Skip to content

আল দৌলা আল ইসলামিয়া আল ইরাক আল শাম

July 22, 2016

আমি দায়েশ বলি কিন্তু আমাদের এখানে আইএস-ই বেশি বলে। এখন এই আইএস নিয়ে যখন আপনি ভাববেন, যেটা এখন যার ভাবার দরকার নেই সেও ভাবছে, তখন আপনি কিসের উপর ভিত্তি করে আপনার ভাবনা শুরু করবেন, স্বভাবতই সবার আগে আপনাকে জানতে হবে আইএস কী, আমার আশেপাশের সবাইকে আমি বলতে শুনেছি এটি একটি জঙ্গি বা সন্ত্রাসবাদী সংগঠন, ঠিক এখানটায় সবাই ভুল করছেন, ভাবনার গোড়াতেই ভুল, আইএস কোনো জঙ্গি বা সন্ত্রাসবাদী সংগঠন নয়, তার নামটা খেয়াল করুন, ইসলামিক স্টেট, হ্যাঁ – স্টেট, মানে রাষ্ট্র, রাষ্ট্রটির আমলা আছে, সব প্রতিরক্ষা বাহিনি আছে, নির্বাহী বিভাগ আছে, প্রচার বিভাগ আছে, আইন বিভাগ আছে, বিচার বিভাগ আছে এবং এই রাষ্ট্রযন্ত্রটি বিশ্বব্যাপী ইসলামবাদী জঙ্গি বা সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছে, মানে এই রাষ্ট্রটির পত্তন হয়েছে ও রাষ্ট্রটি পরিচালিত হচ্ছে ইসলামবাদী আদর্শে একটি রাষ্ট্র সৃষ্টি ও এর অস্তিত্ব চারিদিকে ঘোষণা করার লক্ষ্যে, এবং রাষ্ট্রটি তার লক্ষ্যে অবিচল আছে এবং ততদিন থাকবে যতদিন এই রাষ্ট্রটিকে আমরা ধ্বংস করে দিতে না পারব, এবং খেয়াল করবেন, ভাল দিক হচ্ছে যেহেতু এটি রাষ্ট্র কাজেই আমরা যদি একে ধ্বংস করতে পারি, তাহলে খেয়াল রাখতে হবে এই রাষ্ট্রের সব নথিপত্রও যেন আমরা আয়ত্ত করতে পারি, তাহলে এর মধ্য দিয়েই আমরা ইসলামবাদী জঙ্গিত্বকে অনেকাংশে নির্মূল করতে পারব।

এখানে সন্ত্রাসবাদের কোনো ধর্ম নেই জঙ্গিদের কোনো ধর্ম হয় না এসব কথায় কোনো কাজ হবে না বলেই আমি মনে করি, আইএস একটি রাষ্ট্র তার ধর্ম থাক কি না থাক কিছু যায় আসে না, একটি রাষ্ট্রের যতক্ষণ অস্তিত্ব থাকবে সেই রাষ্ট্র ততক্ষণ তার লক্ষ্যের দিকে যেকোনো ভাবেই এগিয়ে যাবে, সেই রাষ্ট্রের লক্ষ্য অন্য কারো পছন্দ না হোক তাতে তার কিছু এসে যায় না।

হ্যাঁ, এই রাষ্ট্রটি এখনো কারো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়নি, কিন্তু রাষ্ট্রটি যদি এভাবে চলতে থাকে তাহলে কারো না কারো কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেতে শুরু করবে না তার নিশ্চয়তা কী, কাজেই তার আগেই আইএস-কে আমরা ধ্বংস করতে না পারলে আমাদের কারোই নিস্তার নেই। একটা কথা বলে রাখি, আইএস-কে বেশিদিন এভাবে চলতে দিলে সবার আগে কোন রাষ্ট্র আইএস-কে স্বীকৃতি দেবে জানেন? ইসরায়েল, লিখে রাখুন। আর এজন্যই সবাইকে আইএস মানে ইসলামিক স্টেট মানে এই অমানবিক রাষ্ট্রটিকে ধ্বংস করতেই হবে, আর আমরা যদি তা না করতে পারি, দেখবেন ধর্মের নামে নামে নিষ্ঠুর সব রাষ্ট্রের পত্তন শুরু হবে এবং তাতে আজকের ইসরায়েল, এই আইএস-এরই জয় হবে এবং আমাদের সবার হবে পরাজয়।

আইএস-এর সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই এটাতে বেশি সময় নষ্ট না করে আইএস-কে ধ্বংস করতে হবে এটাতেই বেশি মনোনিবেশ করা প্রয়োজন আমাদের, সেসাথে এটা ঠিক আছে এই যে সবাই বলছে আমার দেশে আইএস নেই, ঠিকই, আপনার দেশে আইএস নেই, কিন্তু আপনার পৃথিবীতেই আইএস আছে, এটা স্বীকার করুন এবং আইএস ধ্বংস করুন।

কমিউনিটি ব্লগে, আইএস কী

Advertisements
6 Comments
  1. Bangladeshis in IS territory flagged at immigration

    People who have gone to Islamic State (IS) territory in Iraq and Syria using a Bangladeshi passport will be detained when they enter Bangladesh.

    Police have flagged the passports at immigration so that authorities are informed the moment they enter the country, police Counter-terrorism chief Monirul Islam told the Dhaka Tribune on Thursday.

    Law enforcement has never specified a number for how many Bangladeshis are in Islamic State territory, but media reports have revealed the names of at least 33 people, including the 12 members of a British Bangladeshi family.

    Immigration police now have a list of the people who have left the country to join IS and they will be identified if they try to enter the country legally.

    Counter-terrorism sources said it was unlikely that these people would return to Bangladesh legally, but they could try to return through the border.

    At least three IS recruits who have returned to Bangladesh in the last two years have been captured by police, including a woman named Mairuna Parveen, who was sent back from Kamal Ataturk Airport in Turkey on May 5, 2015, following a special diplomatic verbale sent from Dhaka.

    One was captured by the Border Guard Bangladesh while trying to cross the Bandarban border.

    Several non-resident Bangladeshis have also used the country as a transit to get to Syria or Iraq, like the 12-member family of British Bangladeshis.

    http://www.dhakatribune.com/bangladesh/crime/2017/02/02/bangladeshis-territory-banned-returning/

  2. সংকটে আইসিস, কমছে ডোনেশন

    ধারে এবং ভারে, দুই দিক থেকেই সংকটে বিশ্বে সর্ববৃহৎ জঙ্গি গোষ্ঠী আইসিস। সিরিয়া ও ইরাক দখলের পর তেলের খনির টাকায় এতোটাই ধনী হয়ে উঠেছিল সংগঠনটি যে মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বেতন দিয়ে জঙ্গি ভাড়া করছিল তারা। ভারত, মালেশিয়া, পাকিস্তান , বাংলাদেশ থেকে বহু যুবক যোগ দিয়েছিল এই সংগঠনে। সম্প্রতি ইরাক আইসিসের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। মসুলে লাগাতার অভিআন চলছে ইরাকি সেনা। অন্যাদিকে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশ একযোগে প্রতিবাদ চালাচ্ছে। ফলে কিছুটা হলেও পিছু হঠতে হয়েছে আইসিসকে। বাইরে থেকে অনুদান আসাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ব্রিটেনের আইসিএসআর নামে এক সংস্থার সমীক্ষায় উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকার তথ্য। তারা জানাচ্ছে আইসিসি মডেল ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। গত ২ বছরে ৫০ শতাংশ ক্ষতি হয়েছে এই জঙ্গি সংগঠনটির। নতুনকরে কেউ সদস্য হতে চাইছেন না। যাদের ভাড়া করা হয়েছিল, তাদের বেতন দিতে পারছে না আইসিস। ফলে সদস্যের সংখ্যাও কমছে। সেইসঙ্গে লাগাতার সংঘর্ষে অনেক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। মিউনিখের নিরাপত্তা কাউন্সিলের বৈঠকে এমনই তথ্য দিয়েছেন তাঁরা। এখন অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ এই জঙ্গি সংগঠন।

    http://www.aajkaal.in/enewspaper/bistaritakhabar/6/29618

  3. masud karim permalink

  4. masud karim permalink

  5. The deal between Hezbollah and Daesh

    http://www.arabnews.com/node/1153786

    The deal that Hezbollah brokered with Daesh, supported by Damascus, Tehran and probably Moscow, has caused confusion that extends beyond Lebanon’s borders. The deal stipulated the withdrawal of 300 Daesh fighters from Lebanon’s eastern barrens to the Iraqi-Syrian border, in exchange for the release of Hezbollah prisoners, and revealing the fate of Lebanese soldiers taken hostage by the terrorist group.
    In Lebanon, despite Hezbollah’s control over decision-making, many reject the humiliating deal, especially since Hezbollah had previously prevented the state from negotiating over the soldiers or militarily resolving the matter via the national army. Hezbollah has led a propaganda campaign portraying Lebanon’s government and people as affiliated to it, the Syrian regime and Iran.
    The deal has stirred international and regional dismay, including from Iraqi Prime Minister Haider Al-Abadi. In addition, the US-led coalition carried out a strike to prevent the passage of the convoy of Daesh evacuees — a clear sign of Washington’s rejection of the deal.
    Practically, Hezbollah won, but the battle in the barrens, whose details remain unclear, was not a military victory. Hezbollah won because its Lebanese opponents were defeated, and because of a significant change in the regional map. Ever since Hezbollah launched the battle, there has been talk of international and US resentment, yet it achieved what it wanted to.
    When the Lebanese Army was in the midst of battle in Ras Baalbek and Al-Qaa, Hezbollah and the Syrian Army announced their coordination with the Lebanese military despite the latter’s denial. Hezbollah wanted to prove this coordination by announcing the start and end of the battle. With its success, its sponsor Iran can more easily fulfill its regional ambitions.

    Weak Lebanese and Iraqi objections over the transfer of Daesh fighters do not challenge Tehran’s interests. US talk of fending off Iran’s regional influence is not backed by any real accomplishment. There is no political or practical vision to curb this influence. The US-led coalition strike that caused a crater on the road on which the Daesh convoy was passing can only be regarded as Washington’s transient discontent.
    Hezbollah is at the heart of political power in Lebanon, and its orders are always obeyed. Yet the recent speech by its Secretary-General Hassan Nasrallah showed great unease. He attacked all those who oppose what he is doing. Hezbollah’s media has also led a campaign of intimidation and threats. Nasrallah responded to Baghdad’s objections lamely, saying the Daesh fighters were moved from one Syrian region to another.
    Regional and international deals have allowed Hezbollah, Iran and the Syrian regime to control the region and the fate of its peoples. Everyone is talking about victories, but what kind of victories exterminate people and destroy cities while the whole world watches from afar?

  6. Iran’s president declares end of Islamic State

    Iranian President Hassan Rouhani declared the end of Islamic State on Tuesday while a senior military commander thanked the “thousands of martyrs” killed in operations organised by Iran to defeat the militant group in Syria and Iraq.

    “Today with God’s guidance and the resistance of people in the region we can say that this evil has either been lifted from the head of the people or has been reduced,” Rouhani said in an address broadcast live on state TV.

    “Of course the remnants will continue but the foundation and roots have been destroyed.”

    Major General Qassem Soleimani, a senior commander of the elite Revolutionary Guards, also said Islamic State had been defeated, in a message sent on Tuesday to Iran’s supreme leader which was published on the Guards’ news site, Sepah News.

    Supreme Leader Ayatollah Ali Khamenei congratulated Soleimani on the defeat of Islamic State and said it was a blow against Israel, America and its allies, an allusion to Saudi Arabia.

    “It was a blow against the past and current governments of America and the regimes linked to it in the region who created this group and gave them every kind of support so they could expand their malevolent power in west Asia,” Khamenei said in a statement published on his official website.

    In June Islamic State carried out its first attack in Iran, killing 18 people in Tehran, testing the government’s belief that by backing offensives against the group elsewhere in the region it could keep the militant group away from Iran.
    FRONTLINE POSITIONS

    Iranian media have often carried video and pictures of Soleimani, who commands the Quds Force, the branch of the Guards responsible for operations outside Iran, at frontline positions in battles against Islamic State in Iraq and Syria.

    The Revolutionary Guards, a powerful military force which also oversees an economic empire worth billions of dollars, has been fighting in support of Syrian President Bashar al-Assad and the central government in Baghdad for several years.

    More than 1,000 members of the Guards, including senior commanders, have been killed in Syria and Iraq.

    The Syrian conflict has entered a new phase with the capture at the weekend by government forces and their allies of Albu Kamal, the last significant town in Syria held by Islamic State, where Soleimani was pictured by Iranian media last week.

    Iraqi forces captured the border town of Rawa, the last remaining town there under Islamic State control, on Friday, signaling the collapse of the so-called caliphate it proclaimed in 2014 across vast swathes of Iraqi and Syrian territory.

    Most of the forces battling Islamic State in Syria and Iraq have said they expect it to go underground and turn to a guerrilla insurgency using sleeper cells and bombings.

    In his address on Tuesday, Rouhani accused the United States and Israel of supporting Islamic State. He also criticized Arab powers in the region and asked why they had not spoken out about civilian deaths in Yemen’s conflict.

    The foreign ministers of Saudi Arabia and other Arab states criticized Iran and its Lebanese Shi‘ite ally Hezbollah at an emergency meeting in Cairo on Sunday, calling for a united front to counter Iranian interference.

    “DEFENDERS OF THE SHRINE”

    Soleimani acknowledged the multinational force Iran has helped organize in the fight against Islamic State and thanked the “thousands of martyrs and wounded Iranian, Iraqi, Syrian, Afghan and Pakistani defenders of the shrine”.

    He pointed to the “decisive role” played by Hezbollah and the group’s leader Seyed Hassan Nasrallah and highlighted the thousands of Iraqi Shi‘ite volunteers, known as the Popular Mobilisation Forces, who have fought Islamic State in Iraq.

    On websites linked to the Guards, members of the organization killed in Syria and Iraq are praised as protectors of Shi‘ite holy sites and labeled “defenders of the shrine”.

    Rouhani is scheduled to meet Russian President Vladimir Putin and Turkish leader Tayyip Erdogan in Russia on Wednesday to discuss the Syria conflict.

    The Revolutionary Guards initially kept quiet about their military role in both Syria and Iraq but have become more outspoken about it as casualties have mounted. They frame their engagement as an existential struggle against the Sunni Muslim fighters of Islamic State, who see Shi‘ites, the majority of Iran’s population, as apostates.

    Last month, U.S. President Donald Trump gave the U.S. Treasury Department authority to impose economic sanctions on Guards members in response to what Washington calls its efforts to destabilize and undermine its opponents in the Middle East.

    https://www.reuters.com/article/us-mideast-crisis-rouhani-islamic-state/irans-president-declares-end-of-islamic-state-idUSKBN1DL0J5?feedType=RSS&feedName=worldNews&utm_source=Twitter&utm_medium=Social&utm_campaign=Feed%3A+Reuters%2FworldNews+%28Reuters+World+News%29

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: