Skip to content

বোলার মুস্তাফিজকে নিয়ে আমার একটি ছোট্ট নোট

April 2, 2016

আপনি যদি সাধারণভাবে আমাকে মুস্তাফিজ নিয়ে কিছু বলতে বলেন তা হলে আমি বলব, হ্যাঁ মুস্তাফিজ বেশ ভাল বোলার।

218801

কিন্তু যদি আপনি আরেকটু বেশি কিছু জানতে চান তাহলে আমি বলব – দুপায়ের মাঝখানে বল করার জন্য এমুহূর্তে পৃথিবীর সেরা বোলার মুস্তাফিজ, কিন্তু আরেকটু ঝুঁকি নিয়ে কচিৎ কখনো ব্যাট থেকে বেরিয়ে বিপদে ফেলার – পা থেকে বেরিয়ে বিপদে ফেলার ডেলিভারি ওকে শিখতে হবে, যেরকম ওর ন্যাচারাল ব্যাট থেকে ঢুকে বিপদে ফেলার – পা থেকে ঢুকে বিপদে ফেলার ডেলিভারিগুলোকে আরো মাস্টার করতে হবে – আর সর্বোপরি অ্যাথলিট হিসেবে আরো অনেক দূর যেতে হবে, কারণ একমাত্র দুর্দান্ত অ্যাথলিট হয়ে উঠলেই আচমকা মোক্ষম শর্টবল নার্ভাস করে দেয়া ফুলটসবল দেয়া যায়, যেগুলোকে আজকাল অনেকে ঝুঁকির ভয়ে দূরে সরিয়ে রাখে – কিন্তু আমার মতে মোক্ষম শর্টবল নার্ভাস করে দেয়া ফুলটসবল অসম্ভব ভয়ংকর দুটি অস্ত্রই শুধু নয় এগুলো যেকোনো পেস বোলারের অন্য বলের ধারও ব্যাটসম্যানের কাছে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।

Advertisements
8 Comments
  1. ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বদলে দেবে মুস্তাফিজ’

    নিজের ক্যারিয়ার, দল আর বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অথবা সাক্ষাৎকারে অনেক কথাই বলে আসছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। এবার কথা বললেন শুধু একজনকে নিয়েই; আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আবির্ভাবের পর থেকেই যিনি বিস্ময় ছড়িয়ে যাচ্ছেন, আলোড়ন তুলেছেন চলতি আইপিএলেও। মুস্তাফিজুর রহমানের ভেতর-বাহির, প্রতিভা-সামর্থ্য, শঙ্কা-সম্ভাবনা, সব কিছু নিয়েই বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সঙ্গে একান্তে কথা বললেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক।

    প্রশ্ন: আইপিএল দেখছেন? মুস্তাফিজ তো দারুণ করছে!

    মাশরাফি বিন মুর্তজা: আমি শুধু মুস্তাফিজের চার ওভার, আর সাকিবের ব্যাটিং-বোলিং দেখি। মুস্তাফিজের পারফরম্যান্স অবশ্যই প্রত্যাশিত ছিল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই বড় বড় ব্যাটসম্যানরা হিমশিম খেয়েছে ওকে পড়তে। আইপিএলে তো চারজন বিদেশি, সাতজন ভারতীয়। সেখানে আরও ভালো করারই কথা। একটুও অবাক হইনি। ওর কাছে এমন পারফরম্যান্সই প্রত্যাশিত ছিল। আইপিএল শুরুর আগেই একটি সাক্ষাৎকারে আমি বলেছিলাম, মুস্তাফিজ সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হবে, অন্তত সেরা তিনে থাকবেই। আমি এখন সেদিকেই তাকিয়ে।

    আইপিএলে তো মাঠের বাইরেও অনেক ব্যাপার থাকে। প্রথমবার দেশের বাইরে গেল একা একা, ভাষার সমস্যা, এত গ্ল্যামার, এত ভ্রমণ, ভিন্ন একটা জগত। সেখানে এত দ্রুত মানিয়ে নেওয়াতে অবাক হননি?

    মাশরাফি: আমি জানতাম এসব ওর কোনো সমস্যা হবে না। ওর যে ক্রিকেটিং স্কিল আছে, সেটা দিয়েই সে সব ঘাটতি বা আর সব কিছুকে ছাপিয়ে যেতে পারে। মাঠের বাইরে যদি অস্বস্তিতেও থাকে, কিংবা ধরুণ, ১০-১২ দিন যদি অনুশীলন না করে শুধু ঘুমিয়েই কাটায়, তার পরও ম্যাচে গিয়ে ঠিকই ওর স্কিলটা কাজে লাগাতে পারবে। চোখ বন্ধ করে কাটার করতে পারবে। এতটাই সহজাত ওর এই বিশেষ স্কিল। এজন্যই আমার কোনো চিন্তা ছিল না ওকে নিয়ে। আমরা অনেক সময় বলি, অমুক তমুকের চেয়ে কয়েক পদক্ষেপ এগিয়ে আছে। মুস্তাফিজ ওর স্কিল দিয়ে আর সবার চেয়ে অনেক অনেক পদক্ষেপ এগিয়ে আছে।

    আপনারা ওকে কাছ থেকে দেখেন সবসময়। যতটা মনে হয়, আসলেই কি ততটা আনপ্লেয়েবল সে? নাকি ইমপ্রেশনের কারণে অনেক ব্যাটসম্যান সঙ্কুচিত থাকে?

    মাশরাফি: আমি তো বলব, দেখে যতটা মনে হয়, খেলা তার চেয়েও কঠিন! একটা সিম্পল ব্যাপার ভাবুন, সব ব্যাটসম্যানই জানে যে সে কাটার করবে। তার পরও খেলতে পারে না। কেন? প্রথমত ওর কাটারেও অনেক বৈচিত্র। রিস্ট অ্যাকশনের কারণে পড়া কঠিন। আর এখন তো আরও অনেক অস্ত্র আছে ওর। স্লোয়ার আছে, ইয়র্কারে অনেক উন্নতি করেছে। বাউন্সারও করছে। ব্যাটসম্যানরা তাই কনফিউজড থাকে। খেয়াল করে দেখবেন, ওর অনেক ফুল টসেও ব্যাটসম্যানরা রান করতে পারে না। কারণ তারা বুঝে উঠতে পারে না। হয়ত কাটারের জন্য প্রস্তুত থাকে। সব মিলিয়ে ওকে খেলা খুব কঠিন। ১-২টি ছক্কা-চার হয়ত হজম করে, সেটুকু হবেই। এমনিতে সে আসলেই আনপ্লেয়েবল। এবি ডি ভিলিয়ার্সের মত ব্যাটসম্যান ওকে সেট হওয়ার পরও খেলতে পারেনি। বুঝুন!
    ভারতের বেশিরভাগ উইকেটই নিখাদ ব্যাটিং স্বর্গ, ততটা গ্রিপ করে না বল। তার পরও মুস্তাফিজ এত সফল কি বৈচিত্রের কারণেই?

    মাশরাফি: গ্রিপ করলে ওর জন্য ভালো। তবে এখন আর গ্রিপ না করলেও চলে ওর জন্য। যেটা বললাম, এত এত অস্ত্র এখন ডেভেলপ করেছে ও। এখন সে ১৪২-১৪৩ কিমি গতিতে বল করছে, সেটাও ক্রস সিম। আবার স্লোয়ার-কাটারে সেটা ২০ কিমি কমে আসছে। ব্যাটসম্যানের জন্য অ্যাডজাস্ট করা খুব কঠিন। ব্যাটসম্যানরা প্ল্যানই করতে পারছে না, মানসিকভাবে থিতু হতে পারছে না। ইয়র্কারওটাও নিঁখুত করছে। স্টাম্পে ইয়র্কার করছে, ওয়াইড ইয়র্কার করছে।

    ১৪২-১৪৩ কিমি গতিতে বল করছে, এই গতি দেখে অবাক হননি?

    মাশরাফি: বিশ্বকাপেও ১৩৮-১৪০ করেছে। ও যে উন্নতি করছে, সেটার আরেকটি প্রমাণ। গতি বেড়েছে বলে ওর স্লোয়ার ও কাটারগুলি আরও কার্যকর হয়ে উঠেছে। এখনও তো ওর বয়স কম, পেশি ততটা শক্ত হয়নি। আমার বিশ্বাস, গতি ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। অবশ্য ওর যে স্কিল আছে, না বাড়লেও ক্ষতি নেই।

    ইয়র্কারটা এত ভালো করছে দেখে বিস্মিত হননি? কদিন আগেও এত নিখুঁত ছিল না!

    মাশরাফি: এশিয়া কাপ থেকেই কিন্তু ভালো করছে! শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাথিউস-কাপুগেদারাকে ভালো ইয়র্কার করেছে স্লগ ওভারে। বিশ্বকাপেও ভালো করেছে। আইপিএলে যেটা হলো, গ্ল্যামার বেশি এখানে, আলোচনা হয় অনেক। একটি ইয়র্কারে আন্দ্রে রাসেলকে শুইয়ে দিল, যেটা অনেকের চোখে লেগে আছে। এসব কারণে মনে হতে পারে। তবে হ্যাঁ, এটাও ঠিক যে আইপিএলে খুব ভালো অ্যাডজাস্ট করেছে। ওখানে নিয়মিত ম্যাচ খেলছে, এটা চোখে পড়ার কারণ। আর সে সবসময়ই কুইক লার্নার, এটাও দ্রুত শিখছে।
    ‘কুইক লার্নার’ এই কথাটি সবাই বলছে। আইপিএলে তার অধিনায়ক, টিম ম্যানেজমেন্টের অন্যরা, ধারাভাষ্যকার-বিশেষজ্ঞরা, সবাই বলছে মুস্তাফিজের ক্রিকেট ব্রেইন দারুণ। আপনার মূল্যায়ন কি?

    মাশরাফি: এখানে ন্যাচারাল ব্যাপার কিছু তা আছেই। ও খুব দ্রুত সবকিছু ধরতে পারে। বছরখানেক হলো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এসেছে এবং দলে ঢোকার পর থেকেই নিয়মিত খেলছে। কিছু অভিজ্ঞতাও হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা সে খুব ভালো কাজে লাগায়। ব্যাটসম্যানকে দ্রুত পড়তে পারে। আর সৃষ্টিকর্তা তো স্পেশাল একটা উপহার দিয়েছেই, ‘কাটার’। সব মিলিয়ে সে খুব স্মার্ট বোলার।

    আর একটা ব্যাপার হলো, জীবনের সেরা জায়গায় কেউ থাকলে, আস্তে আস্তে মাথা খুলতে থাকে। ক্রিকেট মাঠের পারফরম্যান্সের ইতিবাচক প্রভাব জীবনেও পড়ে। আবার জীবন গোছানো হলে সেটার ইতিবাচক প্রভাব মাঠের পারফরম্যান্সে পড়ে। সব মিলিয়েই হচ্ছে।

    আইপিএলে নিজের ফিল্ডিং মুস্তাফিজ নিজেই সাজাচ্ছেন বেশিরভাগ সময়, একজন তরুণ বোলারের ক্ষেত্রে যেটি খুবই বিরল। বাংলাদেশ দলেও কি এমনটি হয়, নাকি আপনি সাজান?

    মাশরাফি: বাংলাদেশ দলে আমি বা আমরা সবাই জানি যে কিভাবে ওর বলে কিভাব ফিল্ডিং সাজাতে হয়। ওর ফিল্ড প্লেসিং আর সবার চেয়ে একটু আলাদা। একটা জায়গার কথা বলি। স্লগ ওভারে ওর বোলিংয়ে আমি সবসময়ই লং অন না রেখে মিড অন রাখি, আর স্কয়ার লেগ, মিড উইকেট বাউন্ডারিতে দুজন। এমনিতে বিশ্বের আর কোনো বোলারই স্লগ ওভারে মিড অন রাখার সাহস পায় না। কিন্তু মুস্তাফিজের বলে সোজা খেলা খুব কঠিন। কালকেই (শনিবার) দেখলেন, এক ব্যাটসম্যান (নিখিল নাইক) মিড অন দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে আউট হলো। তো এই ব্যপারগুলি তো ডেভিড ওয়ার্নার সেভাবে জানে না। এজন্য হয়ত মুস্তাফিজ নিজেই সাজাচ্ছে। বাংলাদেশ দলে তো আমরা সবাই জানি।
    যতটা দারুণ বোলিং করছে, উইকেট তত বেশি পায়নি। সেটা কি তাকে ব্যাটসম্যানরা খুব সতর্কভাবে খেলছে বলে?

    মাশরাফি: এটা ঠিক, আমি আশা করেছিলাম, এর মধ্যেই ওর অন্তত একবার ৪-৫ উইকেট হয়ে যাবে। কিন্তু উইকেট পাবে কী, সবাই এমনভাবে পরাস্ত হয়, ব্যাটেই তো লাগে না বল! বার বার পরাস্ত হচ্ছে। ম্যাককালামের মত ব্যাটসম্যানও কিছুই বুঝতে পারেনি!

    ওকে সতর্কভাবে খেলার ব্যাপার তো আছেই। উইকেট পাওয়া ভাগ্যেরও ব্যাপার। হয়ত সামনেই এক ম্যাচে অনেক উইকেট পেয়ে যাবে। আমার বিশ্বাস, সামনে আরও ভালো করবে। আগেই বলেছি, সেরা তিনে দেখার আশা করছি।

    এখনও পর্যন্ত তার সেরা পারফরম্যান্স কিংবা সেরা ডেলিভারি, কোনটি বলবেন?

    মাশরাফি: আমি খুব করে অপেক্ষায় ছিলাম, এবি ডি ভিলিয়ার্সের সামনে মুস্তাফিজ কেমন বোলিং করে। জানতাম, কোনো ব্যাটসম্যান ওকে ঠিকভাবে খেলতে পারবে না। তবে সেট হয়ে যাওয়া ডি ভিলিয়ার্সের চেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাটসম্যান এই মুহূর্তে বিশ্ব ক্রিকেটে আর কেউ নেই। আমার তাই নিজের মনেই প্রশ্ন ছিল, ডি ভিলিয়ার্সের সামনে কেমন করবে। সেই ডি ভিলিয়ার্সকেই মুস্তাফিজ যখন ২ বলেই আউট করে দিয়েছে, এরপর ওকে নিয়ে আমার আর কোনো সংশয়-প্রশ্নই নেই। এই কারণে ওই উইকেট স্পেশাল।
    তবে সেরা ডেলিভারি বললে, যেহেতু ওর কাছ থেকে এমন নিখুঁত ইয়র্কার অনেকেই আশা করেনি এবং ব্যাটসম্যান বল ঠেকাতে গিয়ে পড়েই গেছে, সব মিলিয়ে আন্দ্রে রাসেলের উইকেটিই।

    জনমনে প্রবল ভয়, প্রশ্ন; আইপিএল খেলায় মুস্তাফিজের কারিকুরি যদি সবাই ধরে ফেলে!

    মাশরাফি: যুক্তি আছে, কিন্তু এই যুক্তির কোনো মূল্য নেই! পৃথিবীর নিয়মই এমন। বুঝে ফেলবে বলে কি মুস্তাফিজ না খেলে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকবে! ও যেটা করতে পারত, সেটা খুব ভালোভাবে করছে। কাটার ওর আল্লাহপ্রদত্ত, কিন্তু শুধু সেটা নিয়েই বসে নেই। আরও অনেক কিছু ডেভেলপ করেছে, ইয়র্কার, বাউন্সার, ক্রস সিম ডেলিভারি। আরও উন্নতি করবে। এসবে ওর কাটারও কিন্তু আরও কার্যকর হয়েছে। ব্যাটসম্যানরা বুঝে উঠতেই পারছে না। কাজেই শঙ্কার কিছু নেই। বরং আরও ধারালো হয়ে উঠবে সে।

    ডানহাতি ব্যাটসম্যানের জন্য ভেতরে ঢোকা বলটি শিখতে পারলে তো আরও দারুণ হয়!

    মাশরাফি: সীমিত ওভারে খুব জরুরি মনে করি না আমি। হ্যাঁ, ওয়ানডেতে নতুন বলে বল করলে তখন কয়েক ওভারে এটা খুব কার্যকর হতে পারে। তবে ওকে আমরা মূলত বোলিং করাই একটু পরে, ‘সেমি-নিউ’ বলে ও সবচেয়ে বেশি কার্যকর। সীমিত ওভারে ওর ভেরিয়েশনই যথেষ্ট। তবে টেস্টের জন্য ভেতরে ঢোক বল লাগবেই, কারণ টেস্টে কাটার এতটা কার্যকর হবে না।
    তবে ওর বয়স মাত্র ২০, এখনই অনেক অনেক অস্ত্র আছে। তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আস্তে আস্তে সব শিখে যাবে।

    কিন্তু এত খেলার ধকল মুস্তাফিজ কতটা সইতে পারবে? ওকে সামলানো কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং কার দায়িত্ব কতটা?

    মাশরাফি: ভবিষ্যতের পথচলায় এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিজের দেখভাল নিজেকেই সবচেয়ে বেশি করতে হয়। মুস্তফিজ সেটা খুব ভালোভাবেই পারে। জিম করে, খুব নিয়ম মেনে চলে। খুবই গোছানো ছেলে। এই জায়গাটায় তাই আমার চিন্তা কম।

    দুর্ভাবনা অন্য জায়গায়। আমার নিশ্চিত বিশ্বাস, বিশ্বের সব লিগে বা টুর্নামেন্টে এখন মুস্তাফিজের প্রবল চাহিদা থাকবে। এই জায়গাটাতেই নিজের ভালো বুঝতে হবে ওকে এবং ওর পরিবারকে। এর মধ্যেই সে দুই দফা ইনজুরির ধকল সামলেছে গত কিছু দিনে। গত ১ বছরে টানা খেলার মধ্যে আছে। বিশ্বকাপ থেকে আইপিএলে গেল। সেখান থেকে ঢাকা লিগে ২-৩টি ম্যাচ খেলতেও পারে। সেখান থেকে সাসেক্সে খেলতে যাবে। আমাদের ভারত সফর আছে, এরপর দেশের মাটিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ। তারপর নিউ জিল্যান্ড সফর। বিশ্রামটা পাচ্ছে কোথায়?
    আমি তাই বলব, ওকে খুব সতর্কভাবে ঠিক করতে হবে, কোনটা খেলবে, কোনটা খেলবে না। কারণ দিনশেষে এসব টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে আর্থিক লাভ ছাড়া ক্রিকেটীয় লাভ খুব বেশি নেই। পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে ওর আর্থিক দিকটা অবশ্যই দেখতে হবে। আইপিএল স্বাভাবিকভাবেই খেলতে চাইবে, বিপিএল তো আমাদের লিগ। এর বাইরে আর্থিকভাবে খুব লাভবান হবে, এমন লিগেই শুধু খেলা উচিত। সেটাও নিজের শরীরের সঙ্গে আপোশ না করে।

    ওর পরিবার, আশেপাশের লোকজন, আমাদের বোর্ড, সবারই দায়িত্ব আছে। মেশিনও বিশ্রাম না পেলে নষ্ট হয়ে যায়; ওর শরীর তো মেশিন নয়! মুস্তাফিজ বাংলাদেশের সম্পদ, এটা বুঝতে হবে। ওর কাছ থেকে সর্বোচ্চ সার্ভিস যেন বাংলাদেশ পায়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। অন্তত ১০-১২ বছর যেন বাংলাদেশের হয়ে খেলতে পারে। আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বদলে দেবে মুস্তাফিজ।

    http://bangla.bdnews24.com/cricket/article1141737.bdnews

  2. মুস্তাফিজকে শোয়েব আকতারের পরামর্শ

    তাকে নিয়ে কৌতুহলের অন্ত নেই। তার কাটার, ইয়র্কার, স্লোয়ারে পরাস্ত হননি এমন ব্যাটসম্যান খুব কম পাওয়া যাবে। অভিষেকে আলো ছড়ানো মুস্তাফিজ এখন আইপিএলের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে নজরকাড়া পারফরম্যান্স করে চলেছেন।

    গতকাল রাতে দিল্লির কাছে তার দল হেরেছে একেবারে শেষ বলে এসে। চার ওভারে মুস্তাফিজ দিয়েছেন মাত্র ২৪ রান। এখন পর্যন্ত দলের সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলার তিনি। কালসহ মুস্তাফিজুরের উইকেট সংখ্যা এখন ১৫টি। ১৩ ম্যাচ খেলে ফেললেও বাংলাদেশের কাটার মাস্টারকে বুঝে উঠতে পারছেন না কেউই।

    আর এখনেই মুস্তাফিজকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখছেন কিংবদন্তী পাক স্পিডস্টার শোয়েব আকতার। মুস্তাফিজের প্রশংসা করে এই তারকা বোলার আরো বলেন, ‘মুস্তাফিজ এমন একজন বোলার, যে কিনা মুহূর্তেই ব্যাটসম্যানদের পড়ে ফেলতে পারে। ম্যাচের পরিস্থিতি যাই হোক না কেন বোলিংয়ের লাগামটা সে তার নিয়ন্ত্রণেই রাখে।’

    তবে মুস্তাফিজকে বোলিংয়ে আরো বৈচিত্র্য আনার পরামর্শ দিয়েছেন শোয়েব। ‘এখন পর্যন্ত বেশ সফল সে। দলগুলো তার খেলা দেখছে। তার বোলিং নিয়ে বিশ্লেষণও শুরু করে দিয়েছে তারা। সামনের দিনগুলোতে বোলিংয়ে আরো নতুনত্ব আনতে হবে ফিজকে।’

    এবারের আইপিএলে দুই-এক ম্যাচে এক ম্যাচে বেশ কিছু রান দিয়েছেন মুস্তাফিজ, তখন অনেকে সমালোচনা করে বলেন যে, মুস্তাফিজ যাদু শেষ হতে চলেছে। তবে এমনটি মনে করছেন না শোয়েব। তিনি বলেন, ‘ভারত-পাকিস্তান অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের বেশ ভুগিয়েছে সে। একটা ম্যাচ খারাপ করলেই তাকে খারাপ বোলার বলা যাবে না।’

    মুস্তাফিজকে বোলিংয়ের ক্ষেত্রে পরামর্শ দিতে গিয়ে শোয়েব বলেন, ‘ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের ক্ষেত্রে ‘এরাউন্ড দ্য উইকেটে’ বল করা উচিত তার। এতে সে উইকেট থেকে আরো বেশি সহায়তা পাবে এবং বলগুলো ব্যাটসম্যানদের আরো সমস্যায় ফেলবে।’

    http://bangla.samakal.net/2016/05/21/213627

  3. সম্ভবত সবচেয়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাওয়া বাংলাদেশী ক্রিকেটারের নাম মুস্তাফিজুর রহমান। সাতক্ষীরার এই ছেলেটি খুব দ্রুতই বিশ্বক্রিকেটে নিজের এবং বাংলাদেশের অবস্থান আগের চেয়ে অনেক উঁচুতে নিয়ে যেতে পেরেছে।
    http://www.tutorialsbangla.com/2016/05/mustafizur-rahman.html

  4. কোচ ঠিক সময়ে ঠিক ভাবনাতেই সময় দিচ্ছেন, আমিও বারবার বলে আসছি মুস্তাফিজের বলে সময় নিয়ে ধরে ধরে বৈচিত্রকে তার বোলিং চরিত্রে ঢুকিয়ে দেয়ার কথা, সময় আছে কোনো তাড়া নেই, কিন্তু শুরুর সময় এখনই।

    ==========

    কোচের ভাবনায় টেস্টের মুস্তাফিজ

    ওয়ানডে ক্রিকেটে আবির্ভাবেই গলায় পড়েছেন রেকর্ডের মালা। টি-টোয়েন্টিতে স্বল্প পথচলাতেই হয়ে উঠেছেন বিশ্বসেরাদের একজন। রঙিন পোশাকের ঔজ্জ্বল্যে অনেকেরই ভাবনায় নেই সাদা পোশাকের মুস্তাফিজুর রহমান। তবে এ নিয়ে ভাবতে শুরু করেছেন বাংলাদেশ কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহে।

    গত বছরের জুলাইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট ক্যাপ মাথায় পড়েছিলেন মুস্তাফিজ। ৪ উইকেট নিয়ে বৃ্ষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে হয়েছিলেন ম্যাচ সেরা। বৃষ্টির পেটে যাওয়া পরের টেস্টে বলই হাতে নিতে পারেননি।

    এরপর আর টেস্ট খেলেনি বাংলাদেশ। এই সময়ে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে ধারাবাহিক সাফল্যে মুস্তাফিজ হয়ে উঠেছেন সীমিত ওভারের ক্রিকেটের বিস্ময়। তবে সামনের কয়েক বছরে বেশ কিছু টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। অনেকগুলিই দেশের বাইরে। কোচ তাই ভাবতে শুরু করেছেন টেস্টের মুস্তাফিজকে নিয়ে।

    মঙ্গলবার বিসিবিতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে হাথুরুসিংহে বললেন, মুস্তাফিজকে ফিট রাখাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

    “সে দুটি টেস্ট খেলেছে। একটিতে চার উইকেট নিয়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছে। শুরুটা ভালো তবে সামনে ওর অপেক্ষায় চ্যালেঞ্জ। ওকে ফিট থাকতে হবে, ওর দিকে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।”

    অ্যাকশন আর কব্জির ভেল্কিতে দুর্বোধ্য স্লোয়ার ও কাটার, সঙ্গে নিখুঁত ইয়র্কারে ব্যাটসম্যানদের মাথা ব্যাথর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন মুস্তাফিজ। তবে বাস্তবতাটাও জানেন কোচ। জানেন যে রহস্য আস্তে আস্তে ধরে ফেলবে প্রতিপক্ষ। সেটির জন্য মুস্তাফিজকে প্রস্তুত করে তোলার তাগিদ জানালেন হাথুরুসিংহে।
    “আমরা সবাই জানি, তার রহস্য হয়ত খুব দ্রুতই সবাই বের করে ফেলবে। আমি তাকিয়ে আছি তার বুদ্ধিদীপ্ত ক্রিকেটের দিকে। আমরা তার লড়াইয়ে থাকার পথ খুঁজে বের করব। আমাদের চ্যালেঞ্জ তার খেয়াল রাখা, উন্নতি করানো এবং বাংলাদেশের জন্য তৈরী রাখা।”

    এই বছর ৩টি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। আগামী বছর নিশ্চিত করেই খেলবে অন্তত ৮টি টেস্ট। সেই সংখ্যা বাড়তেও পারে।

    http://bangla.bdnews24.com/cricket/article1161485.bdnews

  5. ‘মুস্তাফিজকে এখন কষ্ট করে উইকেট নিতে হবে’

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মধুচন্দ্রিমার পালা শেষ। এবার সংসারের নিত্য টানাপোড়েন সামলে সুখের মুখ দেখার চ্যালেঞ্জ। মাশরাফি বিন মুর্তজার মতে, মুস্তাফিজুর রহমানের জন্য এখন এটাই বাস্তবতা। উইকেট নিতে হবে কষ্ট করে।

    মাশরাফি যেদিন মুস্তাফিজকে নিয়ে বলছেন, ঠিক তার আগের দিনই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দু বছর পূর্ণ হয়েছে তার। ২০১৫ সালের ২৪ এপ্রিল পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি অভিষেক। ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে ২ উইকেট। পরের মাসেই ওয়ানডে আবির্ভাবে প্রথম দুই ম্যাচে ৫ ও ৬ উইকেট।

    এরপর টেস্ট অভিষেকেও হলেন ম্যাচ সেরা। জিম্বাবুয়ে সিরিজে আবার নিলেন ম্যাচে ৫ উইকেট। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পেল নতুন এক তারকা।

    তবে সুসময় হারিয়েও গেছে কিছুদিন পরই। পেসারদের সবচেয়ে বড় শত্রু চোট বসিয়েছে শক্ত থাবা। অস্ত্রোপচার করা হয়েছে কাঁধে। দীর্ঘ পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষে ফেরার পর আর দেখা মিলছে না শুরুর সেই মুস্তাফিজের।

    বড় অস্ত্রোপচারের ধাক্কা সামলে পুরো ছন্দে ফিরতে সময় লাগাটা অস্বাভাবিক নয়। তবে মুস্তাফিজের সময়টা একটু বেশিই লাগছে। শ্রীলঙ্কা সফরের শেষ ম্যাচে চার উইকেট নিয়েছেন বটে। তবে তার বোলিংয়ে আগের সেই আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন এখনও পড়ছে না।

    আসছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশের ভালো করার অন্যতম পূর্বশর্ত মুস্তাফিজের ছন্দে ফেরা। ইংল্যান্ডের উইকেট-কন্ডিশন মুস্তাফিজের পক্ষে থাকবে। তবে সবচেয়ে বেশি জরুরি তার নিজের আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া।

    মাশরাফি অবশ্য খুব উচ্চাশা করছেন না মুস্তাফিজকে নিয়ে। বাস্তবতা বুঝতে পারছেন অধিনায়ক। দেশ ছাড়ার আগের দিন মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে সবাইকে মনে করিয়ে দিলেন সেই বাস্তবতা।

    “আমার মনে হয়, ওর সঙ্গে এই মুহূর্তে যা হচ্ছে, সেটা স্বাভাবিক। এর আগে ও যেটা পেয়েছে, সেটা অস্বাভাবিক ছিল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এসেই ৪/৫ ম্যাচে ৩০ উইকেট অবিশ্বাস্য ব্যাপার। এখন যা হবে, ওকে কষ্ট করে উইকেট নিতে হবে। ওকে পড়তে পারছে ব্যাটসম্যারা। প্রত্যেকটা দলে সেরা পর্যায়ের কম্পিটার অ্যানালিস্ট থাকে। ওর সব শক্তির দিক ওরা বের করছে।”
    “মুস্তাফিজের জন্য আরও বড় সমস্যা যা তৈরি হয়েছে, সেটা হচ্ছে চোট। তিন-চার মাস হল চোট থেকে সেরে উঠেছে। ওর বয়সও মাত্র ১৯/২০। সব কিছু মিলিয়ে ওর দিকে যদি তাকান, ওর জন্য পরিস্থিতি খুব কঠিন এখন।”

    তবে বাস্তবতা কঠিন মানেই আশার শেষ নয়। বরং ভবিষ্যতের পথচলায় মাশরাফির বাজি মুস্তাফিজই। অধিনায়কের শুধু অনুরোধ, ভার চাপিয়ে যেন মুস্তাফিজের কঠিন সময় আরও কঠিন করে তোলা না হয়।

    “এই সময়ে আমরাও যদি ওকে একইভাবে চাপে রাখি তাহলে ওর জন্য কাজ আরও কঠিন হবে। ও এরই মধ্যে প্রমাণ করেছে, ভবিষ্যতের জন্য বাংলাদেশের বড় সম্পদ। ওকে যদি আমরা রিল্যাক্সড রাখতে পারি, ওর প্রতি আমাদের না চাপিয়ে যদি বাস্তবতা ভাবি, আমার মনে হয়, ও আগামী ১০ বছরের জন্য আমাদের দারুণ সম্পদ হবে।”

    এখনই অবশ্য দলের সঙ্গে যাচ্ছেন না ইংল্যান্ড। আপাতত তিনি আইপিএল খেলতে ভারতে। ইংল্যান্ডে প্রস্তুতি ক্যাম্পের শেষ দিকে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন বাহাঁতি পেসার।

    http://bangla.bdnews24.com/cricket/article1325380.bdnews

  6. masudkarim permalink

    ওয়ালশের ক্লাসে মুস্তাফিজ
    http://bangla.bdnews24.com/cricket/article1366181.bdnews

    সকালের রানিং আর জিম সেশন তখন শেষ। ফিটনেস ক্যাম্পে থাকা ক্রিকেটারদের কেউ কেউ তখন বিশ্রাম নিচ্ছেন। কেউ বা আরেকটু সময় কাটাচ্ছেন জিমে। একাডেমি মাঠে নিজের মত করে ব্যাটিং-বোলিং করছেন কেউ কেউ। একমাত্র একজনই কেবল তখন আলাদা। মুস্তাফিজুর রহমান ছিলেন ইনডোরের পাশের নেটে। তার সঙ্গে কোর্টনি ওয়ালশ।

    মঙ্গলবার সকালে মুস্তাফিজের সঙ্গে বেশ অনেকটা সময় কাটালেন ওয়ালশ। কাজ করলেন একান্তে ও নিবিড়ভাবে। বাঁহাতি পেসারকে নিয়ে আগের দিনও সময় কাটিয়েছেন বাংলাদেশের বোলিং কোচ। আলাদা করে কাজ করবেন আরও কিছুদিন।

    কাজের উদ্দেশ্য, ধরন বা এই জাতীয় কিছুই বিশদ বলতে চাইলেন না দুজনের কেউ। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে ওয়ালশ শুধু এটুকু বললেন, “সবকিছুই ঠিকঠাক চলছে। ওর উন্নতি হচ্ছে ভালোভাবেই।”

    বাইরে থেকে দেখে যতটুকু বোঝা গেল, দিনের সেশনে মুস্তাফিজকে বোলিং ক্রিজের ব্যবহার দেখাচ্ছিলেন ওয়ালশ। এক দফায় মুস্তাফিজ বোলিং করেছেন স্টাম্প থেকে একটু দূরে। পরে স্টাম্পের কাছে।

    ডান হাতি ব্যাটসম্যানের জন্য ভেতরে ঢোকানো ডেলিভারি নিয়েও কাজ করতে দেখা গেল। ডেলিভারি স্ট্রাইডে সামনে পায়ের অগ্রভাগ কোন মুখী থাকবে, সেসময় হাত ও মাথার অবস্থান কোথায় থাকবে এবং কাঁধ কতটুকু ঝুঁকবে, মুস্তাফিজকে সেসব বারবার দেখিয়ে দিচ্ছিলেন ওয়ালশ।

    মুস্তাফিজ বোলিং করেছেন ছোট্ট রান আপে, কয়েকটি পদক্ষেপে। স্রেফ ডেলিভারির জন্য অ্যাকশন রপ্ত করা আর জায়গামত বল ফেলাই ছিল চাওয়া।
    কাঁধের অস্ত্রোপচার থেকে ফেরার পর শুরুর সেই সেরা চেহারায় খুব একটা দেখা যায়নি মুস্তাফিজকে। নিউ জিল্যান্ডে দুই ওয়ানডেতে চার উকেট নিলেও চেনা ছন্দে দেখা যায়নি।

    এরপর শ্রীলঙ্কা সফরে অবশ্যই ভালোই করেছেন। ৩ ওয়ানডেতে নিয়েছিলেন ৬ উইকেট। যদিও নিজের মানে ছিলেন খরুচে। শেষ টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য ৪ উইকেট নিয়েছেন।

    এরপর আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজেও ভালো বোলিং করেছেন মুস্তাফিজ। ৩ ইনিংসে বল করে নিয়েছেন ৭ উইকেট। তবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ছিলেন একদমই বিবর্ণ। চার ম্যাচে উইকেট নিয়েছেন ১টি, ছিলেন ধারহীন।

    গত সেপ্টেম্বরে ওয়ালশ বোলিং কোচ হয়ে আসার পর টানা খেলার মধ্যেই ছিল বাংলাদেশ। পেসারদের নিয়ে তাই আলাদা করে কাজ করার সময় সামান্য পেয়েছেন ওয়ালশ। এখন সেই সুযোগ পাচ্ছেন কিছুটা। এছাড়াও ১৫ জন পেসারকে নিয়ে শিগগিরই শুরু হবে পেস বোলিং ক্যাম্প।

    অনুশীলনে মুস্তাফিজ | Mustafiz Walsh from Masud Karim on Vimeo.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: