Skip to content

সময় শুরু এখন

May 4, 2016

এখন আমেরিকা যেসব ব্লগার হামব্লগার*-দের আশ্রয় দেবে যেসব এক্টিভিস্ট হামএক্টিভিস্ট-দের আশ্রয় দেবে তাদেরকে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট অলিখিত আবশ্যিকতায় বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণায় মদত দেবে তাতে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। আমেরিকা এধরনের সুযোগ কখনোই কোনো দেশের খাতিরেই ছাড়ে না, আর বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তো তারা মুখিয়েই থাকে, কারণ তারা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় FDI পার্টনার অথচ বাংলাদেশের জনগনের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ এখনো ১৯৭১এর মুক্তিযুদ্ধে আমেরিকার সরকারের বাংলাদেশ বিরোধী ভূমিকার জন্য এখনো আমেরিকাকে প্রধান আন্তর্জাতিক শত্রু হিসেবেই দেখে, যদিও বাংলাদেশের সেইসব মানুষদের মধ্যে আমেরিকার সাধারণ মানুষদের প্রতি ও আমেরিকায় বসবাসের প্রতি একধরনের আকর্ষণ সবসময়ের জন্যই পরিলক্ষিত হয়, এবং এটা কেরিয়ার জীবনদর্শনের খুব সহজ নিয়মের অন্তর্গত তাই স্বাভাবিকভাবেই এতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু সমস্যাটা হয়, বাংলাদেশ ভারত কিংবা চীন নয়, ভারত কিংবা চীনের আশ্রয়প্রার্থীদের নিয়ে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেটের ঘোঁট পাকানোর চেষ্টা বিরতিহীনভাবে অব্যাহত থাকলেও চীন ও ভারতের সামরিক ও রাজনৈতিক শক্তির বিবেচনায় আমেরিকাকে সবসময় তৈলাক্তবাঁশ মডেলের বিদেশনীতির অনুসরনেই সর্বক্ষণ লেগে থাকতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশের এখনো পর্যন্ত না আছে সেই অর্থে জনগণবাদী আঞ্চলিক সামরিকশক্তি না আছে শক্তমাটির উপর দাঁড়ানো ক্ষমতাধর আধিপত্যের রাজনীতি, কাজেই বাংলাদেশের উপর আমেরিকার ক্ষমতার আধিপত্যের বাণিজ্যিক কূটকচাল কৌটিল্যকথিত পথেই চলবে, এবং এভাবেই আমেরিকার এখনকার সরকার তার আসন্ন সরকারের হাতে সব কলকাঠি তুলে দিতে যথারীতি বদ্ধপরিকর, এবং তার পাশাপাশি আমাদের সরকার ও রাষ্ট্রযন্ত্রের যেখানে যেখানে এখনই ঘুণের উপদ্রব বাড়াতে হবে তার কাজ পূর্ণোদ্যমে শুরু করে দিয়েছে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট। মূলত ২০১৪ সালে গঠিত বাংলাদেশ সরকারকে দুবছর পরেই যে অভিঘাতের পরিকল্পনা ছিল ইউএস সরকারের তার ছকেই এখন চলছে আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি, এবং এমন এক সময়ে যখন ভারত চীন এমনকি রাশিয়াও বাংলাদেশের পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো ভূমিকা নেবে না, কারণ এখন সবাই আমেরিকার পরবর্তী সরকারের আগমনের জন্য অপেক্ষমাণ। সত্যি বলতে ২০১৪ সালের বাংলাদেশ সরকারের সরকার টেকানোর মূল লড়াইয়ের সময় শুরু এখন। আর বাংলাদেশে প্রথাগতভাবেই এই লড়াইটা একমাত্র সরকারপ্রধানের। সরকারপ্রধানকে তাই তৈরি থাকতেই হয়, মানে শেখ হাসিনা তার মতো করেই, আমাদের তার ধরন পছন্দ হোক বা হোক, তৈরি আছেন নিশ্চয়ই, কিন্তু আমরা যারা আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতির কঠোর সমালোচক, আমরা তৈরি আছি তো, নাকি আমরা যেকোনো বাংলাদেশবৈরি ডেভেলপমেন্টেই পিছলে যাব? নাকি যেকারো আঁচলের গোছা ধরে বাঁচতে চেষ্টা করব? সময়ের ভূতের হাতেই আমাদের ভবিষ্যৎ, সেটা সত্য, কিন্তু কতদূর গেলে ভূতের দেখা পাব, এদিকে কোনমূল্যে কোনশক্তিতে শেখ হাসিনা টেকাতে পারবেন তার সরকারকে, আমরা কে থাকব কে থাকব না, কিন্তু আমরা এও জানি এযাত্রায় টিকতেই হবে শেখ হাসিনার সরকারকে। কে কী বলবেন জানি না, আমি কী বলব তাও জানি না, শুধু বলতে পারি সময় শুরু এখন।

* মকর অভিধান

Advertisements
2 Comments
  1. চরমপন্থা মোকাবেলায় সহায়তা দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

    সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা মোকাবেলায় বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।

    দেশটির দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়াল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মোকাবেলায় তথ্য আদান-প্রদানের কথাও বলেছেন তিনি।

    ঢাকা সফররত বিসওয়াল বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান।

    বৈঠকে সাম্প্রতিক গুপ্তহত্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা মোকাবেলায় বাংলাদেশকে সহায়তার জন্য নিজেদের আগ্রহ প্রকাশ করে নিশা দেশাই বিসওয়াল বলেছেন- এ বিষয়ে তাদের বিশেষজ্ঞ রয়েছে।

    সন্ত্রাস মোকাবেলায় অভিজ্ঞতা ও কারগরি সহায়তা দেওয়ার কথাও বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

    ইহসানুল করিম বলেন, বৈঠকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মোকাবেলায় ‘বেটার আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের’ ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। কমিউনিটি পুলিশিং বাড়ানোর কথাও উঠে এসেছে।

    গত মাসে ইউএসআইডির কর্মকর্তা সমকামী অধিকার কর্মী জুলহাজ মান্নান ও তার বন্ধু মাহবুব রাব্বী তনয় হত্যাকাণ্ডের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি।

    সন্ত্রাস দমন মোকাবেলায় সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার জন্য সহকারী বিসওয়ালকে বাংলাদেশে পাঠানোর কথা সে সময় প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন তিনি।

    যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবসের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেন নিশা দেশাই বিসওয়াল।

    সাক্ষাতে বাংলাদেশে সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
    জুলহাজ মান্নানসহ সাম্প্রতিক সময়ে মসজিদের ইমাম, চার্চের পাদ্রিসহ যে সব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে সেগুলোকে ‘সফট টার্গেট’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘সেনসেটাইজেশন’ করতেই ঠাণ্ডা মাথায় এই সব হত্যাকাণ্ড ঘটানো হচ্ছে।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা ও প্রধানমন্ত্রীর প্রাণনাশের জন্য বিভিন্ন সময়ে সন্ত্রাসী হামলার কথা উল্লেখ করে বিসওয়াল বলেছেন, “সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও চরমপন্থা মোকাবলোয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বিশাল অভিজ্ঞতা ও ত্যাগ রয়েছে।”

    সন্ত্রাসী তৎপরতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আগাম কোনো তথ্য থাকলে তা দিয়ে বাংলাদেশকে সহায়তার কথাও বলেছেন শেখ হাসিনা।

    সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তার সরকারের ‘জিরো টলারেন্সের’ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অপরাধীরা অপরাধী এবং সন্ত্রাসীরা সন্ত্রাসীই। তাদের কোনো ধর্ম নেই।”

    অতীতে অন্য দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করতে দেওয়া হলেও বর্তমান সরকার তা বন্ধ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    ক্ষমতায় থাকতে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার সন্ত্রাসবাদ ও উগ্র চরমপন্থাকে মদদ দিয়েছিল অভিযোগ করে শেখ হাসিনা বলেন, “সেসময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও সন্ত্রাসীদের সহায়তা করতে বাধ্য করা হয়েছিল।”

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের রক্ষায় জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ, ২০০৪ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা, ২০০১ সালের নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সহিংসতা এবং দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
    জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশন চলাকালে অভিবাসন সম্পর্কিত একটি উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে কো-চেয়ার করার জন্য শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানান নিশা দেশাই বিসওয়াল।

    ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের আইনের আওতায় এনে বিচার করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

    সাক্ষাতের সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এবং বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট উপস্থিত ছিলেন।

    http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1147016.bdnews

  2. জঙ্গি দেখিয়ে বাংলাদেশকে নিয়ে খেলার চক্রান্ত: হাসিনা

    আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী বাংলাদেশে সক্রিয় বলে প্রমাণ করার চক্রান্তের বিষয়ে দেশবাসীকে সজাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    “অনেকে চাইবে, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস আছে দেখিয়ে দেশটাকে নিয়ে খেলতে। আমি বেঁচে থাকতে এই দেশকে নিয়ে কাউকে খেলতে দেব না,” সংসদে বলেছেন তিনি।

    বাংলাদেশের জঙ্গিরা বিদেশি জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন করছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়াল বলার প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার দশম সংসদের দশম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    গত এক বছর ধরে লেখক, প্রকাশক, অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট, বিদেশি, যাজক, পুরোহিত হত্যাকাণ্ডের বেশ কয়েকটি ঘটনায় আইএস ও আল কায়দার নামে দায় স্বীকারের বার্তা আসে।

    আইএস ও আল কায়দার পাশাপাশি তালেবান যেসব দেশে অস্তিত্বশীল, সেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের নজির রয়েছে।

    বাংলাদেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে ইন্টারনেটে আসা এসব দায় স্বীকারের বার্তাকে ভুয়া বলে উড়িয়ে দিয়ে সরকার বলছে, দেশি জঙ্গিরাই খুন করে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠীর নামে বার্তা ছড়াচ্ছে।

    সন্দেহভাজন জঙ্গিদের হামলায় ইউএসএআইডির কর্মকর্তা জুলহাজ মান্নান হত্যাকাণ্ডের পর পরিস্থিতি দেখতে ঢাকায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী মন্ত্রী বিসওয়াল বৃহস্পতিবার বলেন, বাংলাদেশি জঙ্গিরা বিদেশি জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলছে বলে তারা মনে করছেন।

    গত ২৫ এপ্রিল ঢাকার কলাবাগানে বাড়িতে জুলহাজ ও তার বন্ধু মাহবুব রাব্বী তনয়কে কুপিয়ে হত্যার পর আল কায়দার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখার নামে বার্তা এসেছিল।

    তবে পুলিশ বলছে, নিষিদ্ধ বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলাটিম এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে তারা ধারণা করছে।

    সন্ত্রাস দমনে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে বলেছেন, “আমাদের এই মাটিতে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের স্থান নেই … সন্ত্রাস দমনে যথেষ্ট কঠোর পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি।”

    ধর্মের নামে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, “একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানকে হত্যা করে বেহেশতে যেতে পারবে না, দোজখে যেতে হবে। কারণ, ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম হত্যার লাইসেন্স দেয় না।”

    অপরাধ রোধে ভাড়াটিয়ার তথ্য সংরক্ষণে বাড়িওয়ালের সজাগ করেন সরকার প্রধান।

    সব নাগরিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও শহরে সকলে যেন সজাগ থাকেন। কারও ছেলে-মেয়ে যেন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত না হয়।”

    বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের জন্য বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারকে দায়ী করে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন দেশটা ছিল হত্যা-খুন, দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের দেশ।”

    ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সহিংসতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তারা অনেক মানুষকে গৃহহারা করেছে। কত মেয়ে গ্যাং রেইপ হয়েছে।”

    বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদকে দেখিয়ে সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেন, “এখানে উপস্থিত মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতাও তাদের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাদেরকে সে সময় জেলে পুরে রাখা হয়েছিল।”

    প্রধানমন্ত্রী সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া ও সাংসদ আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যাকাণ্ডের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

    নিজের উপর ২০০৪ সালের ২১ অগাস্টের হামলার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “আমি বেঁচে গেলেও আমাদের নারীনেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন মারা গেছেন।”

    নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী বিএনপি-জামায়াত জোটের সহিংস রাজনৈতিক কর্মসূচির কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    “২০১৩ সালে সরকার উৎখাতের নামে ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছিল। ২০১৪ ও ১৫ সালে প্রায় পাঁচশর কাছাকাছি মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। প্রায় দুই হাজার মানুষ অগ্নিদগ্ধ হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। প্রায় আড়াই হাজার বাস-ট্রাক ও রেল পুড়িয়েছে।”

    http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1147429.bdnews

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: