, যারা বাংলাদেশে আসতে চান না। জঙ্গলে লুকিয়ে পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার আশায় আছেন তারা, যাতে আবার বাড়ি ফেরা যায়।

    শুক্রবার কক্সবাজারে ঢোকার পর টেকনাফের হোয়াইখ্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল এলাকায় একটি স্কুলে শনিবার রাত কেটেছে মংডুর তুলাতলী থেকে আসা মো. ফারুকের।

    তিনি বলছেন, তাদের এলাকার হাজার দেড়েক মানুষকে এক জায়গায় জড়ো করে নির্বিচারে গুলি চালায় সেনাবাহিনী।

    ফারুকের হিসাবে, সেখানেই অন্তত আটশ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। যারা গুলিবিদ্ধ হয়েও বেঁচে ছিলেন, কিন্তু তাদেরকে পরে আগুনে পোড়ানো হয়। জীবন্ত মানুষসহ অনেক ঘরে আগুন দেয়া হয়। এর মধ্যে দুই একজন পুড়তে পুড়তে পালিয়ে বাংলাদেশ আসতেও পেরেছে বলেছে জানান তিনি।

    কাউয়ার বিল থেকে এসে উখিয়ায় বালুখালি শরণার্থী ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছেন মো. ইউনূস। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হাতে নিজের চাচাকে খুন হতে দেখেছন তিনি।

    ইউনূস জানান, সেনাবাহিনী এসে তার চাচাকে ঘর থেকে বের করে গাড়ির সঙ্গে বাঁধে। গাড়ি চালিয়ে আধা কিলোমিটারের মত টেনে নিয়ে যাওয়ার পর তাকে গুলি করা হয়।

    সত্তরোর্ধ্ব মোহাম্মদ সিদ্দিকের চার ছেলে এক মেয়ে। ডমরুর থামি থেকে বাংলাদেশে আসার পথে প্রায় ১৫দিন পাহাড়ে জঙ্গলে ঘুরতে হয়েছে তাকে।

    উপার্যনক্ষম বড় দুই ছেলের মৃত্যু তিনি দেখেছেন নিজের চোখে। সেনাবাহিনী ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু বাপ-দাদার ভিটায় শয্যা হবে না- এ তিনি ভাবতেও পারছিলেন না।

    তবে ঘরবাড়ি ছেড়ে অচেনা বাংলাদেশে আসার পথে তাকে বার বার পেছনে ফিরে তাকাতে হচ্ছিল একমাত্র মেয়ের স্বামীর খোঁজে। নিজের মেয়ের দিকে তাকাতে পারছিলেন না তিনি।

    সিদ্দিক জানান, মেয়ে জামাইয়ের মৃত্যু হয়েছে জানতে পারলেও এতটা পিছুটান থাকতে না। মেয়ে তার স্বামীকে ছাড়া আসতে চাইছিল না। তাই আসার পথে কোনো একটি নিরাপদ রোহিঙ্গা গ্রাম খুঁজেছিলেন, যেখানে থেকে যাওয়া যায়।

    কিন্তু ১৫ দিন ঘোরাঘুরি করেও কোনো রোহিঙ্গা গ্রামকে নিরাপদ থাকতে দেখেননি এই বৃদ্ধ। শেষমেষ জনস্রোতে মিশে ঢুকে পড়েন বাংলাদেশে।

    সিদ্দিকের বড় ছেলে আব্দুল বারীর বয়স ছিল ৩৫ বছর। পাঁচ ও দুই বছরের দুটি মেয়ে আছে তার। মেজ ছেলে জোবায়েরের বয়স ছিল ২৫। তারও একটি ছেলে রয়েছে।

    দুই ছেলের মৃত্যু শোকের সঙ্গে এখন নাতি-নাতনিদের ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কিত সিদ্দিক। জীবনের সব সম্পদ আর সঞ্চয় এক দিনে হারিয়ে এই বয়সে তাকে অন্য দেশে মাথা গোঁজার ঠাঁই আর খাবারের সন্ধানে ছোটাছুটি করতে হচ্ছে।

    সিদ্দিকের মেজ ছেলের বউ ফাতিমা স্বামীকে মরতে দেখেছেন চোখের সামনে। ঈদের সপ্তাহখানেক আগে দিনের কাজকর্ম সেরে ঘুমিয়েছিলেন তারা। রাতে হঠাৎ মিয়ানমারের সেনাবাহিনী পাড়ায় হানা দেয়।

    ফাতিমা বলেন, বাড়িতে এসেই সেনাবাহিনী এলোপাতাড়ি গুলি শুরু করে। শোয়া থেকে স্বামীকে তিনি উঠে বসতে এবং আবার গুলি খেয়ে লুটিয়ে পড়তে দেখেন। পরে ছেলেকে নিয়ে শ্বশুরের সঙ্গে সীমান্তের পথ ধরেন।

    রিম্যাতংয়ের বদরুল ইসলাম জানান, গ্রামের অনেকের তার বাবাকেও গুলি করে হত্যা করেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

    “আমরা সবাই বার্মার লোক। সরকার নিয়ে গণ্ডগোল। আমাদের তো গুলি নাই….।

    বদরুল জানান, যে যেভাবে পেরেছে পালিয়েছে। কেউ বোন ফেলে এসেছে, কেউ বাবাকে ফেলে এসেছে।

    নাপড়ার বিম্মাতা এলাকার আনু মিয়া জানান, তার ঘরে আগুন দিয়েছে তারই এক প্রতিবেশী।

    তিনি বলেন, মিয়ানমার সরকার রাখাইনের মগদের (বৌদ্ধ) উসকে দিচ্ছে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে। রোহিঙ্গাদের বাড়ি-ঘর দখল এবং আগুন দেওয়ার আগে লুটপাটের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।

    গ্রামে হামলা শুরুর সময়ই বাড়ির পাশের জঙ্গলে পরিবার নিয়ে আশ্রয় নিতে পারায় প্রাণ বাঁচাতে পেরেছেন বলে জানান আনু।

    তিনি বলেন, গত দুই সপ্তাহে কত লোককে হত্যা করা হয়েছে তার সঠিক সংখ্যা নিরূপণ করা কঠিন। কোনো কোনো পরিবারের সবাই মারা গেছে। কেউ কেউ বেঁচে থাকলেও কোথায় আছে, সেটা পরিবারের অন্যরা হয়ত জানে না। পরিবারের সবাইকে আবার এক জায়গায় জড়ো করাও এই মুহূর্তে অসম্ভব।

    মংডুর খোয়ার বিল এলাকার নূর খায়েরের গ্রামে নিহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন। কাবিরা সবাই তার মতই পালিয়ে এসেছেন। পথে আসতে আসতে বহু রোহিঙ্গা গ্রামের জনশূন্য ধ্বংসস্তূপ দেখেছেন তারা।

  6. নির্যাতন বন্ধ করে নাগরিকদের ফিরিয়ে নিন: মিয়ানমারকে হাসিনা

    http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1393354.bdnews

    কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং ক্যাম্পের শরণার্থীদের মাঝে উপস্থিত হয়ে মিয়ানমার সরকারের প্রতি নির্যাতন বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    তিনি বলেছেন, “আমরা মিয়ানমার সরকারের কাছে অনুরোধ করব, তারা যেন নিরীহ মানুষের উপর নির্যাতন বন্ধ করে। তারা যেন প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করে। এক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে যা যা সাহায্য করা দরকার, আমরা তা করব।”

    মানবিক দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশ মিয়ানমারের শরণার্থীদের আশ্রয় দিলেও এ দেশের ভূমি ব্যবহার করে কোনো ধরনের সন্ত্রাসী তৎপরতা চালানো হলে তা বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ার করেছেন সরকারপ্রধান।

    মঙ্গলবার সকালে বিমানে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে প্রথমে কক্সবাজার এবং সেখান থেকে সড়কপথে উখিয়ায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

    কুতুপালং ক্যাম্পে পৌঁছে শেখ হাসিনা সেখানে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের নারী, পুরুষ, শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা করেন এবং শরণার্থীদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন।

    রোহিঙ্গা নারীরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, তারা এক বস্ত্রে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে এসেছেন। সঙ্গে করে কিছুই আনতে পারেননি।

    এ সময় নারী ও শিশুদের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে উঠলে চোখ ভিজে ওঠে শেখ হাসিনার। তার সঙ্গে থাকা ছোট বোন শেখ রেহানাকেও চোখ মুছতে দেখা যায়।
    পরে সংক্ষিপ্ত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের ঘটনাকে ‘মানবাধিকার লঙ্ঘন’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

    বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে তিনি বলেন, “এ ঘটনা দেখে চোখের পানি ধরে রাখা যায় না। মানুষ মানুষের মতো বাঁচবে। মানুষের কেন এত কষ্ট!”

    রোহিঙ্গাদের অসহায়ত্বের দিকটি তুলে করে শেখ হাসিনা বলেন, নাফ নদীতে শত শত নারী শিশুর লাশ ভাসছে, এটা ‘মানবতাবিরোধী’ কাজ ।

    “আমরা আমাদের যতটুকু সামর্থ্য আছে, তা নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। মানবতার খাতিরে এই দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের বাংলাদেশে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছি। যতদিন মিয়ানমার সরকার তাদের ফিরিয়ে নিয়ে না যাবে, ততদিন আশ্রয়ের ব্যবস্থা করব।”

    গত ২৪ অগাস্ট রাতে পুলিশ পোস্ট ও সেনা ক্যাম্পে হামলার ঘটনার পর থেকে রোহিঙ্গাদের গ্রামে গ্রামে চালানো হচ্ছে হত্যা আর ধ্বংসযজ্ঞ। যারা প্রাণে বেঁচে গেছেন, তারা ছুটে আসছেন বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে।

    গত কয়েক দশক ধরে ৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গার ভার বহন করে আসা বাংলাদেশে এই দফায় আরও তিন লাখের মতো রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে বলে ইতোমধ্যে সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

    এই শরণার্থীদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বার বার আহ্বান জানানো হলেও মিয়ানমার তাতে সাড়া দেয়নি। রোহিঙ্গাদের নিজেদের নাগরিক হিসেবে মেনে নিতেও তারা রাজি নয়।

    রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিয়ে নাগরিকত্ব দিয়ে নিরাপদে বসবাস করার সুযোগ করে দিতে মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ দেওয়ার একটি প্রস্তাব সোমবার বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।

    সেই প্রসঙ্গ টেনে কুতুপালং আশ্রয় শিবিরে শেখ হাসিনা বলেন, “তাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে হবে। নিরাপত্তা দিতে হবে যেন ভালোমত বাঁচতে পারে। তাদের সঙ্গে যেন অমানবিক আচরণ করা না হয়।”

    মিয়ানমারের ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আইন পরিবর্তন করে কেন এই ঘটনার সৃষ্টি করা হল?
    “এই ঘটনা না ঘটলে নিরীহ মানুষের উপর অত্যাচার হত না। ভুক্তভোগী কারা? নিরীহ মানুষ। কীভাবে তাদের উপর অত্যাচার হয়েছে! এই অবস্থা সত্যি সহ্য করা যায় না। কেন এই অত্যাচার? তারা তো তাদের নিজেদের দেশেরই লোক।”

    রাখাইন রাজ্যে বর্ডার পুলিশ, সীমান্তরক্ষীদের চৌকিতে হামলার ঘটনায় যারা দায়ী, তাদেরও কঠোর সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। নিরীহ মানুষের উপর অত্যাচার বন্ধ করে প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করতে মিয়ানমার সরকারের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

    বাংলাদেশের ভূমি থেকে কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের চেষ্টা যাতে না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক করার পাশাপাশি মিয়ানমারে দুই পক্ষকে মানবিক আচরণ দেখাতে এবং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

    রাখাইন রাজ্যে বর্ডার পুলিশ, সীমান্তরক্ষীদের চৌকিতে হামলার ঘটনার দিকে ইংগিত করে তিনি বলেন, “যাদের জন্য এই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তারা নিজেরাই দেখুক, তাদের মা-বোন ও শিশুদের উপর কী নির্যাতন হচ্ছে। তাদের অপকর্মের জন্য লাখ লাখ মানুষ ঘরছাড়া। সমস্যা থাকলে তারা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে।”

    বিভিন্ন সময়ে মিয়ানমার সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানানোর কথাও প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে তুলে ধরেন।
    তিনি বলেন, “নিজ দেশের জনগণ অন্য দেশের শরণার্থী হিসেবে থাকা সম্মানজনক না। এ উপলদ্ধি থেকে মিয়ানমার যেন তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবেশীদের সঙ্গে শান্তি চায়, সুসম্পর্ক চায়। কিন্তু অন্যায়কে ‘বরদাশত করা যায় না’।

    কক্সবাজারের স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রধানমন্ত্রী অনুরোধ করেন, যারা আশ্রয়ের জন্য এসেছে, তাদের যেন কোনো কষ্ট না হয়।

    শরণার্থীদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের নামে কেউ যেন ‘নিজের ভাগ্য গড়ার খেলা’ খেলতে না পারে- সে ব্যাপারেও সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

    বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা ছাড়াও তার পুত্রবধূ আইওএম কর্মকর্তা পেপ্পি সিদ্দিক এ সময় কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে ত্রাণ বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন।

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, পূর্ত মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, হুইপ ইকবালুর রহিম, কক্সবাজার-৩ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, আবু রেজা মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন নদভী, মন্ত্রী পরিষদ সচিব শফিউল আলম, মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উখিয়ায় আসেন।

    এছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, কক্সবাজারের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি এবং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, পুলিশ মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক ও র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদও উখিয়ায় উপস্থিত ছিলেন।

    মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর দমনপীড়নের মুখে পালিয়ে আসা শরণার্থীদের পরিস্থিতিতে দেখতে ঢাকায় কর্মরত বিদেশি কূটনীতিকরাও বুধবার কক্সবাজারে যাবেন বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন।

  7. Myanmar must take back its nationals, says PM
    “We can’t accept its unjust acts”

    Prime Minister Sheikh Hasina said Tuesday Rohingya refugees are Myanmar nationals and it must take its citizens back.
    She described the atrocities unleashed by the Myanmar military as ‘acts against humanity and violation of human rights.
    She also said Bangladesh wants to maintain peace and good relations with its neighbouring countries, but it cannot accept ‘unjust acts’ the Myanmar government is committing.
    The Prime Minister was speaking while visiting a registered Rohingya camp and distributing relief materials among the Rohingya refugees at Kutupalong Bazar in Ukhia.
    “Still, the fire is burning there…people can’t find out their family members…the bodies of infants and women are floating on the Naf River, these go completely against humanity and are violation of human rights. What sin and crimes these innocent children, women and people have committed…we can’t tolerate such activities,” the Prime Minister bemoaned.
    She further said, “We want peace, we want good relations with our neighbouring countries, but we can’t tolerate and accept any injustice.”
    Sheikh Hasina said Bangladesh protests these injustice and inhumane attitude towards the Rohingya people in Rakhine state, and renewed her call to the international community to mount pressure on the Myanmar government to take back their nationals.
    “Myanmar has to take back their nationals, give them a safe place to live in their homeland. The international community should put pressure on Myanmar as they’re committing such atrocities on Rohingya people… this has to be stopped,” she added.
    Denouncing the terror attack on the Myanmar border police and military base, the Prime Minister said her government will never allow any insurgent to use its land against the neighbours.
    “I’ll ask the Myanmar government to find out the real culprits and as the neighbouring country, we’ll help them in this connection,” she said.
    She, however, said her government cannot accept the intimidation of women and children in the name of a clampdown on terrorists in Rakhine state.
    Hasina urged all concerned to refrain from carrying out terror attacks in the future which could mount miseries and sufferings on tens of thousands of innocent people, including women and children, time and again there.
    Expressing her profound grief at the sufferings of the Rohingya people, she said the reason for which they were compelled to take refuge in Bangladesh is very unfortunate.
    The Prime Minister called for creating a ‘safe zone’, if necessary, inside Myanmar under the supervision of the United Nations to protect the innocent people.
    “The full implementation of recommendations of the Kafi Annan Commission may help in this regard,” she said.
    Earlier, on her arrival at the Katupalong refugee camp, the Prime Minister saw for herself the condition of the Myanmar nationals staying there.
    She talked to the Rohingya refugees who fled to Bangladesh following inhuman torture on them and burning of their houses by Myanmar government forces over the last two weeks.
    The Myanmar refugees burst into tears before the Prime Minister while narrating their sufferings and how they were tortured.
    According to the United Nations, over 0.3 million Myanmar nationals belonging to the Rohingya minority group intruded into Bangladesh in the last two weeks after eruption of the latest spate of violence in Rakhine state.
    Prime Minister’s younger sister Sheikh Rehana, Road Transport and Bridges Minister Obaidul Quader, Housing and Public Works Minister Engineer Mosharraf Hossain, Home Minister Asaduzzaman Khan, Disaster Management and Relief Minister Mofazzal Hossain Chowdhury Maya, Chief Whip ASM Firoz and Army Chief General Abu Belal Muhammad Shafiul Huq were present.

    Govt to Implement Recommendations on Rakhine Issue ‘Without Delay’

    https://www.irrawaddy.com/in-person/govt-implement-recommendations-rakhine-issue-without-delay.html

    A new 15-member committee was formed this week to implement the recommendations of the Kofi Annan-led Advisory Commission on Rakhine State and a government investigation commission led by vice-president U Myint Swe, the President’s Office announced on Tuesday.

    Both commissions—which were mandated to advise on fostering stability in the area—made recommendations in final reports submitted to the government last month.

    A day after the committee’s official formation, The Irrawaddy spoke to chair of the Implementation Committee for Recommendations on Rakhine State, Minister of Social Welfare, Relief and Resettlement U Win Myat Aye.

    The President’s Office announced the new committee is responsible for accelerating the national verification process and ensuring “equal access to education and access to health services regardless of religion, race, citizenship or gender.”

    The newly-formed implementation committee is also tasked with “fighting terrorism and eliminating drugs in the region as a priority.”

    The implementation committee—co-chaired by Rakhine State chief minister U Nyi Pu—will also work towards improving rule of law, stability, harmony between the different communities, security, the economy, social affairs, basic infrastructure including the maintenance of ethnic villages, distributing humanitarian aid, and closing camps for internally displaced persons.

    Other members include deputy ministers from the Office of the State Counselor and Ministry of Border Affairs, a representative of the President’s Office, and permanent secretaries from the ministries of home affairs, information, religious affairs, agriculture, transport, labor, education, health and sport, construction, and social welfare.

    The committee will report its progress to the public every four months.

    What will the committee do first?

    Firstly, we will call a meeting [on Thursday]. All members of the committee need to examine in detail and clearly understand the recommendations [of the two commissions]. After that, we will begin implementations that are beneficial for the people and are possible with the reality on the ground, as fast as we can.

    Will the committee accept and implement 100 percent of the recommendations of the two different commissions?

    We will only know after all members examine the recommendations carefully and discuss what to do. We will prioritize those recommendations that match with the situation on the ground and benefit the people.

    The government vowed to implement the recommendations as soon as possible. When do you think the committee can begin?

    We have already started. Before the committee was formed, I visited ethnic minorities groups in Rakhine whose members were killed in recent violent attacks such as Hindu, Daingnet, Mro and Kaman. Those minorities have a lot of requirements including for education, health and employment. Only after we know their real emotions and needs on the ground, can we implement [recommendations]. We will meet with the people on the ground and discuss and negotiate with them. We will act based on their needs and without delay.

    How will you cope with the volatile situation on the ground?

    We want to speedily carry out recommendations that can lead to better conditions and stability in the area. We won’t do anything that could make the situation worse; we only try to benefit the people. There is some fake news out there but the committee will act with transparency and release only true news.

    How long do you expect it to take to implement all the suggestions?

    We will have systematic short-term and long-term strategies for implementation. Only after the strategies are drawn, can we know the time period. We will let everyone know our strategies once they are decided.

    What is your response to the 29 political parties—including opposition party the Union Solidarity and Development Party—that signed a statement rejecting all recommendations of the Kofi Annan-led commission?

    We are a civilian government and we will do everything for the benefit of the people. I don’t want to say anything about their statement. We know their concerns. We will implement the recommendations based on the situation on the ground.

  8. শিরোনামে যখন গন্তব্য চট্টগ্রাম লিখেছি তখন এধরনের একটা সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই লিখেছি, চট্টগ্রাম তথা চট্টগ্রাম বিভাগের লোকজনই সৌদিআরবে বেশি থাকে আর রোহিঙ্গারাও সৌদিআরবেই বেশি, সেদিক থেকে যোগাযোগের ভিত্তিতেও অনেকে আমাদের এখানে আশ্রয় খুঁজে নেবে, হ্যাঁ সেই যোগাযোগের সাক্ষী এই ঘটনা মানিকগঞ্জের লোকও ভালই আছে সৌদিআরবে।

    মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ২০ রোহিঙ্গা
    http://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1394457.bdnews

    সহিংসতার মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা কক্সবাজার থেকে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কার মধ্যে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা থেকে ২০ জনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    তাদের মধ্যে ১১ জন শিশু ৬ জন নারী এবং তিনজন পুরুষ; হাসিনা (৩৫) নামে আহত এক নারী ছাড়া আর বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

    বুধবার বিকালে সিংগাইরের চারিগ্রাম ও ধল্লা এলাকায় তাদের আটকের পর পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে মানিকগঞ্ পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন।

    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, তাদের সিংগাইর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে রাখা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে শুক্রবার তাদের কক্সবাজার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    রাতে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই স্কুলের তিন তলার একটি কক্ষে তাদের রাখা হয়েছে; গণমাধ্যম কর্মীদের ভেতরে ঢুকতে ও ছবি তুলতে দেওয়া হচ্ছে না।

    তবে রেহিঙ্গা পরিবারগুলোকে দেখতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভীড় করেন স্থানীয়রা। অনেকেই খাবার ও নগদ অর্থ দিয়ে তাদের সহযোগিতা করেন।

    আটক রোহিঙ্গারা জানান, তারা সবাই মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের মংডু জেলার মন্ডুকাদেরবিল গ্রামের। বাড়ি-ঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার পর প্রাণভয়ে পালিয়ে আসেন তারা। দৌড়ানোর সময় ওই নারীকে সোনাবাহিনী গুলি করে। গুলিটি তার হাতে লাগে। পরে কক্সবাজারের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয় ওই নারীকে।

    সমুদ্র পথে পার হয়ে তারা টেকনাফ সীমান্তে আসেন। সেখান থেকে সড়ক পথে ঢাকায় এবং পরে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে পৌঁছেন। পরিচিত সৌদি আরবে সিঙ্গাইরের এক প্রবাসীর সঙ্গে সেখানে থাকা তাদের এক স্বজনের মাধ্যমে যোগাযোগের পর তারা সিংগাইরে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন তারা।

  9. পরিচয় গোপন করে সুনামগঞ্জে ১২ রোহিঙ্গা, টেকনাফে ফেরত

    http://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1395007.bdnews

    মিয়ানমারে অব্যাহত সেনা অভিযানের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে সুনামগঞ্জে পরিচয় গোপন করে থাকা একটি রোহিঙ্গা পরিবারের ১২ জনকে কক্সবাজারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন কান্তি ধর জানান, শুক্রবার দুপুরে তাদের পুলিশ প্রহরায় টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদ পেয়ে উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের গুটিলা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে পুলিশ তাদের আটক করে বলে জানান তিনি।

    এরা হলেন আবদুস সবুর (৫১), তার স্ত্রী আমিনা বেগম (৪২), ছেলে আবদুল হালিম (২৩), মেয়ে তালিহা আক্তার (১৫), মেয়ে হারিসা আক্তার (১৩), মেয়ে হালিমাতুস সাহিয়া (১১), মেয়ে সাবিহা আক্তার (৯), ছেলে আসলম শাহ (৭), মেয়ে উম্মা বেগম (২), আবদুল হালিমের স্ত্রী উম্মুল খাইরিন (২২) ও মেয়ে মোশারফা (১) এবং হালিমের শ্যালক কাউছার মিয়া (৭)।

    তাদের বাড়ি মিয়ানমারের আকিদাবাদ জেলার মংদু থানার কুয়ান শিবং গ্রামে।

    মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে কয়েকটি স্থান থেকে ইতিমধ্যে আরও বেশিকিছু রোহিঙ্গাকে কক্সবাজারে শরণার্থী ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

    ওসি নন্দন কান্তি ধর বলেন, স্থানীয় লোকদের কাছে খবর পেয়ে বড়দল ইউনিয়নের গুটিলা গ্রামের তোতা মিয়ার বাড়ি থেকে রাত ৯টায় তাদের আটক করে তাহিরপুর থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    “তাদের কাছ থেকে বাদাঘাট বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত পাঁচটি নাগরিক সনদ ও তিনটি জন্মসনদ উদ্ধার করা হয়েছে।”

    ওসি বলেন, স্থানীয় তোতা মিয়ার এক ছেলে চট্টগ্রাম পড়াশোনা করেন। সেখানেই রোহিঙ্গা নাগরিক আবদুস সবুরের দুই ছেলেও পড়াশোনা করতেন। সেখানে তাদের পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয়।

    “সেই ঘনিষ্ঠতার সূত্র ধরে কয়েক মাস আগে এই পরিবারটি চট্টগ্রাম থেকে গুটিলা গ্রামে তোতা মিয়ার বাড়িতে আশ্রয় নেয়।”

    তোতা মিয়ার পরিবার তাদের চট্টগ্রামের বাসিন্দা বলায় স্থানীয়রা প্রথমে তাদের চিনতে পারেনি। পরে বিষয়টি প্রকাশ পায় বলে জানান ওসি নন্দন।

    নাগরিক সনদ ও জন্মসনদ দেওয়ার ব্যাপারে বাদাঘাট বড়দল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন বলেন, “ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মনির উদ্দিন তাদের সনদ দিতে বলেন, তাই আমি সনদে স্বাক্ষর দিয়েছি।”

    গত রোববার ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চরদরবেশ ইউনিয়নের চরশাহাভিকারী গ্রামে একটি বাড়িতে ১৩ সদস্যের একটি রোহিঙ্গা পরিবার আশ্রয় নেয়।বিয়ের সূত্রে ওই পরিবারের সঙ্গে তাদের আত্মীয়তা রয়েছে।

    বুধবার মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার চারিগ্রাম ও ধল্লা এলাকা থেকে ২০ রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাদের কক্সবাজারের উখিয়ায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    একইদিন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা তিন রোহিঙ্গা ও তাদের চার স্বজনের সঙ্গে পতেঙ্গায় আটক ১৪ জনকে উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    ওইদিনই চট্টগ্রাম মেডিকেল থেকে আট রোহিঙ্গা ছাড়া পেয়েছিল। তাদের সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া ও চান্দগাঁও এলাকা থেকে আটক ১৬ জনকে টেকনাফ পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    মঙ্গলবার চট্টগ্রামের হাটহাজারীর ফটিকা ইউনিয়ন থেকে ১৯ জন এবং রোববার সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়ন থেকে ১৮ জনকে আটক করে টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠানো হয়।

    মিয়ানমারের রাখাইনে সেনা নির্যাতনের মুখে গত দুই সপ্তাহে প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

  10. রোহিঙ্গাদের বাড়ি ভাড়া দিতে পুলিশের বারণ
    http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1395361.bdnews

    শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের বাড়ি ভাড়া না দিতে বলেছে পুলিশ।

    শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের বাড়ি ভাড়া না দিতে বলেছে পুলিশ।

    এর মধ্যেই রোহিঙ্গাদের বাসা ভাড়া প্রদান বা চলাচলের ক্ষেত্রে নির্দেশনা জারি করে পুলিশ সদর দপ্তর।

    এতে বলা হয়, “সরকার রোহিঙ্গাদের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে বাসস্থান-খাওয়া এবং চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তারা নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত নির্দিষ্ট ক্যাম্পেই অবস্থান করবেন।”

    রোহিঙ্গাদের অবস্থান কক্সবাজারে নির্দিষ্ট শরণার্থী শিবিরে সীমাবদ্ধ রাখা হবে বলে জানায় পুলিশ।

    “তারা ক্যাম্পের বাইরে তাদের আত্মীয়-স্বজন অথবা পরিচিত ব্যক্তিদের বাড়িতে অবস্থান-আশ্রয় গ্রহণ বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে গমনাগমন করতে পারবেন না। তাদেরকে নির্দিষ্ট ক্যাম্পের বাইরে কেউ যেন বাসা-বাড়ি ভাড়া না দেয়।”

    সড়ক, রেল ও নৌ পথ ব্যবহার করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে রোহিঙ্গাদের না নিতে পরিবহন চালক-শ্রমিকদের বলা হয়েছে।

    রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কেউ অন্য কোথায় আশ্রয় নিয়েছে কিংবা চলাচল করছে, এমন খবর পেলে স্থানীয় প্রশাসনকে জানাতে বলেছে পুলিশ।

  11. রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে জাতিসংঘে যা বলল মিয়ানমার
    http://bangla.bdnews24.com/neighbour/article1397585.bdnews

    রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মধ্যে মিয়ানমার জাতিসংঘে বলেছে, নিরীহ বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি এড়াতে ‘সব ব্যব্স্থা’ নিতে নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশনা দিয়েছে তাদের সরকার।

    নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের চলমান সাধারণ অধিবেশনে বুধবার দেশটির উপ-রাষ্ট্রপতি হেনরি ভান থিও একথা বলেন।

    তিনি বলেন, “শুধু রাখাইনের মুসলনমানরাই পালিয়ে (বাংলাদেশে) যায়নি, অন্যান্য সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর সদস্যরাও গেছে।”

    সেখানকার বর্তমান পরিস্থিতিতে মিয়ানমার সরকার ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’ জানিয়ে ভান থিও বলেন, “অভিযান পরিচালনার সময় নিরীহ বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি এড়াতে বাহিনীগুলোকে আচরণবিধি মেনে চলতে ও সংযম বজায় রাখতে সব ব্যবস্থা নেওয়ার কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

    রাখাইনে সেনা অভিযানে প্রাণ বাঁচাতে সোয়া চার লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। নির্যাতন বন্ধে পদক্ষেপ না নেওয়ার আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনায় থাকা মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি এবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেননি।

    জাতিসংঘ ওই সেনা অভিযানকে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। মঙ্গলবার রাখাইন পরিস্থিতি নিয়ে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সরাসরি কিছু বলেননি সু চি।

    ভাষণে রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ না করা সু চি ৫ সেপ্টেম্বরের পর রাখাইনে কোনো ধরনের সহিংসতা বা নির্মূল অভিযান হয়নি বলে যে দাবি করেছেন, জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে সেই কথার পুনরাবৃত্তি করেন মিয়ানমারে উপ-রাষ্ট্রপতি ভান থিও।
    “রাখাইনের মুসলনমানদের দলে দলে দেশান্তরী হওয়ার পেছনের কারণ আমাদের খুঁজে বের করা প্রয়োজন,” বলেন তিনি।

    ২৪ অগাস্ট রাতে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা পুলিশ পোস্ট ও সেনা ক্যাম্পে হামলার পর পাল্টা অভিযানে অসংখ্য বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া ছাড়াও ধর্ষণ ও নিরীহ মানুষজনকে নির্বিচারে গুলি করে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।

    উপ-রাষ্ট্রপতি ভান থিও জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে সহিংসতায় নিহতদের পরিবারের পাশাপাশি বিদ্রোহীদের হামলায় নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারের প্রতিও গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

    রাখাইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ‘যথাযথ বিচারিক রীতি অনুযায়ী’ সামাল দেওয়া হয়ে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো বৈষম্য না করে যাদেরই দরকার’ তাদের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা সরকার বুঝতে পারছে।

    ভান থিও জানান, সঙ্কট সমাধানে কফি আনান নেতৃত্বাধীন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর অধীনে একটি কমিটি হয়েছে। মিয়ানমার ও তার বাইরে থেকে ‘নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিদের’ নিয়ে সরকার আরেকটি উপদেষ্টা বোর্ড গঠন করবে।

    প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কন্নোয়নে মিয়ানমার কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে বক্তব্যে তিনি বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার জন্য বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মিয়ানমারে স্বাগত জানাতে চায় তার দেশ।

  12. রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে হবে ‘জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ’

    https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1402389.bdnews

    দমন অভিযানের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে একটি ‘জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার।

    রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে ঢাকা সফররত মিয়ানমারের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের বৈঠকে সোমবার এই সিদ্ধান্ত হয়।

    রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় দেড় ঘণ্টার এই বৈঠকে মিয়ানমার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির দপ্তরের মন্ত্রী কিয়া তিন্ত সোয়ে। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ও পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক।

    বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী সাংবাদিকদের বলেন, ‘অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে’ আলোচনা হয়েছে এবং সেখানে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার কথা বলেছে মিয়ানমার।

    এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার সার্বিক তত্ত্বাবধানে দুই দেশ একটি ‘জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ’ গঠনের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা উভয়ে সম্মত হয়েছি।এই জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কম্পোজিশন কী হবে- সেটা আমরা বাংলাদেশও ঠিক করব, ওরাও ঠিক করবে। সম্মতিটা হয়েছে এই আলোচনায়।”

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার জন্য বৈঠকে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তির প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ। মিয়ানমারের প্রতিনিধি দলকে ওই চুক্তির খসড়াও হস্তান্তর করা হয়েছে।

    বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ‘নিরাপত্তা সহযোগিতার’ বিষয়েও ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে এবং বাংলাদেশ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ পুনর্ব্যক্ত করেছে বলে মাহমুদ আলী জানান।

    তিনি বলেন, এ বিষয়ে আরও আলোচনার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল শিগগিরই মিয়ানমার সফরে যাবেন।

    “আমরা যেটা বলে আসছি প্রথম থেকে, শান্তিপূর্ণ উপায়ে আমরা এই সমস্যার সমাধান করতে চাই। দুই পক্ষই তাতে একমত হয়েছে,” বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

    রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “একটা সভা দিয়েতো সব সমাধান হবে না। জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপটা তৈরি করতে হবে। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে দেব, ওরা ওদের পক্ষ থেকে দেবে। এটা খুব তাড়াতাড়ি করেছি।”

    যে বিষয়গুলো বাকি রয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে সেগুলোর সমাধান করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

    জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ কবে নাগাদ গঠন হবে জানতে চাইলে তিনি শুধু বলেন, “খুব শিগগিরই হবে।”

    মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনীর দমন অভিযানের মুখে গত ২৫ অগাস্ট থেকে পাঁচ লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

    তারা বলছেন, সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে মানুষ মারছে। রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণ করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম।

    মিয়ানমারের নেত্রী সু চি সেনাবাহিনীর এই অভিযানকে ‘সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই’ হিসেবে বর্ণনা করলেও জাতিসংঘ একে চিহ্নিত করেছে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ হিসেবে।

    রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে সেখানে যেতে দিচ্ছে না মিয়ানমার সরকার। এমনকি সেখানে আইসিআরসি ছাড়া অন্য কোনো সংস্থাকে ত্রাণ দিতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে।

    রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতা আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

    গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় তিনি বলেন, রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে রোহিঙ্গাদের উপর যে সহিংসতা হয়েছে তা মধ্যাঞ্চলেও বিস্তৃত হতে পারে এবং সেখানে আড়াই লাখ রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

    পাঁচ দশকের বেশি সময় সামরিক শাসনে থাকা মিয়ানমারে গত বছর সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সু চির দল ক্ষমতায় এলেও এখনও দেশটির স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক মন্ত্রণালয় দেশটির সেনাবাহিনীর হাতে।

    সম্প্রতি মিয়ানমার ঘুরে আসা ব্রিটিশ প্রতিমন্ত্রী মার্ক ফিল্ড ঢাকায় সাংবাদিকদের বলেন, অং সান সু চি সব রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতে চান বলে তাকে আশ্বস্ত করেছেন।

    “সু চি একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আছেন এবং তিনি আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চাপের মধ্যে একটি সঠিক পথ বের করার চেষ্টা করছেন।”

    এদিকে মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী উ উইন মিত আয়ে রাখাইনের মংডু এলাকায় ‘যত দ্রুত সম্ভব’ রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন ও পুনর্বাসন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন বলে গত বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে জানায় নির্বাসিত বার্মিজদের ওয়েবসাইট ইরাবতী।

    সেখানে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন ও পুনর্বাসনের জন্য দুই বিলিয়ন কিয়াটের একটি কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, যাতে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যকার ১৯৯৩ সালের প্রত্যাবাসন চুক্তির আওতায় শরণার্থীদের নিবন্ধন করা হবে। মংডুর দার গি জার গ্রামে পুনর্বাসনের আগে তাংপিও লেতওয়ে ও না খুয়ে ইয়া গ্রামে তাদের নিবন্ধন হবে।

    মিয়ানমারের শ্রম, অভিবাসন ও জনসংখ্যা মন্ত্রণালয়ের পার্মানেন্ট সেক্রেটারি উ মিন্ট কেইং ওই দিন ইরাবতীকে বলেন, দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য যাদের মনোনীত করা হবে তাদের ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড (এনভিসি) দেওয়া হবে।

    ‘রোহিঙ্গা’ স্বীকৃতি না থাকায় এই মুসলিম জনগোষ্ঠী ওই এনভিসি নিতে আপত্তি জানিয়ে আসছিল বলে ইরাবতীর প্রতিবেদনে বলা হয়।

  13. The history of the Rohingya crisis goes at least as far back as Partition. For centuries, the Rohingya lived on land that is now part of Myanmar and Bangladesh. They have been settled across a territory that is now divided by an international border, but which was ruled from Delhi during the British Raj. Myanmar, then known as Burma, was separated from British India in 1937. During Partition, Rohingya leaders sought to join what was then East Pakistan, but Pakistan’s founding father, Muhammad Ali Jinnah, did not let them do so. After Bangladesh became independent, Burma asked the newly independent country to take the Rohingya in, but Bangladesh refused. In 1978, the Burmese army launched Operation Nagamin, or dragon king, to fight a weak Rohingya insurgency, leading to the first of several mass evictions of the Rohingya from Burma into Bangladesh. Such acts of ethnic cleansing continued in the subsequent decades.

    The conflict changes the region’s political dynamic significantly. According to Michael Vatikiotis, a former editor-at-large at the Far Eastern Economic Review and now a peace-building envoy, Myanmar is on the faultline that divides Buddhist Asia from Muslim Asia. Vatikiotis has noted the protests at Myanmar embassies in Kuala Lumpur and Jakarta, and the fissures created within the Association of Southeast Asian Nations, or ASEAN, the intergovernmental regional grouping of which they are all part.

    The militant group the Arakan Rohingya Salvation Army has been active only since 2012, according to the NGO International Crisis Group. In late September, Bertil Lintner, a Swedish writer who has written extensively on Myanmar, wrote of ARSA’s links with the Pakistani militant group Lashkar-e-Taiba, and said its leaders include two Rohingya men who were born in Pakistan and are fluent in Urdu.

    ARSA’s operational tactics are similar to the way Muslim insurgency groups have acted in the Philippines and southern Thailand, also ASEAN states. Lintner wrote that ARSA militants do not wear uniforms and do not act like other insurgent groups that the Myanmar army has fought with, including Karen, Kachin, Shan and other rebel groups. Instead, ARSA blends with the Rohingya community, often forcibly conscripting young Rohingya men, making their villages vulnerable to violence from the army. Lintner estimates there are fewer than 500 ARSA operatives in Rakhine, although the Myanmar army claims the numbers are much larger.

    Myanmar’s military crackdown on the Rohingya, which started in late 2016 and which many United Nations experts have described as ethnic cleansing, has led to nearly 380,000 members of the community fleeing the country. Refugees arriving in Bangladesh include the old and the infirm, the wounded and the young, the pregnant and the raped. Satellite images released by the international organisation Human Rights Watch show dozens of burned and razed villages. Myanmar’s government has protested, saying nearly half the villages are unaffected—but this means approximately half have been affected by violence, and some are destroyed.

    Myanmar has been arguing before the international community that the Rohingya are tearing the multi-ethnic country apart. Such a stance has stretched international credulity, as UN officials have used terms such as“genocide” and “ethnic cleansing” to describe the conduct of the Myanmar army. Other observers who have visited Rohingya camps say the vast majority of their inhabitants are dispossessed and lack the means or the will to fight.

    The crisis has severely dented the pristine image of the country’s state counsellor, Aung San Suu Kyi, a Nobel peace laureate. Suu Kyi led a non-violent struggle to establish democracy in Myanmar. After her party, the National League for Democracy, won the country’s first free election in a generation, in 1990, the military annulled the outcome and imprisoned elected parliamentarians and hundreds of NLD supporters, and placed her under house arrest.

    In order to make its economy less reliant on China and more integrated with the world, Myanmar’s generals relaxed controls by 2010 and initiated political reforms. Suu Kyi was released and allowed to stand for elections, which she won in 2015. She could not head the government, though, because the military-written constitution prevents anyone who has married a foreigner or has children who are foreign citizens from holding the office of president. The post of state counsellor was created for her, making her Myanmar’s de facto ruler.

    Ever since her release in 2010, Suu Kyi has been travelling abroad and receiving ecstatic, warm welcomes from supporters in western capitals as an icon of democratic change. She had been placed on a pedestal, like South Africa’s Nelson Mandela, the Czech Republic’s Václav Havel, or Poland’s Lech Wałęsa. But since she was released, Suu Kyi has spoken of the army in surprisingly kind terms. She referred to soldiers as her brothers, since her father, General Aung San, was considered the father of the Burmese Army. As a guest on Desert Island Discs, a popular radio programme on the British Broadcasting Corporation, she named a Burmese martial tune as one of her favourite pieces of music.

    Many expected Suu Kyi to speak up for the Rohingya, but she did not. When asked about the crisis, she used non-committal, banal terms, saying that the rule of law must prevail. She did not criticise laws being passed and rules being set that stripped Rohingyas of citizenship rights, such as being counted in the census, allowed to marry or to practise their religion. (The stateless Rohingyas are not counted among the 135 communities officially recognised in Myanmar).

    Most experts have interpreted Suu Kyi’s silence as an indication that the military still wields power in Myanmar. Her supporters claim that the government could possibly even be toppled if it confronts the army. But Suu Kyi’s own views seem consistent with the dominant view in Myanmar that Rohingyas are outsiders and that they do not belong. By saying that she will not pick sides and wants to uphold the rule of law, in effect, she is presenting the army as the enforcers of the law. In a few private conversations, one of which I was witness to in 2013, soon after she gained freedom, she said the solution to the crisis lay in corruption-free and effective immigration controls, suggesting that she saw Rohingyas as illegal immigrants, rather than as a community that had lived in Rakhine for a few centuries but been denied rights.

    Global opinion has turned sour. From being an inspiring idol whose struggle stirred global conscience, Suu Kyi is now seen as a papier-mâché mask giving the generals—who had once jailed her—credibility.

    On 6 September, Prime Minister Narendra Modi was in Myanmar’s capital, Naypyitaw, where Suu Kyi referred to a “terrorist threat” facing her country. Modi expressed sympathy and talked of business opportunities, not referring to the Rohingya by name. He said he fully understood his hosts’ concerns about extremist violence. On 25 August, Myanmarese forces had fought pitched battles with ARSA, in which 71 people—12 government security personnel and 59 people described as militants—were killed. At home, on social media, vociferous BJP supporters gleefully disseminated questionable memes from dubious sources, which portrayed Rohingyas as bloodthirsty militants. That may have played well within a particular, virulently anti-Muslim section of the BJP’s constituency.

    But the BJP government’s antipathy to the Rohingya was putting at stake India’s reputation as a generous host for the persecuted. India’s past record as a host for refugees has been exemplary. While the country is not party to the 1951 Refugee Convention—a UN multinational treaty that defines who is a refugee—it has scrupulously abided by that document’s spirit by granting asylum to refugees from Tibet, Afghanistan, Myanmar, Sri Lanka, and Bangladesh. India has also historically upheld the “non-refoulement” principle, under which a country receiving refugees must not return them to their country of origin if they have legitimate fear of being persecuted on account of ethnicity, religion, nationality, membership to a specific group or having a particular political opinion.

    But since the BJP’s victory in the 2014 election, the Modi government seems to have developed new criteria for admitting refugees from India’s neighbourhood, under which only those who are from persecuted religious minorities in their countries would be allowed to enter India. This would rule out Muslims from Pakistan, Afghanistan, and Bangladesh as potential refugees. Given the violence against Shias, Ahmediyas, and others who are nominally Muslim in the region, it would amount to cherry-picking refugees, and go against international norms. Even following this criteria, the Rohingya, a minority community in Myanmar, should be eligible for asylum in the country.

    from
    The Reluctant Philanthropist, India’s untenable position on the Rohingya crisis
    http://www.caravanmagazine.in/perspectives/india-untenable-position-rohingya-crisis

  14. It is time to jettison the Myanmar fairytale

    The Rohingya humanitarian crisis and economic woes create a bleak outlook

    Myanmar today presents a more worrying picture than at almost any time since the darkest days of military dictatorship. The world’s attention has rightly been focused on the Rohingya crisis and the plight of hundreds of thousands of men, women, and children fleeing in one of the biggest refugee exoduses since the second world war.

    The worst may not be over. Humanitarian needs are far from met and discussions have barely begun on possible refugee return or the investigation of human rights abuses.

    There is a chance that western countries may respond with targeted sanctions. Even if formal sanctions are not imposed, international investor interest and tourism numbers will doubtless plummet. This is at a time when local business confidence is weak and banks unstable. Millions of the poorest people in Asia may soon face an unbearably bleak future.

    Any economic downturn will directly threaten Myanmar’s already fragile peace process. The country is home to approximately 20 “ethnic armed organisations”, the largest of which is fielding more than 20,000 troops, and hundreds of local militia.

    Fierce fighting has erupted at times during the past few years and there are nearly 500,000 internally displaced people along the Thai and Chinese borders. Economic growth alone will not lead to peace, but without the pull of an inclusive and fast-developing economy, the peace process will have no steam.

    The Arakan Rohingya Salvation Army, responsible for the August attacks which set off the latest round of violence, may well strike again. There is an even worse scenario where international jihadi groups or others inspired by them target cities in central Myanmar, where 2m other, non-Rohingya Muslims, are for now living in peace with their Buddhist, Hindu and Christian neighbours. Imported terrorism could easily spark communal violence, with devastating consequences.

    For many in the west, Myanmar has been seen for decades almost exclusively as a Manichean struggle between the democracy movement, led by Aung San Suu Kyi, and a faceless junta. Few have wanted to understand the depth and complexity of Myanmar’s challenges or help find a pragmatic way forward. Policy failures have had little political cost.

    Inside the country, there is a myth of Myanmar as a rich country gone wrong, a belief in a golden age not long ago, ruined by military despots. The corollary to this is believing that a single shift, say to democratic government, is all that is needed to unlock potential and restore the country to its rightful place as one of the most prosperous in the region. An actual nuts and bolts programme for modernisation is nowhere to be found.

    The tendency is to gloss over the effects of 20 years of sanctions, 30 years of self-isolation, 50 years of authoritarian rule, 70 years of internal war, and more than 100 years of colonialism.

    The impact of generations of virtually no public spending on health and education is everywhere to be seen. Xenophobic tendencies are entrenched across the political scene. State institutions are brittle and in many parts of the country practically non-existent. Progress on any front, even with maximum political will, will not be easy.

    Some things have certainly improved in the past few years: political life is freer than at any time in half a century and at least a tentative transition has been made from military dictatorship to a quasi-elected government. No one wants to go back to isolation.

    But the mix of challenges now facing the country is so great, it is hard to see a positive narrative continuing. It is not just the peace process, the economy, and the Rohingya crisis.

    Migration, urbanisation, climate change, and new feelings and agendas unleashed by a revolution in telecoms are reshaping the social landscape. Relations with China are at an inflection point, with the possibility of huge new infrastructure projects remaking Myanmar’s geography.

    At the same time, almost no one is considering the long view. Just take northern Rakhine, site of today’s violence and tomorrow’s possible refugee return: what will it be in 10 or 15 years? A stop on a new super-highway between China and India? Or will climate change sink it into the sea?

    Even an experienced government aided by super technocrats would struggle to manage what Myanmar is having to manage, let alone plan for the future.

    The outside world is absolutely right to prioritise the crisis at hand. It is equally important, though, to jettison once and for all the Myanmar fairytale, and to appreciate that working in Myanmar means working with a near-failed state; to redouble efforts to boost the country’s own abilities, in particular through investments in health and education; and, perhaps most of all, to help inject fresh thinking about an exciting future for all.

    Otherwise, the current crisis will be just the first of many to come.

    https://www.ft.com/content/3f9cae2e-b28d-11e7-8007-554f9eaa90ba

  15. The four big challenges to Daw Suu’s plans for northern Rakhine
    Sithu Aung Myint

    The four big challenges to Daw Suu’s plans for northern Rakhine

    STATE COUNSELLOR Daw Aung San Suu Kyi travelled to Rakhine State this month on her first visit there since taking office. The November 2 trip took her to Sittwe, and to Maungdaw Township in northern Rakhine, where she met Rakhine and Muslims affected by the violence that has resulted in more than 600,000 Muslims fleeing to Bangladesh.

    At a time when the United States and European Union are considering targeted sanctions against senior Tatmadaw officers over the operation launched in northern Rakhine after the Arakan Rohingya Salvation Army attacked security posts in late August, Aung San Suu Kyi is trying to convince the international community that she is working hard to solve the crisis.

    Last month she established the public-private Union Enterprise for Humanitarian Assistance, Resettlement and Development in Rakhine, which she chairs, and to which prominent business people have donated nearly K17 billion (about US$12.4 million).

    It’s her second initiative in regards to Rakhine State, after the appointment last year of a commission headed by former United Nations secretary-general Mr Kofi Annan to propose sustainable solutions to conflict, displacement and underdevelopment in the state. Its final report, containing 88 recommendations, was released in Yangon on August 24, hours before the attacks by ARSA triggered the latest crisis. Despite the state counsellor’s concerted efforts, will the appointment of UEHRD be able to solve the Rakhine crisis and what challenges is she likely to encounter?

    The first challenge involves negotiations with Bangladesh over the return of the hundreds of thousands of Muslim refugees. There are already indications that the negotiations will be difficult. The visit by the Bangladeshi Home Minister Mr Asaduzzaman Khan last month for talks with his Myanmar counterpart, Lieutenant-General Kyaw Swe, made little progress on the repatriation issue. Myanmar said the talks had produced agreement on a 10-point statement. Dhaka said later that a statement agreed at the talks and subsequently released by Myanmar had deleted references to Annan commission recommendations about the return of refugees.

    State Counsellor’s Office spokesperson, U Zaw Htay, said on November 1 that Myanmar was ready to begin repatriations based on a bilateral agreement reached in the 1990s after an earlier exodus of Muslims from Rakhine to Bangladesh. He suggested that Bangladesh was delaying negotiations on repatriation because of the millions of dollars promised by the international community to aid the refugees sheltering on its side of the border. Bangladesh has accused Zaw Htay of being “ill informed” about the process. Negotiations over repatriation will be intense and fraught, with more disagreement likely.

    The second challenge facing the state counsellor is financial and involves the cost of relocation and resettlement in northern Rakhine. On October 23, the United Nations said it had received pledges totaling $344 million in response to an appeal for $434 million to provide aid for 1.2 million people in Bangladesh, including arrivals from earlier violence. The UN appeal was for aid until the end of February.

    However, the UEHRD project is not temporary and is aimed at providing for the permanent resettlement of refugees in northern Rakhine and the area’s development. It is obvious that the cost of implementing UEHRD will be considerably more than the $12.4 million pledged by a group of wealthy businessmen. Where will the extra money come from to implement UEHRD? Unless Aung San Suu Kyi is able to attract financial support from the international community, it will be difficult. However, Myanmar may find the conditions of such assistance unacceptable.

    Another challenge is the attitude of the Tatmadaw towards the Muslims in northern Rakhine whom it calls “Bengalis”. Tatmadaw leaders have said repeatedly that the Muslims in northern Rakhine are descendants of labourers brought into the country during the British colonial period and are not natives of Myanmar. The attitude that “Bengalis” are not entitled to citizenship has informed the view that the government is not responsible for them and there is no need to develop the areas where they live.

    Because of this policy by the Tatmadaw and the Ministry of Home Affairs, northern Rakhine, where the population is 95 percent Muslim – or was before the latest violence – is very poor and lacks even basic infrastructure. The poverty and lack of development also affects the Rakhine and smaller indigenous groups who comprise the balance of the population. Aung San Suu Kyi’s determination to bring development to northern Rakhine means that the Tatmadaw and Home Affairs will need to change their attitude, otherwise they could pose a challenge to the smooth implementation of the UEHRD project.

    Yet another big challenge for the State Counsellor is the attitude of the Rakhine, including the state’s politicians. Most of them believe that Rohingya Muslims are illegal immigrants; since August 25 they have been accusing them of supporting terrorism. They oppose providing aid to Muslims and have blocked its delivery. Among the many challenges Aung San Suu Kyi faces for her efforts to succeed is changing the entrenched attitudes of Rakhine political leaders.

    https://frontiermyanmar.net/en/the-four-big-challenges-to-daw-suus-plans-for-northern-rakhine

  16. Rohingya refugees in Bangladesh

    “ No one leaves home unless home is the mouth of a shark.”

    There are about 1 million Rohingya refugees in Bangladesh.Since the 1970s Rohingya refugees have been coming to Bangladesh from Myanmar.

    Sharing Nine real life stories of ‘ Rohingya refugees in Bangladesh’

    My elderly mother cannot walk. I have carried her on my back for the past seven days. I had to carry her all the way. She lost weight, became light, but I became weak after seven days of a desperate journey over muddy roads, through the jungle, crossing canals on foot.

    We hadn’t eaten at all. I sometimes begged others we fled with for food, and they gave small portions of the little they had.

    Some people carried rice with them, and mixed with pond water, we were fed for a few days. But three days ago the rice ended.

    The Myanmar military killed my only brother, Azad, and set fire to our entire house. They took our cattle and everything we had.

    I cannot carry my mother anymore. I am so tired now without food and water. We don’t know how long we have to walk like this. I don’t know how long my mother will survive like this. I wish God would show his mercy on us. – Rasid (25)

    For the last seven days I have been moving with my children from one place to another. I was not able to feed them. Without food and water, they became ill and collapsed. Sometimes along the way, people would throw biscuits, but among the crowd I was not able to catch them.

    My son has had a fever for the last two nights. Before the fever he cried continuously, but now he neither cries, nor opens his eyes.

    It rained heavily in the night. We were soaking wet. We sat in the water the whole night long. This is no place to be _Raseda

    My son, Sahed, continuously cries for milk, but I’m not able to breastfeed him. I have not eaten anything for three days. There is nothing coming from my breasts. I have survived only by drinking water from the roadside ponds.

    I delivered my only child in the jungle three days ago. My pain started while fleeing from our house. Shouting from the pain, I collapsed by the roadside. Three women who were also running came forward to help me. They covered me with banana leaves and helped me to give birth to my baby.

    For the past two days we have been sitting in a rough, muddy road that runs through a rice field. We become wet from the rain and dry by the hot sunlight of day. There are children and old people everywhere, screaming for food and water. There is nothing to eat. We’ve slept under the open sky for the last nine nights.

    When our house was burned to ashes by the Myanmar military, I walked mile-after-mile with my nine-month pregnancy. Everything we carried was taken from us for the river crossing to Bangladesh.I lost track of my husband, Abdul Noor, when we fled. I have no idea if he is alive or not. Maybe he has already been killed by the Myanmar army and my son has already lost his father. Just like he has lost his country. – Sajeda 25

    The military came and burned our home. They burned everything. They killed my son and I lost my husband as we were fleeing. I came alone, traveling with others leaving their villages.

    For the last seven days I have been walking day and night. I’m not able to move any longer. I am so tired, so exhausted! I have eaten nothing for the past two days, only drinking pond water.

    We lost everything in Myanmar. I had gold and jewelry. We had domestic animals – six cows and ten goats. We had lots of chickens, but they were all burned when the military set fire to our house. I miss my son, my husband, our house, animals, the lives we had together. I have many wonderful memories.

    If peace can be restored to Myanmar, and we can be safe and secure, my people will return. – Nuri Begum

    We have no body except God. I have been reciting the Quran the whole day after I left my country and I pray for my country and for my people. May Allah will save us from this greatest misfortune. We did not want to leave our country. We loved our country and our country is like our mother. We had everything there. We had land; we had a fishing boat; we had cattle. We were happy!

    But The Myanmar military killed my husband in front of us and I managed to escape with my two children in the middle of the night, I could not eat rice for 5 days; my two children survived by eating leaves.

    Life is not easy here in these makeshift camps; I need to wait in the line for hours under the hot sun for some relief food. But I feel safe here; my children can eat here. Thank you people of Bangladesh for saving our lives and giving us a shelter ­_ Roksara 30

    I want some food. I haven’t eaten anything since yesterday evening. The Myanmar military killed my only son Hossain, who was the only earning person in our family.

    They burned our homes and seized our cows – and everything we had. I fled for my life, along with fellow villagers. I came to Bangladesh at night, after eight days of walking. I only had some rice and lentils. But that’s now gone and we’re surviving by begging by the roadside.

    I’m still looking for somewhere we can stay. I have been moving from place-to-place. I heard there is a small hill. I can stay up there. But I have no money. I have nothing with me. I need everything – household materials, and plastic sheeting for making a makeshift shelter.

    Our lives in Myanmar were decent. We had land for agriculture, cattle, a vegetable garden, and chickens. We were self-sufficient. Now we have nothing – only God. – Sohura Khatun

    It was eight at night. My family was having dinner together when the Myanmar military suddenly came and set fire to our home. They killed my husband and they killed my brother.The soldiers tore my sister’s clothes off, put a dagger to her throat and started to rape her. After they raped my sister they set her body on fire. It was horrific and we deeply suffered. I have no idea how I managed to escape that night with my children. I carried one of my children on my back and another one on my chest. I am seven-months pregnant.

    It was so painful to walk on the muddy roads; I walked with my children barefoot several days to reach the border with Bangladesh.There was no water and no food. I have no idea how I managed my children and myself along with my seven-month pregnancy. It was raining and the roads were slippery in between the rice fields. I collapsed several times from exhaustion and leg pain. Every day we got wet with rain and dried in the sun. For several days I wore the same dress and even could not bathe. I had to walk for miles and could never take a restful break!

    I saw many women delivering their babies on the roadside in the middle of the night. They were helpless; they were sick; there was no help! There was no food for days._Nesaru

    I don’t know why they killed my little sister Yasmin. She was just one month old. What had she ever done wrong? She was on my lap when the military broke into our room, grabbed her from me and threw her into the fire.

    The Myanmar military shot my mother and father in front of us. They came into the village and started killing people, and then burnt our homes. We fled to the jungle, but the military came and found us so we had to flee again. It took us seven days to get here by walking.

    Before coming here, my elder sister Sanoyara used to play. She was fine, but now sometimes she’s afraid the military will come and kill both of us! – Januka (10)

    The whole day we sat waiting for help. Since morning it had been raining nonstop. Both I and my eleven month old son, Anis, were soaked and he shook from the cold. Everyday I came and sat with my little son by the roadside. Sometimes people would stop in their cars and offer food or money. Food and money meant we would survive another week.

    Myanmar soldiers had pulled my husband by the hair. He held tight to their feet, pleading for forgiveness. But they killed him, and then set his body aflame in front of us.

    I hid myself and my boy in the chicken pen. From there, I watched the soldiers cut my husband’s throat with a knife. I held tight to my child’s eyes so he couldn’t see. I can’t remember when I fainted. When I awoke, everything was burned to ashes.

    Early next morning we managed to escape with others from the village. It took four days to reach the border of Bangladesh. I carried my son on my back. We walked without food. It was painful to carry him without having food or water. Sometimes we drank from ponds and the streams. We ate leaves from the trees. We slept under the open sky. It rained constantly and it was difficult walking without shoes.

    When we reached the river, I gave my gold earrings and chain to the boatman. It took two days and nights to reach the other side. It was rainy and cold at night. We were 25 people in our boat and we held onto each other for protection. There was nothing to eat and the water was rough. My son’s face was pale and horrified! He was holding me tightly all the time. I thought I could not save my son, just as I was not able to save my husband. We felt we were dying that might! _Fatema 19

    https://gmbakash.wordpress.com/2017/11/19/rohingya-refugees-in-bangladesh/

  17. Bangladesh, Myanmar finally sign Rohingya repatriation deal

    Bangladesh and Myanmar finally signed a deal on Rohingya repatriation in Nay Pyi Taw on Thursday with no ending deadline amid high hopes that the forcibly displaced Rohingyas will start returning to their homeland within the next two months.

    The two neighbouring nations struck the deal following a meeting between Foreign Minister AH Mahmood Ali and Myanmar’s State Counsellor Aung San Suu Kyi in the morning at Suu Kyi’s office.

    Foreign Minister AH Mahmood Ali and Myanmar’s Minister for State Counsellor’s office Kyauw Tint Swe signed the instrument.

    They also exchanged ratification of boundary agreement 1998.

    Minister Mahmood Ali made the disclosure of signing the ‘Arrangement on Return of Displaced Persons from Rakhine State’ after they reached a much-sought consensus on the Rohingya repatriation.

    Ali’s meeting with Suu Kyi began at 10:00 am (Myanmar time) and it lasted for 45 minutes.

    Over 0.622 million Rohingyas have crossed over to Bangladesh taking shelter in the country’s Cox’s Bazar district since August 25 amid persecution by Myanmar military in their Rakhine State.

    Referring to the influx of Rohingyas to Bangladesh, Prime Minister Sheikh Hasina told a programme on the outskirts of Dhaka on Thursday that these Myanmar nationals are a burden on Bangladesh and urged Myanmar to start their repatriation soon.

    Bangladesh in its officials meeting on Wednesday raised the issue of keeping a provision for a timeframe over completion of the Rohingya repatriation, a senior official told UNB.

    Bangladesh also sought involvement of the international community, including the UN agencies in verification process.

    Myanmar did not meet Bangladesh’s full expectation on the repatriation timeframe as it only agrees on starting time but not the ending point, a senior diplomat told UNB.

    “We’ve agreed on many things though our expectation is not met fully. It’s not possible in any negotiations,” he said wishing to remain unnamed.

    Another diplomat said Myanmar wants to start the repatriation within the next two months once the deal is signed.

    He said Bangladesh wants to end the Rohingya repatriation by one year though Myanmar keeps it as an open-end one without giving any specific timeframe for completion.

    On involvement of UN agencies in repatriation process, Myanmar shows a bit soft position but nothing will be legally-binding one, an official told UNB.

    Bangladesh and Myanmar, however, agreed on formation of joint working group at foreign-secretary level to start the repatriation process of all Rohingyas.

    “We had a good discussion today (Wednesday). We hope to sign the deal tomorrow (Thursday). It’s now at the final stage,” Foreign Minister AH Mahmood Ali told UNB at hotel lobby after a meeting with Myanmar’s Minister for State Counsellor’s office Kyauw Tint Swe on Wednesday night.

    Foreign Secretary M Shahidul Haque, Bangladesh Ambassador to Yangon M Sufiur Rahman and representatives from Home Ministry and Prime Minister’s Office also attended the meeting on Wednesday.

    Earlier, the Foreign Minister and the Myanmar’s Minister for State Counsellor’s office had a marathon meeting when they discussed various issues of bilateral interest, including the Rohingya issue.

    Soon after the one-to-one lengthy meeting, the Foreign Minister attended the ministerial meeting on ‘Arrangement on Return of Displaced Persons from Rakhine State’.

    Senior Officials Meeting was co-chaired by Permanent Secretary of the Ministry of Foreign Affairs of Myanmar U Myint Thu and Bangladesh Foreign Secretary Md Shahidul Haque.

    Union Minister for the Office of the State Counsellor Kyaw Tint Swe hosted a dinner in honour of visiting Foreign Minister of Bangladesh at Shwe San Eain Hotel in the capital after the meetings.

    US Secretary of State Rex W Tillerson has said the United States will pursue accountability through US law, including possible targeted sanctions on Myanmar if the situation does not improve in Rakhine State.

    “After a careful and thorough analysis of available facts, it is clear that the situation in northern Rakhine state constitutes ethnic cleansing against the Rohingya,” said the US Secretary of State on Wednesday.

    The international community is also watching the talks and its subsequent outcome as they want to see the safe and dignified return of the Rohingyas as quickly as possible.

    Amid mounting international pressure, Myanmar’s de facto leader Aung San Suu Kyi on Tuesday said they have planned to sign a MoU with Bangladesh this week which will enable them to start the repatriation process of all the Rohingyas from Bangladesh to Myanmar.

    “What we’re trying to do is to sign a MoU that will enable us to start the repatriation of all those refugees who’ve gone over the border,” she told a crowded press conference at Myanmar International Convention Centre here.

    European Union High Representative Federica Mogherini, earlier, expressed her hope that Bangladesh and Myanmar will reach a decision to sign a MoU and an agreement on safe repatriation of Rohingyas from Bangladesh.

    She said the EU is supporting this process and will stand ready to accompany this process in the coming week.

    Earlier, the foreign ministers of Asian and European countries, in general, agreed in many areas on Rohingya issue and asked for immediate cessation of hostilities, halting of outflow, early return of externally displaced Rohingyas from Bangladesh.

    They also asked for implementation of recommendations of the Kofi Annan Commission for durable solutions.

    Earlier in the morning, Bangladesh handed over an ambulance to Myanmar authorities for Rakhine State.

    http://thefinancialexpress.com.bd/national/bangladesh-myanmar-finally-sign-rohingya-repatriation-deal-1511429373

  18. Myanmar/Bangladesh: MSF surveys estimate that at least 6,700 Rohingya were killed during the attacks in Myanmar

    Surveys conducted by Médecins Sans Frontières (MSF) in refugee settlement camps in Bangladesh estimate that at least 9,000 Rohingya died in Myanmar, in Rakhine state, between 25 August and 24 September. As 71.7% of the reported deaths were caused by violence, at least 6,700 Rohingya, in the most conservative estimations, are estimated to have been killed, including at least 730 children below the age of five years.

    The findings of MSF’s surveys show that the Rohingya have been targeted, and are the clearest indication yet of the widespread violence that started on 25 August when the Myanmar military, police and local militias launched the latest ‘clearance operations’ in Rakhine in response to attacks by the Arakan Rohingya Salvation Army. Since then, more than 647,000 Rohingya (according to the Intersector Coordination Group as of 12 December) have fled from Myanmar into Bangladesh.

    “We met and spoke with survivors of violence in Myanmar, who are now sheltering in overcrowded and unsanitary camps in Bangladesh. What we uncovered was staggering, both in terms of the numbers of people who reported a family member died as a result of violence, and the horrific ways in which they said they were killed or severely injured. The peak in deaths coincides with the launch of the latest ‘clearance operations’ by Myanmar security forces in the last week of August,” says Dr. Sidney Wong, MSF Medical Director.

    In early November MSF conducted six retrospective mortality surveys in different sections of the refugee settlements in Cox’s Bazar, just over the border from Myanmar, in Bangladesh. The total population of the areas covered by the surveys was 608,108 people; of which 503,698 had fled Myanmar after 25 August.

    The overall mortality rate between 25 August and 24 September of people in households surveyed was 8.0/10,000 persons per day. This is equivalent to the death of 2.26% (between 1.87% and 2.73%) of the sampled population. If this proportion is applied to the total population that had arrived since 25 August in the camps which were covered by the surveys, it would suggest that between 9,425 and 13,759 Rohingya died during the initial 31 days following the start of the violence, including at least 1,000 children below the age of five years.

    The surveys show that of these deaths at least 71.7% were due to violence, including among children under 5 years old. This represents at least 6,700 people, including 730 children. Overall, gunshots were the cause of death in 69% of the violence-related deaths, followed by being burnt to death in their houses (9%) and beaten to death (5%). Among children below the age of 5 years, more than 59% killed during that period were reportedly shot, 15% burnt to death in their home, 7% beaten to death and 2% died due to landmine blasts.

    “The numbers of deaths are likely to be an underestimation as we have not surveyed all refugee settlements in Bangladesh and because the surveys don’t account for the families who never made it out of Myanmar,” Dr. Sidney Wong says. “We heard reports of entire families who perished after they were locked inside their homes, while they were set alight.”

    “Currently people are still fleeing from Myanmar to Bangladesh and those who do manage to cross the border still report being subject to violence in recent weeks,” Dr. Sidney Wong adds. “With very few independent aid groups able to access Maungdaw district in Rakhine, we fear for the fate of Rohingya people who are still there.”

    Consequently, the signing of an agreement for the return of the refugees between the governments of Myanmar and Bangladesh is premature. Rohingya should not be forced to return and their safety and rights need to be guaranteed before any such plans can be seriously considered.

  19. Myanmar army enjoys popularity surge amid Rohingya crackdown

    Activist Nyo Tun spent 10 years as a political prisoner locked away by Myanmar’s military in the notorious Insein prison, where he endured beatings and other cruelty for his efforts to bring democracy.

    “The military government was so brutal for many years,” he said of the former junta, which ruled the country for decades until 2012 and then by proxy four more years — and still has a final say on security matters. “All they knew was how to torture anyone who was against them.”

    Myanmar, long isolated both by choice and by international sanctions, has undergone a transformation in recent years. Another former political prisoner, Nobel Peace laureate Aung San Suu Kyi, was elected the head of a civilian government, which led to the easing of most sanctions and an influx of foreign investment.

    Yet the most striking change may be the majority Buddhist Burman population’s view of its military: An institution once despised has seen its popularity surge alongside a rise in nationalism that has accompanied a crackdown on Rohingya Muslims in Rakhine state in western Myanmar that has left thousands dead and more than 650,000 displaced.

    While most of the outside world is appalled by what U.N. and U.S. officials have called “ethnic cleansing” that has grown into Asia’s worst refugee crisis in decades, many in Myanmar support it. They see the Rohingya as illegal migrants from Bangladesh who are a threat to national security and bristle at international condemnation of rights abuses.

    That includes Nyo Tun, who says he was beaten, slapped, denied food and water and access to the toilet for days during his interrogation.

    “The military dictatorship was in the past and the new military institution is much different,” he said, adding it was unlikely that the military was committing crimes in Rakhine. They are “defending the country and that’s how they get the support from people because it’s all about the national spirit for everyone.”

    Thousands have rallied in cities across the country in support of the troops, known locally as the Tatmadaw. Commander-in-chief Senior Gen. Min Aung Hlaing, who remains constitutionally beyond the control of Suu Kyi’s government, is regularly praised by the public on his official Facebook page.

    The military said in November an internal investigation has absolved its forces of allegations of atrocities. However, citing credible evidence of mass killings, rapes and villages being burned, the U.S. announced last month it had sanctioned Maj. Gen. Maung Maung Soe, who until recently was chief of the army’s Western Command responsible for security operations in Rakhine.

    “Long live the army and commander in chief,” said one recent Facebook comment. “The army has done well for the country, we are very proud of it,” said another. “Thank you for clearing all the Bengali terrorists,” read another.

    Such praise was not only unheard of under the former junta, but it would have been practically impossible. The junta sealed off the country from outsiders for decades and its citizens were not allowed to watch international news let alone have access to the internet. People were prohibited from speaking about politics and rallies were banned.

    The military has been locked in civil wars with ethnic rebels fighting for self-determination and indigenous rights. On the rare occasions when frustrations boiled over into attempted pro-democracy uprisings — such as in 1988 and 2007 — the military responded with overwhelming force that left hundreds dead or imprisoned.

    “The Tatmadaw has gone from the most reviled institution to enjoying a renaissance, at least amongst the ethnic Burman population,” said David Mathieson, an independent political analyst who formerly worked with Human Rights Watch. “This curious adulation comes from a dark place though.”

    Following its trouncing in the 2015 election, when voters sent a clear message that they would no longer tolerate military rule, the army has focused on a “winning formula of violence and vilification of the Rohingya and ethnic rebels,” he said. They also have a “thin veneer” of democratic credibility provided by Suu Kyi’s government.

    The transition to democracy is “working beautifully for them, as remembrance of repression past fades within the general population,” he said.

    Most alarming to many observers is the support the military has gained from the very activists and former political prisoners who once campaigned for the international community’s help in removing the generals from power. They now preach a gospel of nationalism and sovereignty.

    “Because of the international pressure and criticism, people inside Myanmar are even more united under nationalism and people start to get stronger national spirit because this is not just a normal case, this is about the history and politics of our country,” said Ko Ko Gyi, another former political prisoner.

    Rather than find solidarity with the oppressed Rohingya, some have been caught up in bigotry against them. They consider international reports of widespread rape and killings as “fake news.”

    “Look at the appearances of Bengali people and their language and their religion and their facial appearance, how could rape be possible?” Nyo Tun said. “And now the world is pressuring us to accept more than a million of them. This is nationalism. How can we accept these people? We cannot do that.”

    Some former political prisoners believe their colleagues have lost their way.

    “Many people are being used by the army,” said Sithu Maung, a former student activist who spent more than four years in prison. “We have complexity of defining ethnic minority groups and the existence of minorities and these problems cannot be solved overnight. But any human rights activist should never be silent on any human rights violations no matter what kind of people are suffering.”

    Mathieson said the military could find its newfound popularity to be fleeting.

    “When people slowly realize that the military has still not budged on any democratic or constitutional reform, or that their ultra-violent behavior in Rakhine state has isolated the country and driven Myanmar back into the arms of China, resentment could return,” he said.

    https://apnews.com/61b769ea85164d2ca433371321a1e1a6

  20. Buddhist villagers confess to committing crime against humanity
    http://today.thefinancialexpress.com.bd/first-page/buddhist-villagers-confess-to-committing-crime-against-humanity-1518197276

    Reuters Special Report

    Bound together, the 10 Rohingya Muslim captives watched their Buddhist neighbors dig a shallow grave. Soon afterwards, on the morning of Septtember 2, all 10 lay dead. At least two were hacked to death by Buddhist villagers. The rest were shot by Myanmar troops, two of the gravediggers said.

    “One grave for 10 people,” said Soe Chay, 55, a retired soldier from Inn Din’s Rakhine Buddhist community who said he helped dig the pit and saw the killings. The soldiers shot each man two or three times, he said. “When they were being buried, some were still making noises. Others were already dead.”

    The killings in the coastal village of Inn Din marked another bloody episode in the ethnic violence sweeping northern Rakhine state, on Myanmar’s western fringe. Nearly 690,000 Rohingya Muslims have fled their villages and crossed the border into Bangladesh since August. None of Inn Din’s 6,000 Rohingya remained in the village as of October.

    The Rohingya accuse the army of arson, rapes and killings aimed at rubbing them out of existence in this mainly Buddhist nation of 53 million. The United Nations has said the army may have committed genocide; the United States has called the action ethnic cleansing. Myanmar says its “clearance operation” is a legitimate response to attacks by Rohingya insurgents.

    Reuters has pieced together what happened in Inn Din in the days leading up to the killing of the 10 Rohingya – eight men and two high school students in their late teens.

    Until now, accounts of the violence against the Rohingya in Rakhine state have been provided only by its victims. The Reuters reconstruction draws for the first time on interviews with Buddhist villagers who confessed to torching Rohingya homes, burying bodies and killing Muslims.

    This account also marks the first time soldiers and paramilitary police have been implicated by testimony from security personnel themselves. Members of the paramilitary police gave Reuters insider descriptions of the operation to drive out the Rohingya from Inn Din, confirming that the military played the lead role in the campaign.

    The slain men’s families, now sheltering in Bangladesh refugee camps, identified the victims through photographs shown to them by Reuters.

    The dead men were fishermen, shopkeepers, the two teenage students and an Islamic teacher.

    Three photographs, provided to Reuters by a Buddhist village elder, capture key moments in the massacre at Inn Din, from the Rohingya men’s detention by soldiers in the early evening of Sept. 1 to their execution shortly after 10 a.m. on September 2. Two photos – one taken the first day, the other on the day of the killings – show the 10 captives lined up in a row, kneeling. The final photograph shows the men’s bloodied bodies piled in the shallow grave.

    The Reuters investigation of the Inn Din massacre was what prompted Myanmar police authorities to arrest two of the news agency’s reporters. The reporters, Burmese citizens Wa Lone and Kyaw Soe Oo, were detained on December 12 for allegedly obtaining confidential documents relating to Rakhine.

    Then, on Jan. 10, the military issued a statement that confirmed portions of what Wa Lone, Kyaw Soe Oo and their colleagues were preparing to report, acknowledging that 10 Rohingya men were massacred in the village. It confirmed that Buddhist villagers attacked some of the men with swords and soldiers shot the others dead.

    The statement coincided with an application to the court by prosecutors to charge Wa Lone and Kyaw Soe Oo under Myanmar’s Official Secrets Act, which dates back to the time of colonial British rule. The charges carry a maximum 14-year prison sentence.

  21. রোহিঙ্গা নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনায় মিয়ানমারের সমালোচনা

    রোহিঙ্গা প্রশ্নে নিরাপত্তা পরিষদে এক আলোচনায় সদস্য দেশগুলোর সবাই মিয়ানমারের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন।

    মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এই উন্মুক্ত আলোচনায় নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রশংসাও করা হয়।

    সাড়ে তিন ঘণ্টার এই আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, বলিভিয়াসহ ১২টি দেশের স্থায়ী প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। সভাপতিত্ব করেন কুয়েতের রাষ্ট্রদূত শেখ সাবাহ খালিদ আল হামাদ।

    জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনার ফিলিপ্পো গ্রান্দি সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠকে যোগ দিয়ে আলোচনার সূত্রপাত ঘটান।

    তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে সৃষ্ট এ সঙ্কটের সমাধান মিয়ানমারকেই করতে হবে।

    ১০ লাখের মতো রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও একই কথা বলে আসছেন।

    গত ৬ মাসে ৬ লাখ ৮৮ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গার বাংলাদেশ আশ্রয় পাওয়ার তথ্য জানিয়ে গ্রান্দি বলেন, শরণার্থীদের নিরাপদে নিজ আবাস ভূমিতে প্রত্যাবর্তনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আন্তরিক অর্থে সোচ্চার হওয়া দরকার।
    এই দফায় আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলেও প্রত্যাবাসন এখনও শুরু হয়নি। রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আগে তাদের ফেরানোর ক্ষেত্রে আপত্তি রয়েছে জাতিসংঘ সংস্থাগুলোর।

    জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব মিরোস্ল্যাভ জেনকা বলেন, রাখাইন প্রদেশে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে হবে, সেখানে জাতিসংঘ কর্মকর্তাসহ অন্যদের প্রবেশাধিকার দিতে হবে এবং রোহিঙ্গাদের সুরক্ষার নিশ্চয়তা দিতে হবে মিয়ানমার সরকারকে।

    মিরোস্ল্যাভ বলেন, “ইতোমধ্যেই ঘটে যাওয়া নৃশংসতার অনেক ঘটনাই ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। এখনও যারা পৈত্রিক ভিটেমাটি আঁকড়ে রাখার চেষ্টায় রয়েছেন, সেই রোহিঙ্গারা কী ধরনের হুমকি-ধমকি সহ্য করছেন, সেটিও খতিয়ে দেখার অবকাশ রয়েছে।”

    যুক্তরাজ্যের স্থায়ী প্রতিনিধি নিকি হ্যালি মিয়ানমারে গ্রেপ্তার দুই সাংবাদিকের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

    https://bangla.bdnews24.com/world/article1459864.bdnews

  22. masud karim permalink

    ৮০৩২ রোহিঙ্গার তালিকা গেল মিয়ানমারের হাতে

    https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1460850.bdnews

    মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া আট হাজার ৩২ জন রোহিঙ্গার তালিকা ঢাকা সফররত দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট জেনারেল খ শোয়ের হাতে তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

    শনিবার সচিবালয়ে দুই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের বৈঠক হয়।

    বৈঠক শেষে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, সাড়ে ১০ লাখের বেশি মিয়ানমার নাগরিকের তালিকা করা হয়েছে।

    “বৈঠকে তাদের কাছে এক হাজার ৬৭৩টি রোহিঙ্গা পরিবারের আট হাজার ৩২ জনের তালিকা দিয়েছি।”

    ফিরিয়ে নেওয়ার আগে তাদের পরিচয় যাচাই করার কথা মিয়ানমারের কর্মকর্তারা বলেছেন বলে জানান তিনি।

    কবে থেকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে তার সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। তবে অগ্রবর্তী দল হিসাবে দুই দেশের সীমান্তের ‘শূন্য রেখায়’ অবস্থানরত সাড়ে ছয় হাজার রোহিঙ্গাকে ‘শিগগির’ ফেরত নেওয়ার আশ্বাস পেয়েছে বাংলাদেশ।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা যাতে নিজেদের এলাকায় ফিরে যেতে পারেন সে বিষয়ে আলোচনার জন্য ২০ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক সেদেশে যাবেন।

    “সেখানে জেলা প্রশাসক পর্যায়ে মিটিং হবে।”

    আর বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা এই বৈঠকে যে তালিকা দিয়েছেন তা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া দ্রুত শুরুর আশ্বাস দিয়েছেন মিয়ানমারের কর্মকর্তারা।

    “তারপর সিদ্ধান্ত নেবেন কীভাবে নিয়ে যাবেন। তাদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে দুইপক্ষের ঐক্যমত রয়েছে।”

    কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারে জাতিগত নিপীড়নের শিকার রোহিঙ্গাদের ওপর গত ২৫ অগাস্ট নতুন করে সেনাবাহিনীর দমন অভিযান শুরু হলে ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আসতে শুরু করে তারা। এই কয় মাসে সাত লাখের মতো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। আগে বিভিন্ন সময়ে আসা আরও চার লাখের মতো রোহিঙ্গার ভার বহন করছে বাংলাদেশ।

    এই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য গত ২৩ নভেম্বর মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্মতিপত্র সই হয়। এর ভিত্তিতে দুই দেশ যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করে এবং ১৬ জানুয়ারি ওই গ্রুপের প্রথম বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিভিন্ন বিষয় ঠিক করে ‘ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ স্বাক্ষরিত হয়।

    জানুয়ারির শেষ দিকেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যায়।

    ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে বৃহস্পতিবার তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খ শোয়ে। রাতেই রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। সেখানে আলোচনায়ও পর্যায়ক্রমে রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে তার তার দেশের ‘আগ্রহের’ কথা জানান মিয়ানমারের এই সেনা কর্মকর্তা।

    শুক্রবার বেলা পৌনে ৩টায় মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবালয়ে উপস্থিত হলে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভবনের সামনে তাকে সশস্ত্র সালাম জানায় ঢাকা মহানগর পুলিশের একটি দল। পরে ৩টার দিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দুই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে বৈঠক শুরু হয়। বাংলাদেশের পক্ষে মন্ত্রীসহ ১৮ জন এবং মিয়ানমারের পক্ষে ১৫ জন বৈঠকে অংশ নেন।

    সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে বৈঠক শেষ হওয়ার পর মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল সচিবালয় ত্যাগ করেন। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার আলোচনায় ‘খুব আন্তরিকতা’ দেখিয়েছেন মিয়ানমারের কর্মকর্তারা।

    “তারা বলেছেন, ক্রমান্বয়ে এগুলো নিয়ে যাবেন। বলেছেন, যেই এলাকাটিতে তারা (রোহিঙ্গারা) থাকেন সেটা অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এলাকা। এই এলাকায় তারা একটা পরিকল্পনা (প্ল্যান) করছেন। এদেরকে রাখার জন্য তারা একটা ভিলেজ ডেভেলপ করবে।”

    মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন-পুনর্বাসনে তিন ধাপে কাজ করবে জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রথমিক, মাধ্যমিক এবং ফাইনাল পর্যায়ে পুনর্বাসনের জন্য কাজ করবে তারা। প্রথমিক কাজ হচ্ছে, এদের চিহ্নিত করা হবে, দ্বিতীয় পর্যায়ে পুনর্বাসনের জন্য বাড়ি-ঘরের ব্যবস্থা করা এবং তৃতীয় পর্যায়ে তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার পর যেন স্থায়ীভাবে থাকতে পারে।”

    রোহিঙ্গারা ফিরে যাওয়ার পর যাতে অনুকূল পরিবেশ পায় তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘে উত্থাপিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঁচ দফা এবং কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের বিষয়ে তাদের বলা হয় বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল।
    “তারাও এগুলো স্বীকার করে ক্রমান্বয়ে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিয়ে পুনর্বাসনের সুব্যবস্থা করার কথা বলেছে।”

    এখনও রোহিঙ্গা আসার বিষয়টি আলোচনায় উঠেছিল কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “এখনও দিনে ৫০-১০০ এভাবে লোক আসছে, এটাও আমরা বলেছি। তারা সব কিছু স্বীকার করেছেন, বলেছেন- এগুলো তারা বন্ধ করার প্রচেষ্টা নেবেন।”

    বৈঠকে দুই দেশের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক ঘন ঘন করার বিষয়ে মতৈক্য হয়েছে জানিয়ে আসাদুজ্জামান কামাল বলেন, “আমাদের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তারা খুবই পজিটিভ মুডে ছিল।

    “ফেজ বাই ফেজ রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মিয়ানমারও প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদের কথায় আমরা বিশ্বাস করতে চাই, আমাদেরও আস্থা আসছে হয়ত তারা (রোহিঙ্গাদের) নিয়ে যাবে।”

    ইয়াবা চোরাচালান ও সীমান্ত হত্যা বন্ধের আহ্বান

    বৈঠকে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা চোরাচালান বন্ধের তাগাদা দেওয়া হয়েছে বলে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন।

    আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, “ইয়াবা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা বলেছি, তাদের দেশ থেকে যে ইয়াবা আসছে সে কথা, যাতে ইয়াবা আসা বন্ধ হয়। ৪৯টি কারখানার নাম দিয়েছি যেখানে ইয়াবা তৈরি হয়। তারা আমাদের বলেছেন, এই কারখানা তারা বন্ধ করার চেষ্টা করবেন।

    “তারা আমাদের অনুরোধ করেছেন যেন আমরাও তাদের সঙ্গে কাজ করি, এই ইলিসিট ড্রাগ বন্ধ করার জন্য। এই ব্যাপারে দীর্ঘ সময় আলাপ করেছি।”

    এছাড়া সীমান্ত হত্যা বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

    সীমান্তে যে কোনো সমস্যায় তাৎক্ষণিক আলোচনার জন্য বর্ডার লিঁয়াজো অফিস করার বিষয়ে কথা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “এটার অগ্রগতি হয়েছে এবং এটা হবে।”

    বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে ছিলেন- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম ইউনিটের সচিব খোরশেদ আলম, পুলিশের মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ জাবেদ পটোয়ারী, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন, কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক আওরঙ্গজেব চৌধুরী, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মাসুদ রেজওয়ান, ডিজিএফআই’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীন, পুলিশের বিশেষ শাখার অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক শহীদুল ইসলাম, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জামাল উদ্দিন আহমদে, জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সামছুর রহমান, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মান্নান, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক মঞ্জুরুল করিম চৌধুরী, মিয়ানমারে বাংলাদেশ দূতাবাসের ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাশেদুল মান্নান ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক এম মনিরুল ইসলাম।

    মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব উ টিন মিন্ট, পররাষ্ট্র সচিব মিন্ট থো, পুলিশ প্রধান মেজর জেনারেল অং ইউন অ, বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত লইন অ-সহ ১৫ জন সদস্য।

  23. Rohingya influx marks six months, IOM warns of new challenges
    https://thefinancialexpress.com.bd/national/rohingya-influx-marks-six-months-iom-warns-of-new-challenges-1519495048

    Sunday turns out to be the six-month mark since almost 700,000 Rohingyas, mostly women and children, started fleeing violence in Myanmar and arriving in Bangladesh.

    Around half a million people crossed the border in just the first two months after August 25 in one of the biggest and fastest episodes of forced migration the world has witnessed.

    Early images of tens of thousands of frightened and exhausted families filing through muddy paddy fields or crammed into rickety boats during their flight shocked the world, according to the UN’s migration agency – IOM – on Saturday.

    The stories the survivors told of what had been done to them in Myanmar, and to the men, women and children who never made it out alive, were even more shocking.

    Local and international aid organizations, including IOM – which had been assisting smaller numbers of Rohingya in Cox’s Bazar since 2014 – rallied to support the Bangladesh authorities and host community whose generosity in helping the desperate refugees was widely and deservedly acclaimed.

    Most of those early arrivals spent the first days sleeping in the open – unprotected from the rain with no access to food or clean water.

    Six months on, the situation is very different.

    Cox Bazar now hosts what is in effect the world’s largest refugee camp and while conditions remain immensely challenging, people no longer sleep directly exposed to the elements or face imminent starvation.

    IOM and partners have reached around 600,000 people with emergency shelters, according to IOM release.

    Other agencies oversee food rations and specific support for children.

    The joint efforts of IOM and others involved in the emergency response with the Government have provided roads, bridges, drains and latrines – all of which make life safer and a little easier for people in the camps, it said.
    Work has started to create wells in the south of the district where water is often scarce, provide new health facilities and support to existing ones, and begin livelihood opportunities around these and other efforts that will bring benefits to the host community as well as the refugees.
    But there is so much more to be done, said the IOM.
    IOM continues to support those who voluntarily want to return to their homeland and has joined the rest of the UN and much of the international community in calling on Myanmar to ensure a safe, sustainable environment for those Rohingya who wish to go back.
    But for now, conditions in the camps remain desperately over-crowded and far below any kind of international standard for acceptable living conditions, the UN agency noted.
    What was once a forested nature reserve is now a vast sea of tarpaulin and bamboo shelters, built on denuded hills that will rapidly turn to mud during the monsoon season.
    People in the local community, many of whom live in severe poverty themselves, have had to cope with significant upheaval in their daily lives: From major hikes in food prices and firewood shortages, to over-stretched infrastructure and the loss of schools and other buildings which were co-opted during the emergency.
    Between old and recent arrivals, around one million Rohingya now live in the area.
    Work to support the community that is hosting them, and which shares many of the same challenges as the refugees, is crucial if peaceful and constructive cohabitation is to continue in the months ahead.
    Much of the past six months have been spent in emergency mode, trying to ensure people receive the most basic provisions and services they needed just to survive.
    According to UNB, projects are now underway to provide other forms of crucial support.
    These include tackling human trafficking and gender-based violence; programmes to address environmental degradation and initiatives to support local farmers – generating incomes for people in the host community and helping meet the increased demand for food.
    But the threat of another disaster in this ongoing crisis remains ever-present. At the end of last year, a diphtheria outbreak in the camp created an emergency within the emergency.
    It is testament to the combined efforts of the Bangladesh government, the WHO, IOM and other partners, and the immense dedication of health staff on the ground, that the loss of life was far less than initially predicted.
    With the monsoon season starting soon, lives will once more come under threat. Not only from an increase in disease, but also from landslides, flash floods and cyclone conditions, said the IOM.
    IOM, along with the government and other agencies are working against time to help people strengthen their shelters, to develop resilience and first aid and search and rescue skills for when the worst conditions hit.
    Slopes are being shored up, drains and roads constructed, and equipment is being put in place to help keep vital access ways open in muddy and waterlogged conditions.
    Preparations are underway for disease outbreak treatment and medical emergencies.
    But given the sheer number of people involved and conditions on the ground it will be impossible to mitigate against all disaster, said the IOM.
    In the past six months, those involved in supporting the Rohingya Response have shown their abilities to work together during what became the world’s fastest growing refugee crisis.
    IOM, international and local NGOs and donors, the Bangladesh Government and military, the local community and the refugees themselves have all shown their ability to work together during the past six months, it said.
    Now, as nature brings yet further challenges in the weeks and months ahead, more than ever a joint approach will be necessary.

  24. Nazrul Islam: The international medical community must act to help Rohingya refugees in Bangladesh

    The forced displacement of the Rohingya population has a historical root since the late 1970s. Approximately 200,000 Rohingya were displaced to neighbouring Bangladesh in 1978, and about 260,000 in 1991-92. [1] The recent displacement of 400,000-420,000 Rohingya, of which about 240,000 were children, made it by far the largest displacement of Rohingya population. [2] The total Rohingya population living in Myanmar-bordered-Cox’s Bazar peninsula has been estimated to be about 950,000. [3]

    However, despite this, the global public health research community appears to have been embarrassingly silent in this case. A PubMed search between 01/01/2015 and 05/01/2018 with the keyword “Rohingya” yields only 14 articles while a much lower influx of refugees in Europe was featured in almost all major health research publishing outlets. With this apparent selective humanism, The BMJ and the Lancet clearly stand out with their praiseworthy responses to either of these cases.

    Bangladesh, a densely populated country with its own population of over 160 million, has exhibited unprecedented sensibility and warmth in accommodating further refugees despite the practical fear of overcrowding, and food and social crises. Bangladesh must have recalled their own history, when in 1971 more than 1,000,000 of its own people were forced to take refuge in India. [4] There is always a way to give back to the rest of humanity, no matter how poor your GDP is.

    Rohingya refugees in Bangladesh are subject to a multitude of health concerns, making it one of the worst syndemics, referred to as “co-occurrence of health burdens in transitioning populations,” that any population can experience. [5] A host of health concerns, including a lack of safe drinking water, a lack of proper sanitation, malnutrition, overcrowding, and respiratory tract infections, a diphtheria outbreak, poor mental health conditions including post-traumatic stress disorder, and HIV/AIDS have been reported. [3 6-9] Horrendous social forces such as systematic “ethnic cleansing,” crimes against humanity, homelessness, and rape of Rohingya women and girls are further worsening the overall health condition of the population, including their mental health. [2] This is made worse by inadequate access to healthcare services, social/material deprivation, and widespread trafficking of drugs including methamphetamine (locally known as “Ya Ba”). [10]

    At least 83 cases of HIV have been reported in the camp so far. [7] There is a high background prevalence (0.8% of the population; second highest in South East Asia) of HIV in Myanmar with an estimated 200,000-260,000 people living with HIV in 2016. The total number of Rohingya living with HIV has been estimated to be about 5,000. [7, 11, 12] While this portrays an example of classic syndemics around infectious diseases, there are also syndemics of non-communicable diseases, such as diabetes. [5] It is imperative to join the call to extending maximum support to the local health infrastructure in Bangladesh. [9] A well-designed syndemics approach to this crisis is necessary to address both the short- and long-term consequences for this population.

    Conflict of Interest: I declare no competing interests.

    Nazrul Islam is a clinician-epidemiologist and a graduate student at Harvard University. He is currently working as a Research Associate at the MRC Epidemiology Unit, University of Cambridge. Twitter: @Twitty_Naz

  25. রাখাইনে ৯৯ হিন্দুকে মেরেছে আরসা: অ্যামনেস্টি
    https://bangla.bdnews24.com/neighbour/article1497641.bdnews

    রোহিঙ্গা বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি-আরসার হাতে গত বছর অগাস্টে রাখাইনে শিশুসহ অন্তত ৯৯ জন হিন্দু নিহত হয়েছেন বলে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

    মানবাধিকার সংস্থাটি এর আগে রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর মিয়ানমারের সৈন্যদের বর্বরোচিত হামলার চিত্র তুলে ধরেছিল। এবার রাখাইনের বাসিন্দা হিন্দুদের উপর রোহিঙ্গা বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নির্যাতনের চিত্র আনল।

    অ্যামনেস্টি বলছে, রাখাইনের মধ্যে ও বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় তদন্ত করে তারা হিন্দুদের নির্বিচারে হত্যাকাণ্ডের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছেন, যাতে আরও হিন্দু গ্রামবাসীকে অপহরণ ও আইন বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও ঘটে থাকতে পারে।

    মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অ্যামনেস্টির ক্রাইসিস রেসপন্স পরিচালক তিরানা হাসান বলেন, “আরসার কর্মকাণ্ডের নৃশংসতার দিকটি উপেক্ষা করে যাওয়া খুবই কঠিন। তাদের হাত থেকে বেঁচে যাওয়া যেসব ব্যক্তির সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে, তাদের ওপর এই বর্বরতার প্রভাব রয়েছে।“

    রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনীর মানবতাবিরোধী অপরাধের মতো আরসার এই বর্বরতারও জবাবদিহি জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২৫ অগাস্ট সকাল ৮টার দিকে রাখাইনের মংডুর উত্তরাঞ্চলের আহ নুক খা মং সেইক গ্রামে হিন্দুদের ওপর চড়াও হয় আরসা সদস্যরা। কালো পোশাকের সশস্ত্র লোকজনের সঙ্গে সাধারণ পোশাকের স্থানীয় রোহিঙ্গা গ্রামবাসী মিলে হিন্দু নারী, পুরুষ ও শিশুদের ঘিরে ফেলে। তারা ঘর-বাড়ি লুটের পর ৫৩ জন হিন্দুকে চোখ বেঁধে গ্রামের বাইরে নিয়ে হত্যা করে।

    “আরসা যোদ্ধাদের চাপে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে রাজি হওয়ায় আট নারী ও তাদের আট শিশু সন্তানকে তুলে নেওয়ার পর মুক্তি দেওয়া হয়।”

    অ্যামনেস্টি বলছে, বেশ কয়েক দিন পরে আরসা যোদ্ধাদের সঙ্গে ওই হিন্দু বন্দিরা বাংলাদেশে সীমান্তে পালিয়ে আসতে বাধ্য হন। পরে তারা আবার মিয়ানমারে ফেরত যান।

    বীণা বালা (২২) নামে তাদের একজন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকে বলেন, “তাদের কাছে ছুরি ও বড় বড় রড ছিল। তারা আমাদের হাত ও চোখ বেঁধে রাখত। তাদের একজন বলেছিল, ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হওয়ায় আমরাও রাখাইনদের মতো এবং এখানে বাস করতে পারব না। তারা আমাদের বেশ কয়েকবার মারধর করে। এক সময় আমি তাদেরকে আমার সোনার গয়না ও টাকা দিয়ে দেই।”

    বেঁচে আসা ওই আটজনের সবাই বলেছেন, হয় তারা হিন্দু আত্মীয়কে মেরে ফেলতে দেখেছেন অথবা তাদের আতর্নাদ শুনেছেন।

    ফরমিলা নামের এক তরুণী বলেন, অপহৃত অন্য সাত নারীর সঙ্গে তিনি যখন তাদের সঙ্গে যাচ্ছিলেন তখন পেছন ফিরে দেখেন আরসা যোদ্ধারা অন্য নারী ও শিশুদের মেরে ফেলছে।

    “আমি দেখলাম, তাদের কেউ কেউ মাথা ও চুল (নারীর) ধরে আছে এবং অন্যরা ছুরি হাতে। তারপর তারা তাদের জিহবা কেটে ফেলে।”

    ওই গ্রামের ২০ জন পুরুষ, ১০ জন নারী ও ২৩ জন শিশুকে হত্যা করা হয়। এসব শিশুদের মধ্যে ১৪ জনেরই বয়স ছিল আট বছরের নিচে।

    একই দিন অপর ৪৬ হিন্দু নারী, পুরুষ ও শিশু গুম হয়েছিল পাশের ইয়ে বাউক কিয়ার গ্রাম থেকে। আরসা যোদ্ধারা তাদেরও হত্যা করেছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

    গত বছর সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে আহ ন্যুক খা মং সেইক গ্রামে চারটি গণকবর থেকে ৪৫ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। বাকিদের দেহাবশেষের খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি।

    গত বছর ২৬ অগাস্ট মংডু শহরের নিকটবর্তী মিও থু গি গ্রামে ছয় জন হিন্দু খুন হওয়ার পর অন্যান্য ধর্মীয় ও নৃগোষ্ঠীর ওপর হামলা ও হত্যায় আরসার সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে আসে।

    ২৪ অগাস্ট রাতে একযোগে মিয়ানমারের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পরপরই হিন্দুদের ওপর আরসা এই হামলা চালায় বলে অভিযোগ।

    পুলিশ ও সেনা চৌকিতে হামলার পর রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে রোহিঙ্গা বসতিতে দমন অভিযান শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। তাদের নির্বিচার হত্যা, ধর্ষণসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মুখে কয়েক মাসের মধ্যে পালিয়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়।

    • ‘Amnesty report not to affect Rohingya repatriation talks’
      http://thefinancialexpress.com.bd/national/amnesty-report-not-to-affect-rohingya-repatriation-talks-1527088279

      Bangladesh has ruled out any negative impact over the ongoing Rohingya repatriation talks between Bangladesh and Myanmar due to Amnesty International’s (AI’s) new report.

      Foreign Minister AH Mahmood Ali came up with the statement on Wednesday, reports UNB.

      “I don’t think the ongoing discussion (over Rohingya repatriation) will be affected. It (AI’s claim) is nothing logical. Nobody believes it,” he said.

      The minister questioned why the Amnesty International came up with the report so late and said they might have some intention behind it.

      Earlier on Tuesday, a report of Amnesty International claimed Rohingya Muslim militants in Myanmar killed dozens of Hindu civilians during attacks last August.

      “The group called Arsa killed up to 99 Hindu civilians in one, or possibly two massacre,” the AI report claimed.

      Mahmood Ali said the AI talked on many issues but from where they got the information.

      Referring to Myanmar military version who claimed in 2017 that Rohingyas attack with domestic knives, he said with these things how Rohingyas can carry out armed attack?

      Earlier, international analyst Prof Ali Riaz said if the Myanmar military and government try to use this as a justification for their brutal actions and shift the blame to ARSA, it will only reveal their duplicitous nature.

      “It’ll appear very pathetic,” the Distinguished Prof of the Department of Politics and Government at Illinois State University, USA told Dhaka Courier.

      He said the report is disconcerting, particularly to know that common people had been targeted for their religious and ethnic identities. “Such heinous acts should to be condemned unequivocally.”

      Responding to a question on India’s position, Minister Ali said, “This is not correct that India is doing nothing.”

      He said he felt sorry that the same question is raised though he addressed it several times. “May be you do not notice (what I said on India’s position). I’m very sad for that.”

      Asked about the repatriation of Rohingyas, the Foreign Minister said he will not give any timeframe. “But I’m hopeful.”

      He said the entire world is with Bangladesh and pressure on Myanmar is building up. “International pressure is increasing gradually on Myanmar. Things are moving.”

      Bangladesh and Myanmar signed the repatriation agreement on November 23, 2017.

      On January 16, Bangladesh and Myanmar signed a document on ‘Physical Arrangement’ which will facilitate the return of Rohingyas to their homeland from Bangladesh.

      The ‘Physical Arrangement’ stipulates that the repatriation will be completed preferably within two years from the start of repatriation.

  26. Myanmar says willing to take back all Rohingya refugees
    https://www.channelnewsasia.com/news/asia/myanmar-says-willing-to-take-back-all-rohingya-refugees-10334180

    Myanmar is willing to take back all 700,000 Rohingya Muslim refugees who have fled to Bangladesh if they volunteer to return, the country’s National Security Adviser Thaung Tun said on Saturday (Jun 2).

    He was speaking at the Shangri-La Dialogue, a regional security conference in Singapore, where he was asked if the situation in Myanmar’s Rakhine state, where most Rohingya live, could trigger use of the Responsibility to Protect framework of the United Nations.

    The so-called R2P framework was adopted at the 2005 UN World Summit in which nations agreed to protect their own populations from genocide, war crimes, ethnic cleansing and crimes against humanity and accepted a collective responsibility to encourage and help each other uphold this commitment.

    “If you can send back 700,000 on a voluntary basis, we are willing to receive them,” Thaung Tun said. “Can this be called ethnic cleansing?

    “There is no war going on, so it’s not war crimes. Crimes against humanity, that could be a consideration, but we need clear evidence. These serious charges should be proved and they should not be bandied about lightly.”

    Since August 2017, about 700,000 Rohingya Muslims have fled a military crackdown in mainly Buddhist Myanmar, many reporting killings, rape and arson on a large scale, UN and other aid organisations have said.

    The United Nations and aid agencies have described the crackdown on the Rohingya as “a textbook example of ethnic cleansing”, an accusation Myanmar rejects.

    Myanmar and Bangladesh agreed in January to complete the voluntary repatriation of the refugees within two years.

    Myanmar signed an agreement with the United Nations on Thursday aimed at eventually allowing the Rohingya sheltering in Bangladesh to return safely and by choice.

    It also said it would set up an independent commission to investigate “the violation of human rights and related issues” in Rakhine State following the army operation there in response to attacks by Rohingya insurgents on security posts.

    Thaung Tun said that the narrative of what happened in Rakhine was “incomplete and misleading”.

    “Myanmar does not deny that what is unfolding in northern Rakhine is a humanitarian crisis,” he said. “There is no denying that the Muslim community in Rakhine has suffered. The Buddhist Rakhine, Hindu and other ethnic minorities have suffered no less.”

    He said that while the military had the right to defend the country, if investigations showed they had acted illegally, action would be taken.

  27. Bangladesh gives opinion to International Criminal Court on Myanmar’s trial over Rohingya

    https://bdnews24.com/bangladesh/2018/06/07/bangladesh-gives-opinion-to-international-criminal-court-on-myanmars-trial-over-rohingya

    Bangladesh has responded to the queries of the International Criminal Court or ICC over its jurisdiction to run a case against Myanmar in regard to the Rohingya issue.

    State Minister for Foreign Affairs Md Shahriar Alam confirmed this to bdnews24.com on Thursday.

    He said it is in fact mandatory on Bangladesh to respond as it is a member of the Rome Statute.

    “We have provided the information only as requested by the court,” he said, adding that Bangladesh is still committed to settle the matter “bilaterally”.

    He pointed out that Prime Minister Sheikh Hasina floated a five-point plan in New York last year “which is still on the table and we are committed”.

    The ICC last month wrote to Bangladesh asking for its opinion on whether The Hague-based court has jurisdiction to run a case against its neighbour.

    Myanmar is not a member of the criminal court.

    The letter from the pre-trial chamber followed Prosecutor Fatou Bensouda’s application on Apr 9 when she asked the ICC to rule on whether it has jurisdiction over the deportations of Rohingya people from Myanmar to Bangladesh, a possible crime against humanity.

    The pre-trial chamber 1 in the letter, a copy of which was with bdnews24.com, invited the competent authorities of Bangladesh to submit written observations, either publicly or confidentially, on the three specific matters.

    Those are:

    (i) The circumstances surrounding the presence of members of the Rohingya people from Myanmar on the territory of Bangladesh;

    (ii) The possibility of the Court’s exercise of territorial jurisdiction over the alleged deportation of members of the Rohingya people from Myanmar into Bangladesh; and

    (iii) Any other matter in connection with the prosecutor’s request that, in the opinion of the competent authorities of Bangladesh, would assist the Chamber in its determination of this Request.

    “We have provided all the information they asked for and everything that we know from our experience,” State Minister Shahriar Alam said when asked, without clarifying whether Bangladesh suggested that the ICC try Myanmar.

    He said Bangladesh “is a responsive and responsible state. Our action always guided by universal values and laws”.

    Officials, however, earlier indicated that Bangladesh would cite precendences in which ICC tried non-members being recommended by the UN Security Council.

    It happened in cases of Darfur in Sudan and Libya, paving the way for the trial Omar Al-Bashir and Muammar Gaddafi.

    Earlier, Myanmar government expressed “serious concern” on the news about the application by the ICC prosecutor.

    Since August last year, nearly 700,000 Rohingya Muslims have fled a brutal military crackdown in Myanmar, the United Nations and aid agencies have said.

    The refugees have reported killings, rape and arson on a large scale. The United States and the United Nations have described the situation as ethnic cleansing.

    Myanmar has denied nearly all allegations, saying it waged a legitimate counter-insurgency operation.

    The government has said the army crackdown was provoked by the attacks of Rohingya militants on more than two dozen police posts and an army base last August.

    An ICC ruling affirming jurisdiction could pave the way for Prosecutor Bensouda to investigate the deportation of many thousands of Rohingya.

    “This is not an abstract question but a concrete one, affecting whether the Court may exercise jurisdiction … to investigate and, if necessary, prosecute,” Bensouda said in the filing.

    The main reason for doubts about the jurisdiction is that while Bangladesh is a member of the court, but Myanmar is not.

    Bensouda argued that given the cross-border nature of the crime of deportation, a ruling in favour of ICC jurisdiction would be in line with established legal principles.

    The court said the observations of the Bangladesh authorities would assist the chamber in its determinations of the request sub judice.

    রোহিঙ্গা বিতাড়ন: আইসিসির চিঠির জবাব দিয়েছে বাংলাদেশ
    https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1503564.bdnews

    রোহিঙ্গা বিতাড়ন নিয়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনা করা যায় কি না, সে বিষয়ে মতামত চেয়ে হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) পাঠানো চিঠির জবাব দিয়েছে বাংলাদেশ।

    পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বাংলাদেশ যেহেতু রোম সংবিধিতে সই করেছে, সেহেতু আইসিসির চিঠির জবাব দেওয়ার এক ধরনের বাধ্যবাধকতা বাংলাদেশের ছিল।

    “আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত যেসব তথ্য চেয়েছে, আমরা কেবল সেগুলোই তাদের দিয়েছি।”

    শাহরিয়ার আলম বলেন, বাংলাদেশ এখনও মনে করে, মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমেই এ সঙ্কটের সমাধান সম্ভব।

    রোহিঙ্গা সঙ্কটের সমাধানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতবছর নিউ ইয়র্কে যে পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছিলেন, সে দিকে ইংগিত করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিষয়গুলো এখনও আলোচনায় আছে। আর আমরা এ বিষয়ে আন্তরিক।”

    লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে যেভাবে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে বিতাড়িত করা হয়েছে, তার বিচার করার এখতিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের আছে কি না- তা জানতে চেয়েছেন হেগের ওই আদালতের কৌঁসুলি ফাতোও বেনসুদা গত এপ্রিলে একটি আবেদন করেন।
    বিচারিক এখতিয়ার নিয়ে তার এই প্রশ্নের মূল কারণ হল- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক এ আদালতের সদস্য হলেও মিয়ানামার তা নয়।

    আইসিসি বিষয়টি বিচারের এখতিয়ার রাখে বলে রুল পাওয়া গেলে রোহিঙ্গা বিতাড়নের বিষয়ে তদন্ত করার পথ তৈরি হবে বলে ফাতোও বেনসুদার আশা করছেন।

    তার ওই আবেদনের পর বাংলাদেশ সরকারের মতামত চেয়ে গত মাসে চিঠি দেয় আইসিসি। প্রি-ট্রায়াল চেম্বার-১ এর ওই চিঠিতে বাংলাদেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষকে প্রকাশ্যে বা গোপনে তিনটি বিষয়ে লিখিত বক্তব্য দিতে বলা হয়।

    বিষয় তিনটি হল- ১. মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ সীমান্তে চলে আসা এবং তাদের উপস্থিতি ঘিরে সামগ্রিক পরিস্থিতি; ২. রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার থেকে বিতাড়নের যে অভিযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে আইসিসির বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগের এখতিয়ার আছে কি না এবং ৩. প্রসিকিউটরের আবেদনে উল্লিখিত অন্যান্য বিষয়ে যথাযথ বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের মতামত, যা ওই আবেদন বিবেচনায় চেম্বারকে সহায়তা করতে পারে।

    বাংলাদেশ আইসিসিতে মিয়ানমারের বিচারের পক্ষে মত দিয়েছে কি না- সেই প্রশ্নের স্পষ্ট কোনো উত্তর না দিয়ে শাহরিয়ার আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আইসিসি যেসব তথ্য চেয়েছে, আর অভিজ্ঞতা থেকে আমরা যা যা জানি, তার সবই আমরা তাদের জানিয়েছি “

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক আইন ও নিয়ম মেনেই বাংলাদেশ সব কিছু করে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা অবশ্য এর আগে বলেছিলেন, সুদানের দারফুরে ঘটনায় ওমর আল-বশির এবং লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির বিচার আইসিসিতে করার নজির বাংলাদেশ হয়ত চিঠিতে তুলে ধরতে পারে।
    সিরিয়া ও লিবিয়া আইসিসির সদস্য না হলেও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশে হেগের আদালতে ওই দুটি বিচার পরিচালনা করে।

    প্রসিকিউটর ফাতোও বেনসুদা রোহিঙ্গা বিতাড়ন নিয়ে আইসিসিতে বিচারের পথ তৈরির চেষ্টা শুরুর পর ওই খবরে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছিল মিয়ানমার সরকার।

    মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা রাখাইনে তাদের গ্রামে গ্রামে নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ, জ্বালাও-পোড়াওয়ের ভয়াবহ বিবরণ দিলেও মিয়ানমার বরাবরই সেসস অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

    রাখাইনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওই দমন-পীড়নের মুখে গত অগাস্ট থেকে এ পর্যন্ত সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। মিয়ানমারের বাহিনীর ওই অভিযানকে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ হিসেবে বর্ণনা করে আসছে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা।

  28. Rohingya repatriation
    UN special rapporteur questions transparency about MoU
    http://today.thefinancialexpress.com.bd/politics-policies/un-special-rapporteur-questions-transparency-about-mou-1531072694

    UN Special Rapporteur on the situation of human rights in Myanmar, Professor Yanghee Lee, on Sunday questioned the transparency of UN as it failed to give her a copy of the MoU signed between UN and Myanmar on Rohingya repatriation.

    Prof Yanghee said a few weeks after hearing the news of signing the Memorandum of Understanding (MoU) between the government of Myanmar, United Nations Development Programme (UNDP) and United Nations High Commissioner for Refugees (UNHCR), she sent a request to the government of Myanmar through its Permanent Mission in Geneva seeking a copy of the agreement.

    “They did not provide me with a copy but instead shared with me a summary that was prepared by one of the UN agencies. Over the last three weeks, I also made requests in person to senior officials of the United Nations, who despite promises, have not shared a copy of the MoU with me,” a visibly frustrated Lee said while addressing a press conference in the city.

    “I expressed my dismay at the Human Rights Council over the lack of transparency on 27 of June. While I am not aware of the exact terms of the MoU, I am extremely concerned that it has been kept secret, including by the United Nations agencies involved, and urge the parties to make it public,” she added.

    It may be mentioned that the MoU signed between UN and Myanmar aroused controversy as it was alleged that the UN compromised with the demands of the Rohingyas in the text by allowing Myanmar to term them as ‘Bengali Muslims’ instead of ‘Rohingyas’.

    She reiterated her call to try the persons responsible for carrying on atrocities against Rohingyas in Rakhine through investigation.

    She also disclosed that Indian government did not response to her appeal to let her visit India to see the state of the Rohingya refugees who are staying there.

    About her visit to the Rohingya camps in Cox’s Bazar, she said, she heard terrific stories of brutality by the Myanmar forces against the Rohingyas.

    Such incidents of brutality are clear violations of human rights in Rakhine state, she said.

    If the perpetrators are not punished, there will be repetition of such persecution against ethnic minorities, she observed.

    Urging all including Bangladesh to provide Rohngyas with the status of refugees, she said, “The definition of refugees provided by the Article 1 of the 1951 Refugee Convention applies the refugees from Myanmar living in Bangladesh and other countries.”

    “The Rohingyas in Bangladesh fled Myanmar owing to a well-founded fear of persecution and as a result of ongoing persecution by the government and the military for reasons of their ethnicity, race and religion,” she added.

  29. A Genocide Incited on Facebook, With Posts From Myanmar’s Military

    They posed as fans of pop stars and national heroes as they flooded Facebook with their hatred. One said Islam was a global threat to Buddhism. Another shared a false story about the rape of a Buddhist woman by a Muslim man.

    The Facebook posts were not from everyday internet users. Instead, they were from Myanmar military personnel who turned the social network into a tool for ethnic cleansing, according to former military officials, researchers and civilian officials in the country.

    Members of the Myanmar military were the prime operatives behind a systematic campaign on Facebook that stretched back half a decade and that targeted the country’s mostly Muslim Rohingya minority group, the people said. The military exploited Facebook’s wide reach in Myanmar, where it is so broadly used that many of the country’s 18 million internet users confuse the Silicon Valley social media platform with the internet. Human rights groups blame the anti-Rohingya propaganda for inciting murders, rapes and the largest forced human migration in recent history.

    While Facebook took down the official accounts of senior Myanmar military leaders in August, the breadth and details of the propaganda campaign — which was hidden behind fake names and sham accounts — went undetected. The campaign, described by five people who asked for anonymity because they feared for their safety, included hundreds of military personnel who created troll accounts and news and celebrity pages on Facebook and then flooded them with incendiary comments and posts timed for peak viewership.

    Working in shifts out of bases clustered in foothills near the capital, Naypyidaw, officers were also tasked with collecting intelligence on popular accounts and criticizing posts unfavorable to the military, the people said. So secretive were the operations that all but top leaders had to check their phones at the door.

    Facebook confirmed many of the details about the shadowy, military-driven campaign. The company’s head of cybersecurity policy, Nathaniel Gleicher, said it had found “clear and deliberate attempts to covertly spread propaganda that were directly linked to the Myanmar military.”

    On Monday, after questions from The New York Times, it said it had taken down a series of accounts that supposedly were focused on entertainment but were instead tied to the military. Those accounts had 1.3 million followers.

    “We discovered that these seemingly independent entertainment, beauty and informational pages were linked to the Myanmar military,” the company said in its announcement.

    The previously unreported actions by Myanmar’s military on Facebook are among the first examples of an authoritarian government’s using the social network against its own people. It is another facet of the disruptive disinformation campaigns that are unfolding on the site. In the past, state-backed Russians and Iranians spread divisive and inflammatory messages through Facebook to people in other countries. In the United States, some domestic groups have now adopted similar tactics ahead of the midterm elections.

    “The military has gotten a lot of benefit from Facebook,” said Thet Swe Win, founder of Synergy, a group that focuses on fostering social harmony in Myanmar. “I wouldn’t say Facebook is directly involved in the ethnic cleansing, but there is a responsibility they had to take proper actions to avoid becoming an instigator of genocide.”

    In August, after months of reports about anti-Rohingya propaganda on Facebook, the company acknowledged that it had been too slow to act in Myanmar. By then, more than 700,000 Rohingya had fled the country in a year, in what United Nations officials called “a textbook example of ethnic cleansing.” The company has said it is bolstering its efforts to stop such abuses.

    “We have taken significant steps to remove this abuse and make it harder on Facebook,” Mr. Gleicher said. “Investigations into this type of activity are ongoing.”

    The information committee of Myanmar’s military did not respond to multiple requests for comment.

    The Myanmar military’s Facebook operation began several years ago, said the people familiar with how it worked. The military threw major resources at the task, the people said, with as many as 700 people on it.

    They began by setting up what appeared to be news pages and pages on Facebook that were devoted to Burmese pop stars, models and other celebrities, like a beauty queen with a penchant for parroting military propaganda. They then tended the pages to attract large numbers of followers, said the people. They took over one Facebook page devoted to a military sniper, Ohn Maung, who had won national acclaim after being wounded in battle. They also ran a popular blog, called Opposite Eyes, that had no outward ties to the military, the people said.

    Those then became distribution channels for lurid photos, false news and inflammatory posts, often aimed at Myanmar’s Muslims, the people said. Troll accounts run by the military helped spread the content, shout down critics and fuel arguments between commenters to rile people up. Often, they posted sham photos of corpses that they said were evidence of Rohingya-perpetrated massacres, said one of the people.

    Digital fingerprints showed that one major source of the Facebook content came from areas outside Naypyidaw, where the military keeps compounds, some of the people said.

    Some military personnel on the effort suffered from low morale, said two of the people, in part because of the need to spread unfounded rumors about people like Daw Aung San Suu Kyi, the Nobel laureate and Myanmar’s de facto civilian leader, to hurt their credibility. One hoax used a real photo of Ms. Aung San Suu Kyi in a wheelchair and paired it with false suggestions that she had gone to South Korea for Botox injections, the people said.

    The Facebook page of the sniper, Mr. Ohn Maung, offers one example of the military’s tactics. It gained a large following because of his descriptions of the day-to-day life of a soldier. The account was ultimately taken over by a military team to pump out propaganda, such as posts portraying Rohingya as terrorists, said two of the people.

    One of the most dangerous campaigns came in 2017, when the military’s intelligence arm spread rumors on Facebook to both Muslim and Buddhist groups that an attack from the other side was imminent, said two people. Making use of the anniversary of Sept. 11, 2001, it spread warnings on Facebook Messenger via widely followed accounts masquerading as news sites and celebrity fan pages that “jihad attacks” would be carried out. To Muslim groups it spread a separate message that nationalist Buddhist monks were organizing anti-Muslim protests.

    The purpose of the campaign, which set the country on edge, was to generate widespread feelings of vulnerability and fear that could be salved only by the military’s protection, said researchers who followed the tactics.

    Facebook said it had found evidence that the messages were being intentionally spread by inauthentic accounts and took some down at the time. It did not investigate any link to the military at that point.

    The military tapped its rich history of psychological warfare that it developed during the decades when Myanmar was controlled by a military junta, which gave up power in 2011. The goal then was to discredit radio broadcasts from the BBC and Voice of America. One veteran of that era said classes on advanced psychological warfare from 15 years ago taught a golden rule for false news: If one quarter of the content is true, that helps make the rest of it believable.

    Some military personnel picked up techniques from Russia. Three people familiar with the situation said some officers had studied psychological warfare, hacking and other computer skills in Russia. Some would give lectures to pass along the information when they returned, one person said.

    The Myanmar military’s links to Russia go back decades, but around 2000, it began sending large groups of officers to the country to study, said researchers. Soldiers stationed in Russia for training opened blogs and got into arguments with Burmese political exiles in places like Singapore.

    The campaign in Myanmar looked similar to online influence campaigns from Russia, said Myat Thu, a researcher who studies false news and propaganda on Facebook. One technique involved fake accounts with few followers spewing venomous comments beneath posts and sharing misinformation posted by more popular accounts to help them spread rapidly.

    Human rights groups focused on the Facebook page called Opposite Eyes, which began as a blog about a decade ago and then leapt to the social network. By then, the military was behind it, said two people. The blog provided a mix of military news, like hype about the purchase of new Russian fighter jets, and posts attacking ethnic minority groups like the Rohingya.

    At times, according to Moe Htet Nay, an activist who kept tabs on it, the ties of the Opposite Eyes Facebook page to the military spilled into the open. Once, it wrote about a military victory in Myanmar’s Kachin State before the news became public. Below the post, a senior officer wrote that the information was not public and should be taken down. It was.

    “It was very systematic,” said Mr. Moe Htet Nay, adding that other Facebook accounts reposted everything that the blog wrote, spreading its message further. Although Facebook has taken the page down, the hashtag #Oppositeyes still brings up anti-Rohingya posts.

    Today, both Facebook and Myanmar’s civilian leaders said they were keenly aware of the power of the platform.

    “Facebook in Myanmar? I don’t like it,” said Oo Hla Saw, a legislator. “It’s been dangerous and harmful for our democratic transition.”

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: