Skip to content

তসলিমা নাসরিন সম্বন্ধে একথাগুলোও জেনে রাখা দরকার

August 17, 2014

কাদের মোল্লার ফাঁসির পরে তসলিমা নাসরিনের টুইট ও তার প্রতিক্রিয়ায় আমাদের টুইটের প্রত্যুত্তরে যেই তসলিমা নাসরিনকে পাওয়া যায় তাকেও আমাদের জেনে রাখা দরকার। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই জেনে রাখার মধ্য দিয়ে আপনি তসলিমা নাসরিনকে আরো ভাল ভাবে জানবেন, তার বাংলাদেশের পাসপোর্ট পাওয়ার কোনো অধিকার নেই এই মনোভাবকে চাঙ্গা করার জন্য এজানাকে ব্যবহার করবেন না আশা করি। আমি নিজেও ২০১০ সালে তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে যা লিখেছিলাম তা আমার সত্য উপলব্ধি থেকেই লিখেছিলাম কোনো প্রকার প্রচার বা এখন তসলিমাকথিত ‘তসলিমাবিশেষজ্ঞ’-এর ভাব দেখাতে লিখিনি।

বাংলা ভাষায় সাম্প্রতিক কালে অনেক নারীবাদীর লেখাই পড়েছি, দেহহীন নারীবাদীদের প্রাধান্যের মধ্যে হাতে গোনা কয়েক জন দেহী নারীবাদী আছেন – এর মধ্যে সবচেয়ে স্বতঃস্ফূর্ত আমাদের তসলিমা নাসরিন। আমাদের দূর্ভাগ্য আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতায় এতোই পশ্চাদপদ ও স্বাধীন মত প্রকাশে অভ্যস্ত কারো প্রতি এতোই প্রতিশোধ পরায়ণ, যে, আমাদের দেশের শ্রেষ্ঠ নারীবাদীকে আমরা হত্যা করতে চেয়েছি, আমরা তাকে নির্বাসনে পাঠিয়েছি – হয়তো বা চিরকালের জন্য বিতাড়িত করেছি। আর এটা এমন এক বিতাড়ন, যা, আমাদের দেশকে শুধু নারীপ্রগতিতেই পিছিয়ে দেবে না, আমাদের দেশে মানবতার স্ফূরণকেও ব্যাহত করছে ও করবে।

আমি চাই তসলিমা নাসরিনকে তার প্রিয় স্বদেশ ফিরিয়ে দেয়া হোক – দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠ নারীবাদী তাকে অন্যরা বলুক – আমরা তাকে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ নারীবাদী হিসেবে বাংলাদেশে উদযাপিত দেখতে চাই।

B’desh killed an Islamist,used violence agnst violence to solve prob wickedly.Why not proper edu for evry child so no one grows as Islamist?

Not necessarily a newsflash:
=======================
Taslima Nasrin has gone totally mental on Twitter since execution of Quader Molla, the rapist and butcher of Mirpur. Where the hell has she been hiding her cute forgiving humanist ‘lenja’ all these years? One wonders! And silly me have been extending her unconditional support the whole period!

Message:
========
Sorry to say, Taslima, you are a below average author, and for some time now, I have found your attention seeking hue and cry loving rants in the social network rather tiring. You should have stuck to your usual kissing and telling business, instead of insulting the victims of 1971 who finally found some solace through a justice process in Bangladesh. And please stop pretending that you understand Bangladesh, its secular forces, its victims of International Crimes, or its pro-71 generations who are making things happen on the ground at great peril.

@taslimanasreen noble thought, but you’re ignoring the perpetrators on trial here are from 1971, a pre-Bangladesh era. Pls don’t mislead.

@taslimanasreen খুবই হাস্যকর প্রতিক্রিয়া তসলিমা, একজন যুদ্ধাপরাধীকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে, এটা না বলে ‘ইসলামবাদী’কে হত্যা করা হয়েছে বললেন?

@taslimanasreen পশ্চিমাদের মতো বললেন, ১৯৭১ ভুলে গেলেন, পশ্চিমা হয়েই থাকুন আর নজরকাড়ার শক্তি বাড়াতে থাকুন।

@urumurum no person denied western living & facilities but me.You’r like blind lil insects.know nothing abt me,but act like an expert

@urumurum i will,cause it is the truth.I dont live w lies.u stay w/ ur hatred & violence. An eye for eye mindset. No diff btwn u& ur killers

আরো একটি ব্যাপারও তসলিমা নাসরিন সম্পর্কে জেনে রাখা ভাল

 

ইউনেস্কোর অধিবেশনে এ প্রস্তাবটি উত্থাপনের সময় ইউনেস্কোর আরেকটি কমিশনে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক ও উত্তেজক বক্তব্য উত্থাপন করছিলেন তসলিমা নাসরিন। এই বক্তব্যের কারণে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রস্তাব অনুমোদনও প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ে। কিন্তু ইরানের কূটনীতিক মোহাম্মদ আর কাসানী তসলিমা নাসরিনের বক্তব্য উপস্থাপনের সময়েই বিষয়টি বাংলাদেশ মিশনের ইকতিয়ার চৌধুরীকে জানান। ফলে বাংলাদেশ মিশনের পক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়, যাতে এ বক্তব্য প্রস্তাবটি অনুমোদনের আলোচনায় কোনও নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে।

কেমন করে একুশে ফেব্রুয়ারি হল আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, এই ব্লগপোস্টে ইমতিয়ার শামীম-এর মন্তব্য থেকে।

 

Advertisements
9 Comments
  1. masud karim permalink

  2. যেমন প্রশ্নকর্তা তেমন উত্তরদাতা। সীমাবদ্ধতা বেড়েই চলেছে তসলিমার, নিজেকে নিয়ে তার সীমাবদ্ধতায় নারীবাদ অপহৃত হচ্ছে, এটাই সবচেয়ে বেশি দুঃখের, তসলিমা নির্বাসনে যত না কষ্টের তসলিমার অপহৃত নারীবাদও ততটাই কষ্টের।


  3. আরবাব ফাহাদের গুণের বর্ণনা করতে গিয়ে আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব, পাড়া পড়শি, চেনা পরিচিত সবাই বলছেন আরবাব মেধাবী ছিল এবং আরবাব ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তো। মেধাবী হওয়াটা নিশ্চয়ই গুণ কিন্তু ২১ বছর বয়সে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়াটা তো গুণ নয়, বরং দোষ। বিজ্ঞানের ছাত্র হয়ে ব্রহ্মাণ্ডের উৎপত্তি , বিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে কোনও ধারণা নেই! সাত আকাশের ওপর এক সর্বশক্তিমান বসে আছে, সে ছ’দিনে আসমান জমিন বানিয়েছে, আদম হাওয়াকেও মাটি দিয়ে বানিয়েছে, কথা শোনেনি বলে জমিনে ফেলে দিয়েছে, কেউ একজন ডানাওয়ালা ঘোড়ায় চড়ে তাকে এবং তার বানানো স্বর্গ নরক দেখে এসেছে — এসব আজগুবি অবিজ্ঞান আর হাস্যকর গাল গপ্প কোনও বুদ্ধিমান কেউ বিশ্বাস করতে পারে? আরবাব পড়তো হয়তো বিজ্ঞানের বই, পরীক্ষা পাশের জন্য পড়তো। তার বিজ্ঞান মনস্কতা ছিল না। নিজস্ব চিন্তার শক্তি ছিল না। একে আমি পড়ুয়া বলতে পারি, মেধাবী বলবো না। আরবাব ছিল নিব্রাস ইসলামদের মতো। একবিংশ শতাব্দির আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তো, কিন্তু মাথায় চোদ্দশ বছর আগের অবিজ্ঞান আর অনাধুনিকতা।

    আরবাব অফিসিয়ালি শিবির না করলেও শিবিরের মতো চাল চলন আর চিন্তা ভাবনা বানিয়েছিল । তাতে কী! শিবিরদেরও বাঁচার অধিকার আছে। তাকে যারা পিটিয়েছিল, আমার বিশ্বাস, মেরে ফেলার উদ্দেশে পেটায়নি। কিন্তু মাথায় আঘাত লেগেছে, মরে গেছে। যারা পিটিয়েছিল, তাদের শাস্তি অবশ্যই হতে হবে। এর মধ্যেই কয়েকটাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ======


    আবরার হত্যা বিষয়ে বুয়েটের ভিসি এবং ছাত্র কল্যাণ পরিচালকের ইন্টারভিউ দেখে দুজনকেই ব্যক্তিত্বহীন মনে হয়েছে। ব্যক্তিত্বহীন লোকজন যে খুব নরম মনের হয় তা সব সময় নয়, দুর্বলের প্রতি তাঁরা প্রায়শই কঠোর মানসিকতা প্রদর্শন করেন, আর সবলের প্রতি অত্যন্ত কোমল। আমরা বুয়েটে পড়ার সময়ে সেসময়কার নির্বাচিত ভিপি (ছাত্রদল) কিছু বহিরাগতের সাহায্যে ক্যাম্পাসের উন্নয়ন প্রকল্প থেকে চাঁদা চেয়েছিলেন। আমাদের এক সহপাঠী সে খবর পত্রিকায় পাঠিয়ে দেয়। এই ভিত্তিহীন সংবাদের প্রতিবাদ হিসাবে নির্বাচিত ভিপি বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে আমাদের সহপাঠীকে রাতের আঁধারে বেদম মারপিট করেন। পরদিন সকালে সাধারণ ছাত্ররা ক্ষেপে উঠলে নির্বাচিত ভিপিকে উদ্ধারের জন্য ছাত্র কল্যাণ পরিচালক এম্বুলেন্স পাঠিয়ে দেন। নির্বাচিত ভিপি সেই এম্বুলেন্সে ক্যাম্পাসের বাইরে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান।
    বুয়েটের শিক্ষকবৃন্দের মানসিকতার ব্যাপারের সেকাল এবং একালে খুব তফাৎ দেখছিনা। এখন খবর আসছে যে বুয়েটের বিভিন্ন হলে ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ বহু আগে থেকেই অলিখিত টর্চার চেম্বার পরিচালনা করে আসছিল। আর হলের প্রভোস্টরা এবং ছাত্র কল্যাণ পরিচালক এগুলো দেখেও না দেখার ভান করেছেন। তাঁরা যে কেবল ভয়েই না দেখার ভান করেছেন এটা বলা ঠিক হবে না। এই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হলে ছাত্রলীগের নেতারাই এদের রক্ষায় এগিয়ে আসে। কয়েক বছর আগে ভিসি বিরোধী আন্দোলনের সময়ে বুয়েটের ‘কমার্স’ বিভাগের ছাত্রদের কথা আমাদের অনেকেরই মনে আছে। আবার ভিসি বিরোধী পক্ষও যে ছাত্রদের ব্যবহার করেননি, তাও নয়। এরা সিরিঞ্জ দিয়ে রক্ত বের করে নানা নাটক করেছিল।
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এই জাতীয় টর্চার চেম্বার খুঁজে বের করার কথা বলেছেন। তিনি পুলিশ/র‍্যাব পাঠিয়ে এটা করতে পারেন, তবে এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন বলে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না৷ কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা শিক্ষকরা সহযোগিতা করলে, অন্তত বুয়েটে এই জাতীয় টর্চার চেম্বার বন্ধ করা কঠিন হওয়ার কথা নয়। আঠার বিশ বছরের ছেলেরা জীবনে প্রথমবারের মত বাড়ির বাইরে থাকার স্বাধীনতা পায়, ক্যাম্পাসে জুনিয়রদের চড় থাপ্পড় দিয়ে শাসনে রাখলে শোভন ভাই, অমুক ভাই, তমুক ভাই পিঠ চাপড়ে দেয়, এর উপরে শিক্ষকদের প্রশ্রয় পেলে এই ছেলেদের মাথা বিগড়ে যাওয়াটা খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়৷
    =====


    ওই পোস্টে আমি সমালোচনা করেছি তাদের , যারা আরবাবের গুণকীর্তণ গাইতে গিয়ে বলছেন যে আরবাব ধার্মিক ছিল, পাঁচবেলা নামাজ পড়তো। মাদ্রাসার ছাত্রের বেলায় যেটি গুণ, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের বেলায়ও সেটি গুণ? আমার পোস্টটি মূলত গুণ নিয়ে। খুব বেশীদিন আগে নয়, গুলশান ক্যাফের সন্ত্রাসীদের বেলায় একই রকম গুণ গাওয়া হয়েছিল। খুব মেধাবী ছাত্র, পাঁচ বেলা নামাজ পড়ে। আইসিসে যোগ দেওয়া সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে তারাও পাঁচ বেলা নামাজ পড়ে। এত দেখার পর অল্প বয়সী ছেলেদের পাঁচ বেলা নামাজ পড়াকে এত প্রশংসা করা হয় কেন? সে পরীক্ষায় ভালো ফল পেত, এটিই কি গুণ নয়? গুণী এবং নির্গুণ সবারই বাঁচার অধিকার সমান। ভালো ফল পেত বলে, বা জানিনা ৫ বেলা নামাজ পড়তো বলেই কিনা, তার জন্য চোখের জল একটু বেশিই ফেলছে মানুষ। ঠিক যেমন সুন্দরী একটি মেয়ে আহত হলে তার জন্য মানুষের আবেগ উথলে ওঠে, অসুন্দরী মেয়ে আহত হলে খুব বেশী কিছু যায় আসে না।

    আমার নাকি ভক্ত তাঁরা, আমার লেখা নাকি ছোটকাল থেকে পড়ে আসছেন। এত পড়ছেন, কিন্তু আমাকে বিন্দুমাত্র জানেন না, বোঝেন না। আমার আজকের একটি লেখা পড়ে তাঁদের মনে হলো আমি খুনকে সমর্থন করছি। যদিও খুনের বিচার আমি চেয়েছি, তারপরও মনে হলো। যেহেতু আমি লিখেছি খুন করার উদ্দেশে, আমার বিশ্বাস, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আরবাব নামের ছাত্রটিকে পেটায়নি — এই মত নাকি খুনকে সমর্থন করে। না এই মত খুনকে মোটেও সমর্থন করে না। আজ যদি ভাড়া করা খুনী দ্বারা আরবাবকে মারা হতো, তাহলে নিশ্চয়ই উদ্দেশ্য খুনের। বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশ বছর বয়সী ছাত্ররা কোনও এক ফেসবুক পোস্টের জন্য তাদের এক সহপাঠীকে পিটিয়েছে। খুন করলে তাদের ছাত্রজীবনের অবসান হবে, তাদের বাকি জীবন জেলে পচতে হবে, এটা এতগুলো ছেলের একজনও জানে নি? খুনের উদ্দেশ্য না থাকলেও যেহেতু পিটিয়েছে, যেহেতু খুন ঘটেছে, সেহেতু শাস্তি হওয়া জরুরি। এ কথাটা স্পষ্ট করে আমি লিখলেও আমার বিরুদ্ধে কুৎসিত গালি গালাজ বন্ধ হচ্ছে না। একজন তো নাকি আমার বহুকালের ফ্যান, তিনি বললেন, আমি নাকি কাউকে তেল দেওয়ার উদ্দেশে লেখাটা লিখেছি, বোঝাতে চাইছেন, আমি হাসিনাকে তেল দিচ্ছি, দেশে ফেরার জন্য। হায় মনুষ্য মস্তিস্ক! ধিক এইসব ফ্যানদের। এরা আমার বন্ধু তালিকা থেকে বিদেয় হলেই বাঁচি। আরেকজন বললেন, আমি বৃদ্ধ হয়ে গেছি, আমার মাথার ঠিক নেই, তাই আমি এইসব লিখছি। এঁরা আমার বন্ধু তালিকায় ছিলেন। বন্ধু নামের কলংক। যাঁরা বন্ধু তালিকায় নেই, তাঁরা, মানে নারীবিদ্বেষী মোল্লা মুন্সি শেয়ার করছেন আমার লেখা, আর পতিতা বলে মনের সুখে গালি দিয়ে যাচ্ছেন।

    এই হচ্ছে বাংলাদেশি আবেগ। যখন উথলে ওঠে, সুনামি লেগে যায়। চিন্তাশক্তি বিচারশক্তি সব লোপ পায়।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: