Skip to content

মমতাস্তু

September 1, 2013

৩১ মার্চ ২০০৯, মঙ্গলবার

===============

মমতা মই-ই

সবাই তাকে মই হিসেবেই নিয়েছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গের সব বিরোধীর মই। কংগ্রেস, এসইউসি, সচেতন শিল্পী বিদ্বজ্জন ও নাগরিক, মাধ্যমবাজার—সবার একটাই মই : মমতা মই। তিনি ব্যবহৃত হচ্ছেন সবার জন্য, সবার লক্ষ্যই তার লক্ষ্য; celebrated, ভারতের সবচেয়ে celebrated নেত্রী এখন তিনি, তার ধারে কাছে এখন কেউ নেই। কিন্তু কতদিন? আপাততঃ ১৬ মে ২০০৯ পর্যন্ত, ৪২* এ ১৩** পেলে তিনি যে উচ্চতায় উঠবেন সেখান থেকে শুধু পশ্চিমবঙ্গ বা ভারতই নয় সারা পৃথিবী থেকে দেখা যাবে মমতাকে। কিন্তু যদি হয় ভরাডুবি তাহলে সবাইকে নিয়ে তিনি যেখানটায় পড়বেন সেখান থেকে সবাই উঠে পড়বেন আর শুধু মইটি পড়ে থাকবে? এমন মমতাময়ী নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে আগে কখনো হয়নি আর কোনোদিন হবেও না, সে তিনি ১ পান আর ১৩-ই পান। চারিদিকে জয় মমতা, এ নির্বাচন মমতাময়ী : তিনি কি সত্যিই এমনি এক জড় মই শুধু। না, তিনি জড় মই শুধু নন, তিনি স্বয়ংক্রিয় মই, এবং স্বেচ্ছাচারী মই-ও বটে—যখন যাকে ফেলতে হয় তখন তাকে ফেলে দেন—তিনি মমতা বন্দোপাধ্যায়—তিনি সর্বভারতীয় তৃণমূল নেত্রী, তিনি মই-ই আর কিছু নন, যেই উঠতে চান সোনিয়া বা আদবানি, তিনি কাউকে এখন না করতে পারেন না, তিনি সচেতন মই, বাধা তখনই দেবেন, যখন দিতে চাইবেন, এ এক অনন্য রাজনৈতিক চরিত্র, আশংকা এবার মইটি তার চরম পরিণতিতে পৌঁছে যাবে, ওপরে বা নীচে যেখানেই হোক এরপর আর তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। কলকাতার ডিলান জয় মমতা স্লোগানকে তখন কবীর সুমনের গান করে তুলবেন আর পথে ঘাটে সুফী ফকিরের মতো ঘুরে ঘুরে জীবনের বাকি দিনগুলো মমতাময়ী সাধনায় দিন কাটাবেন : হরি দিন তো গেল, সন্ধ্যা হলো…
* লোকসভায় পশ্চিমবঙ্গের আসন সংখ্যা
** আনন্দবাজার পত্রিকা ও স্টার আনন্দের সমীক্ষায় তৃণমূল ১৩ আসনে জয়লাভ করবে।

=============================================================================

১৪ জুলাই ২০১০, বুধবার

============

মমতা ব্যানার্জির ঘনিষ্ঠ মহল থেকে জেনেছি, বাংলাদেশের বাঙালিদের প্রতিও তাঁর অসীম মমতা। শেখ হাসিনার প্রতি তাঁর অসীম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা এবং মনে করেন রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনে তাঁর দল বিজয়ী হয়ে ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের সঙ্গে এক স্পেশাল রিলেশনশিপ গড়ে তোলার উদ্যোগ তিনি নেবেন। বাংলাদেশে তাঁর সোনার তরী ট্রেনযাত্রাই শেষ কথা নয়, দুই বাংলার সম্পর্ক ও সহযোগিতাকে তিনি আরো সুদৃঢ় করে তুলতে চান।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় আগামী নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজয়লাভের সম্ভাবনায় বাংলাদেশের অনেক মানুষও তাই আশাবাদী। তাদের আশা, বামফ্রন্ট সরকারের মতো বাংলাদেশের প্রতি ভাবী মমতা সরকারের নীতি উদাসীন ও সুবিধাবাদী হবে না; হবে আন্তরিকতা ও আত্দীয়তায় ভরা। রাজ্য সরকারের ক্ষমতা যদিও সীমিত, তথাপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারলে মমতা দিলি্লর ওপর প্রভাব খাটিয়ে গঙ্গার পানির হিস্যালাভে বাংলাদেশের কখনো অসুবিধা না হওয়ায়, ঢাকা-কলকাতায় যোগাযোগ ও যাতায়াত সহজ করা, ভারতীয় ভিসা লাভের বর্তমান কড়াকড়ি শিথিল করা, দুই বাংলার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ঘনিষ্ঠ করা, সীমান্ত সংঘর্ষ বন্ধ করা ইত্যাদি ব্যাপারে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নেবেন বলে বাংলাদেশের অনেক মানুষ আশা পোষণ করেন এবং সেই আশা থেকে পশ্চিমবঙ্গের আগামী নির্বাচনে তাঁরা মমতার জয় সম্পর্কেও আশাবাদী

আগাচৌকে দেখি তার কারো ওপর প্রীতি জন্মালে আর তিনি কোনো কিছুর বাছবিচার করেন না। মহিউদ্দিন, হাজারীর পর এবার মনে হচ্ছে মমতার ওপর তার প্রীতি জন্মেছে। জানি না তিনি এত নিশ্চিত কী করে হলেন যে মমতা পশ্চিম বাংলার মূখ্যমন্ত্রী হলেই ভারত-বাংলাদেশের অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তার এই প্রীতি এতই বাঁধভাঙ্গা যে, তিনি কেন্দ্রে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী বাঙ্গালি প্রণববাবুকে ‘দিল্লির দাস’ পর্যন্ত বলে ফেললেন

তৃণমূল কংগ্রেস বামপন্থী নয়, তার নেত্রী মমতা ব্যানার্জিও তা নন। কিন্তু দেখা গেল, একটি বামপন্থী সরকারের অপশাসন থেকে পশ্চিমবঙ্গকে মুক্ত করতে তিনি তাঁর অতীতের রাজনীতি পেছনে ফেলে রেখে জনতার নেত্রী হিসেবে জনগণের আন্দোলনে এসে দাঁড়িয়েছেন। কৃষক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাদের সঙ্গে নির্যাতিত হচ্ছেন। সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার। পুরসভায় নির্বাচনে জেতার পর সোনিয়া গান্ধী এবং কংগ্রেস দল তাঁকে কংগ্রেসে যোগ দিতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তিনি রাজি হননি। তাতেই বোঝা যায়, তিনি প্রণব মুখার্জিদের মতো ‘দিলি্লর দাস’ হতে রাজি নন। তিনি দিলি্লর মিত্র থাকতে চান এবং পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নকেই অগ্রাধিকার দিতে চান।

১৩ জুলাই ২০১০-এর কালের কণ্ঠে ( http://www.kalerkantho.com) উপসম্পাদকীয়তে আব্দুল গাফফার চৌধুরীর কলাম ‘ মমতা পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশের মানুষ আশাবাদী হতে পারে কি?’

=========================================================================

১৩ অক্টোবর ২০০৯, মঙ্গলবার

=================

ভুল ধর্মনিরপেক্ষতা

গত বছর পশ্চিম বঙ্গের তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কয়েকজন মুসলিম মহিলার সাথে একসাথে নামাজ পড়লেন; আমার পরিচিত এক দক্ষিণ ভারতীয় ভদ্রলোক মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, দরগাহ সবখানেই উপাসনা করেন; আওয়ামী লীগের গত কনভেনশনে দেখলাম কোরান, গীতা, বাইবেল ত্রিপিটক পড়ে সভার কাজ শুরু হচ্ছে; আমার বাবা হজ পালন করে এসে বললেন, এবার কাশী-গয়ায়ও তীর্থ করে আসব। এই সবগুলোই ভুল ধর্মনিরপেক্ষতা।

==========================================================================

৪ এপ্রিল ২০১২, বুধবার

===========

হায় মমতা তোমার গেল ধর্মনিরপেক্ষতা আর এই ইমামদের গেল আখেরাত। আমার টুইটপিকে রাখা ছবিটি দেখুন, সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের ইমামদের সাথে বৈঠক শেষে তাদের সামনে এভাবেই মোনাজাত ধরেন মমতা। ইমামদের নারী বিষয়ক ফতোয়ার হাঁকডাকের তাহলে মানে কী?

========================================================================

১২ মে ২০১১, বৃহস্পতিবার

================

পশ্চিমবঙ্গে বিশ্বযুদ্ধ

যখন কোনো সাধারণ নির্বাচনে ৮০ শতাংশের বেশি বাস্তব ভোট পড়ে তখন নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে জল্পনা কল্পনা শুধুমাত্র মিডিয়ার নিজের অস্তিত্বকে সারাক্ষণ জানান দেয়ার অসুস্থ উপসর্গ ছাড়া আর কীই বা বলা যায়। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার ৬ দফায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে ১০ মে ২০১১ – আশা করেছিলাম ১১ ও১২ তারিখ হবে সম্পূর্ণ শান্তির – পত্রিকাগুলো নির্বাচনী স্পেশাল চেহারা থেকে দুদিনের জন্য প্রতিদিনের স্বাভাবিক চেহারায় ফিরে আসবে, ফলাফল পরবর্তী সরকার স্পেশালের জন্য শক্তি সঞ্চয় করবে। কিন্তু না, ১১ ও ১২ তারিখেই পত্রিকাগুলো জ্যোতিষ শাস্ত্রে যার যার ব্যূৎপত্তি দেখাতে এতোই উঠে পড়ে লাগল তাদরেকে আর পত্রিকা বলেই মনে হচ্ছিল না – মনে হচ্ছিল তারা সবাই গণক টিয়াপাখির ঠোঁটে ওঠার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে : এ বলছে আমায় নাও, ও বলছে আমায়! কী হবে সংখ্যাতত্ত্বের নামে এই আগাম ফলাফল ফলিয়ে – এর মধ্যে ফলাফল ঘোষণার পর যার বা যাদের ফলাফল ফলানো ঘোষিত ফলাফলের যত কাছাকাছি যাবে সে তত সত্যবাদী বা বাস্তববাদী হিসেবে পরিচিত হবে ? মানুষ সত্যবাদীবাস্তববাদী পড়ব বলে পরবর্তীতে বেশি বেশি করে ওদের কিনবেন বা ওদের খবর অনুসরণ করবেন ? এটা গেল পত্রিকাওয়ালাদের বিশ্বযুদ্ধ।

পশ্চিমবঙ্গে এবার নির্বাচন হচ্ছে বামফ্রন্ট ও তৃণমূল-কংগ্রেস জোটের মধ্যে – কাজেই জয় পরাজয় যেমন সুনিশ্চিত এবং সেখানে ঝুলে থাকা ফলাফলের কোনো সম্ভাবনাই নেই। তারপরও সেখানে কিছু কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির মধ্যে অত্যন্ত করুণ টেনশন খেয়াল করছি – কারা সরকার গঠন করবে, সরকার কীভাবে গঠিত হবে, সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় তাদের নিজেদের ফায়দাগুলো সব ঠিকঠাক মাপেজোঁকে হবে কি না – এই করে করে ঘুম আরাম সব লাটে তুলেছেন। এই হল আরেক বিশ্বযুদ্ধ।

আবার কেউ কেউ এতই বিমর্ষ হয়ে আছেন যেন বামফ্রন্ট হেরে গেলে সারাবিশ্বের বাম রাজনীতি হেরে যাবে। যেন সারাবিশ্বের বাম রাজনীতির প্রাণভোমরা সোভিয়েত রাশিয়া পশ্চিমবঙ্গের বামফ্রন্ট সরকারের কাছে গচ্ছিত রেখে বিশ বছর আগে ঠাণ্ডাযুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছিল। এরা কেমন যেন দিকভ্রান্ত, হেরে গেলে কাকে কাকে দোষ দেবেন, কাকে কাকে শূলে চড়াবেন, কাকে কাকে অক্ষমতাহেতু শুধু শাপ শাপান্ত করবেন – এই নিয়ে সারাক্ষণ বিড়বিড় করছেন। এদেরই মধ্যে কেউ কেউ আবার ভাবটা এমন ভাবছেন – এই যে আবার একটা নির্বাচন জিতে সরকার গঠন করবে বামফ্রন্ট, এই যে পাঁচ বছরের জন্য আবার বড় সুখের জীবনে গা ভাসিয়ে রাজা উজির মারবেন, সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী মিছিলে আবার কলকাতার চাক্কা জ্যাম করে দিয়ে নিজেকে জয়ী ভাববেন – সেই ভাবটা বা আরো ভালো শব্দে সেই ঘ্যামটা জেতার পর কেমন ধরবেন আদ্যপান্ত তাই ভাবছেন বারবার করে। এটা গেল এক দলের বিশ্বযুদ্ধ।

উদারনীতিতে আবিষ্ট একেবারে চিন্তাভাবনাহীন জীবনযাপনের কিছু অত্যন্ত সুবিধাপ্রাপ্ত লোক – ভাবছেন এই যে পশ্চিমবঙ্গের বুক থেকে ৩৪ বছরের এক জগদ্দল পাথর নামিয়ে দেবেন অচিরেই – তাদেরকেই তো লোকে এই পরিবর্তনের আইকন ভাববেন, তারাই তো হবেন নতুন যুগের নতুন উদারনীতির ধারক ও বাহক। তাদের কল্যাণে স্বাধীনতা বিভৎস মজা ঝরে ঝরে পড়বে চারিদিকে – এই সুখের উদারনীতি যে জৌলুশ আনবে জীবনে তাই ভাবতে ভাবতে তিনি আকণ্ঠ ডুবে আছেন – ফলাফল ঘোষণার দিন পর্যন্ত এই টালমাটাল অবস্থাটা রাখা চাই, এই অভিভূতি নিয়ে মাদকের গুণে রক্তিম চোখমুখ নিয়ে শ্যাম্পেনের হল্লা করতে পারলেই তো সবচেয়ে দেখার মতো হয় চেহারাটা, শুধু ছিপি খুললাম আর হল্লা করলাম – এ তো অশিক্ষিতের আনন্দ। শিক্ষিত উদারনীতির আইকন হল্লা করার আগে নিজেকে বিশেষ ভাবে মজিয়ে ঠিক মুহূর্তে দৃষ্টিনন্দন হল্লা করেন – এ সকলে বুঝবে না। এদেরই মধ্যে যারা দিন রাত খেটেছেন, এর মধ্যে মমতাও পড়েন – তারা ক্ষণে ক্ষণে বিষাদাক্রান্ত হচ্ছেন ভিমরি খাচ্ছেন, হেরে গেলে আর দাঁড়াতে পারবেন না। বামফ্রন্টের অষ্টম জয়ে একবারে অষ্টবক্র হয়ে পড়ে থাকবেন এরা – এদের দিকে কেউ আর ঘুরেও তাকাবে না। এটা হল আরেক দলের বিশ্বযুদ্ধ।

==================================================================

৬ সেপ্টেম্বর ২০১১, মঙ্গলবার

=================

ছোটখাট তাৎক্ষণিক কড়চা : মমতাকে ঢাকার আন্তর্জাতিকতা উপলব্ধি করতে হবে

ঢাকার বিরক্তির প্রথম আঁচ কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের উপরই পড়বে। আঞ্চলিক রাজনীতির সার্বক্ষণিক দোলাচাল কোথাও কাউকে এগিয়ে নেয় না। বাহবাই সব নয়। সমাধানসূত্র বের করার বড় চাপটা এখন পশ্চিমবঙ্গকেই সামলাতে হবে। বড় দৃষ্টিকোণ থেকে মানুষের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতকে বুঝতে হবে। সুযোগের সমাধানসূত্র বের করতেই হবে। রবীন্দ্রনাথের ১৫০ বা আজমির যাওয়ার ভাল ব্যবস্থা করে দিয়ে কিছু হবে না। এসব মানুষের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের কোনো কাজে লাগে না। মমতা যেভাবে চাপ সৃষ্টি করলেন, ঠিক সেভাবেই চাপমুক্ত করতে যদি পারেন — তাহলেই বলতে হবে তিনি সফল হয়েছেন। তা যদি তিনি করতে না পারেন, তাহলে এই আন্তর্জাতিক ব্যর্থতার দায় তাকেই নিতে হবে। মমতাকে বুঝতে হবে ঢাকা বাংলায় কথা বলে ঠিকই কিন্তু ঢাকা বিশ্বদৃষ্টিতে দিল্লির সমপর্যায়ের — ঢাকার সাথে যেকোনো ব্যর্থতা আঞ্চলিকতায় পর্যবসিত হবে না — নিঃসন্দেহে সেটা মমতার আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা হিসাবেই বিবেচিত হবে। ততক্ষণ আশাবাদী আছি, যতক্ষণ পর্যন্ত মমতা একটা গ্রহণযোগ্য সমাধানসূত্র বের করতে না পারছেন। আর যদি সমাধানসূত্র তিনি একেবারেই বের করতে না পারেন — তাহলে ভারতের প্রাক্তন রেলমন্ত্রী সময়মতো ট্রেনে উঠতে পারেননি বলেই ভবিষ্যতে প্রতীয়মান হবে।

=============================================================================

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২, শুক্রবার

=================

মমতা ব্যানার্জি ও নীলসাদা কলকাতা নিয়ে একটি ছোট্ট পোস্ট

মমতা গান্ধী হতে চেয়েছিল, তেরেসা হতে দিল না, নীলে সব বিলীন হয়ে গেল, নীলসাদা কলকাতা গান্ধীকে তো ডুবাবেই, ডুবাবে তেরেসাকেও।

===================================================================

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২, শনিবার

=============

আজকের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সম্পাদকীয় : Kolkata blues

Those who can, do. Those who can’t, well, they lead. The Trinamool Congress has a manner of attributing decisions whereby the road always leads upwards to “Our leader Mamata Banerjee”. Not “our chief minister”, but almost always “our leader”. This is not only the mark of a party that still hasn’t come to terms with the fact that it’s no longer the opposition. It’s also the mark of a party uncomfortable with governing, unable to shed old rhetorical shorthands, exposing thereby how concentrated power remains at the top and how frivolous or ridiculous the exercise of that power can be while the rest of the party — note West Bengal’s persistent confusion of government with party — enjoys the nirvana of thoughtlessness.

So Mamata Banerjee now wants Kolkata painted blue, in what can only be called the whim of an individual. All government buildings, flyovers, roadside railings and taxis are soon to wear sky blue — so will privately owned buildings on request — because “our leader”, in her wisdom, believes “the sky is the limit”, having made that her government’s motto. So if a sky blue Shahid Minar disappears into the blue of the sky, there may not be any need for the Kolkata Police to hunt for a thief. That could mean comfort for party and police, because Kolkata has been reporting a steady upward crime spiral of murders, robberies, etc .

Little is working in Kolkata; development and business aren’t coming in just because the CM has been calling for industry and investment. Instead, a practically bankrupt government, not satisfied with naming metro and suburban stations after writers and actors, must urge its departments to waste money on more ridiculousness, while not taking a single substantive urban initiative. With apologies to G.B. Shaw, that is how penny-wise, pound-foolish leaders do.

===============================================================

১৯ এপ্রিল ২০১১, মঙ্গলবার

============

এবারের নির্বাচনের টাকা সংগ্রহের নাম করে পশ্চিমবঙ্গের মমতা ব্যানার্জি ছবি বিক্রির এক হলুদবাজার সৃষ্টি করেছেন, তার আঁকা যথেচ্ছ রঙছড়ানো ছবির প্রদর্শনী করে তিনি কয়েক কোটি টাকার ছবি বিক্রি করেছেন। অথচ একজন যথার্থ শিল্পী বিশাল পরিচয় না থাকলে প্রদর্শনী করে ২/১ টি ছবিও বিক্রি করতে পারেন না।

=========================================================================

১১ নভেম্বর ২০১২, রবিবার

=============

মমতার আরেকটি হলুদবাজার প্রবণতা জানতে পারলাম আজই, তিনি মুখ্যমন্ত্রীত্বের জন্য নির্ধারিত বেতনভাতা নেন না, তিনি তার জন্য নির্ধারিত সরকারি গাড়িতে চড়েন না। মনে পড়ে গেল বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও যথন প্রধানমন্ত্রীরে বেতনভাতা না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তখন হুমায়ুন আজাদ বলেছিলেন, কারো বেতন লাগে না কারো বেতনে সংসার চলে না। বাজারের ভেতরে থেকে বাজারের উর্ধ্বে উঠে প্রধানমন্ত্রী/মুখ্যমন্ত্রীদের বেতন সংক্রান্ত এরকম সিদ্ধান্ত এটা হলুদবাজার প্রবণতাই — সব ঠিক আছে কালো কিছু হচ্ছে না, কিন্তু এই বাজারে এভাবে একজন চলে কীকরে? এপ্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে হলুদবাজারের ভেতরেই।

সরকারি বেতন নেন না৷ নেন না ভাতা৷ ব্যবহার করেন না সরকারি গাড়িও৷ মুখ্যমন্ত্রিত্বের দেড় বছরে নজির গড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মহাকরণে অভিষেকের পরেই অবশ্য ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এ রকমটা করতে পারেন৷ কারণ, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তত্‍কালীন সাংসদ মমতা লোকসভা থেকেও বেতন নিতেন না৷

বিস্তারিত পড়ুন এখানে। [ http://eisamay.indiatimes.com/state/mamatas-salary-is-in-goverment-fund/articleshow/17153896.cms?%5D

========================================================================

৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২, সোমবার

=============

যদিও পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল বলছেন শেখ হাসিনা ব্যস্ততার কারণে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যাচ্ছেন না, কিন্তু দেখে শুনে তা মনে হচ্ছে না, মনে তো হচ্ছে মমতা ব্যানার্জির কাছ থেকে তিস্তাকাণ্ডের আজো কোনো ইতিবাচক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত না আসাতেই শেখ হাসিনা কলকাতা যাচ্ছেন না। এনিয়ে ভারতীয় ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সম্পাদকীয়।

Undo Dhaka damage
Mamata still has a chance to repair West Bengal’s relations with Bangladesh, and boost India’s

Before the advent of political correctness, Tripura used to be called, informally, “Little Bengal”. As recently as 1971, Tripura had played an important strategic role in Bangladesh’s liberation. Bangladesh Prime Minister Sheikh Hasina’s recent trip to Tripura, with a large business delegation, was meant to revive the old ties and build new ones. In the process, she also received the Tripura Central University’s first honorary D Litt. However, this visit may acquire an added significance, in contrast to her decision to not attend the convocation ceremony of the University of Calcutta. The official reason, given by West Bengal Governor M.K. Narayanan, is that Hasina is busy.

While there’s no evidence to contradict that, Hasina’s change of plans is a good time to reflect on the damage Chief Minister Mamata Banerjee’s last-minute backing out of the Teesta water treaty last year may have done to bilateral ties. The CPM has already accused Banerjee of failing to “keep a cordial relationship with Bangladesh”, even as her government insists there’s no adverse fallout of that failure on the water treaty. Be that as it may, Banerjee’s refusal then did kill a splendid opportunity for India to bring bilateral ties to the next logical level. That treaty is politically and economically important not only for Hasina — who has been outspokenly friendly with India — but also for India to secure transit rights through Bangladesh, which would cut time and distance from the Indian mainland to the Northeast.

So where Tripura CM Manik Sarkar has done an excellent job, Mamata Banerjee is yet to begin undoing last September’s failure. There may not be much time left. She must begin now. At a time when CMs of border states are actively helping India’s neighbourly relations, Banerjee has no excuse vis-a-vis a country with which her state shares the added advantage of a common language and culture, much more than Tripura.

================================================================================

চিটফান্ডে চিটপটাং

April 16, 2013

পশ্চিমবঙ্গে চিটফান্ডের প্রসার নিশ্চয়ই ঘটিয়েছে সিপিএম — আর সেটাকেই আদর আপ্যায়ন করে গ্রহণ করেছে তৃণমূল এবং বুঝে নিয়েছে সার্থক উত্তরাধিকার হিসাবে। যেহেতু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পশ্চিমবঙ্গে কৃষি, দোকানদারি আর সেবায় সীমিত — বড় কোনো শ্রমঘন শিল্পায়ন সেভাবে প্রসার লাভ করেনি — তাই ব্যাংক বর্হিভূত এই আর্থিক চালবাজির ‘চিটফান্ড’ রাজ্যের আনাচে কানাচে ভালোই ছড়িয়ে পড়েছে। আর চিটফান্ডের প্রসার ঘটাতে ঘটাতে এর মূলনায়কদের পরিকল্পনার অংশ থাকে কিভাবে একে যুগপৎ গোটানো যায় — সম্প্রতি এরই প্রভাব পড়েছে কলকাতার মিডিয়া সাম্রাজ্যে — এই চিটফান্ডের টাকায় গড়ে তোলা মিডিয়াগুলো এখন একে একে বন্ধ হচ্ছে। কেউ আর এখানে কিছু করতে পারবে না — চিটফান্ড পাততাড়ি গোটাতে শুরু করলে কেউই আর তাকে ধরতে পারে না। কারণ, এই ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যখন কাজ করে তখন কাজ করতে করতেই সুকৌশলে গিঁট ছাড়ায় ফলে কাজ ফুরোলেই এই পাজিদের আর কোনোভাবেই আটকে রাখা যায় না। এটা দুঃখজনক কলকাতার মিডিয়া সাম্রাজ্য এদের হাতেই হঠাৎ অস্বাভাবিক পাখা গজিয়েছিল, সেদিন সবাই আনন্দের ঠেলায় সময় পায়নি খোঁজ নেয়ার এরা কারা — আজ দুঃখের দিনে এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে — কিন্তু টের পেয়ে আর কী হবে — উধাও করে উধাও হতেই তো চিটফান্ডের জন্ম।

================================================================================

২১ এপ্রিল ২০১৩, রবিবার

===========

masud karim @urumurum

চিটফান্ডে চিটপটাং http://wp.me/p3ojkb-28  via @wordpressdotcom পশ্চিমবঙ্গে চিটফান্ডের প্রসার নিশ্চয়ই ঘটিয়েছে সিপিএম

masud karim @urumurum

1000+ journalists and non-journalists have been rendered jobless. Bengal depositors rage over chit-fund mess http://www.newstrackindia.com/newsdetails/2013/04/20/337–Bengal-depositors-rage-over-chit-fund-mess-look-out-for-Saradha-promoter-Roundup-.html 

Advertisements
5 Comments
  1. masud karim permalink

    ছোট ছোট নদী নিয়ে বিকল্প প্রস্তাব মমতার

    http://www.aajkaal.in/enewspaper/bistaritakhabar/3/33524

    তিস্তা নয়, শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির কাছে অন্য ৪টি নদীর জল বাংলাদেশকে দেওয়ার বিকল্প প্রস্তাব দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।
    মমতা চান, বাংলাদেশ জল পাক। সেজন্য তিস্তার পরিবর্তে তোর্সা, রায়ডাক, জলঢাকা-‌সহ অন্য ৪টি ছোট নদীর জল নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। শনিবার রাতে রাষ্ট্রপতি ভবনে হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে তাঁকে এই প্রস্তাব দিয়েছেন মমতা। সেইসঙ্গে মোদি ও হাসিনা দু’‌জনকেই তিনি বলেছেন, তাঁর প্রস্তাবটি বিবেচনার জন্য একটি কমিটি গড়া হোক। রাষ্ট্রপতি ভবনের নৈশভোজ থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে জল দিতে কোনও সমস্যা নেই। ওদেরও জলের খুব প্রয়োজন। তবে, ‌তিস্তা নয়, তোর্সা-‌সহ অন্য নদীগুলির জল নিক ওরা। তিস্তায় জলের সমস্যা আছে। সারা বছর জল থাকে না। ক’‌দিন আগে আমি নিজে গিয়ে দেখে এসেছি। একেবারেই জল নেই। এনটিপিসি-‌র উৎপাদন বন্ধ হয়ে আছে। চাষের জল পাচ্ছেন না কৃষকরা। গ্রীষ্মে অবস্থাটা খুব খারাপ হয়। সেই কারণেই পরিবর্তে তোর্সা, রায়ডাক ও জলঢাকা-‌সহ ছোট ছোট ৪টি নদীর জল নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। এই নদীগুলির বাংলাদেশের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে। দুই দেশের সরকারকেই এই বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছি।’‌ তিনি আরও বলেন, ‘‌এই নদীগুলি নিয়ে এর আগে ভেবে দেখা হয়নি। এই নদীগুলিতে জলের তেমন সমস্যা নেই। কোনও বাঁধও নেই। কেন্দ্রীয় সরকারকে ভেবে দেখতে বলেছি। দুপুরেও দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীকে এই বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছি।’‌
    হাসিনাকে আজ একটি বালুচরি শাড়ি উপহার দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইসঙ্গে প্রস্তাব দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেনার। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে কলকাতায় আসতে আমন্ত্রণও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কলকাতা ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নামে একটি চেয়ার চালুর কথা ভাবছেন তিনি।
    ভারত সফরে এবার শেখ হাসিনার উপরি পাওনা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। আগাম কর্মসূচি না থাকলেও উভয়ের সাক্ষাৎ হল। এদিন সকালে মমতার সঙ্গে আলাদা করে বৈঠকে বসতে চেয়ে দূত পাঠিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। নিজের এক আত্মীয়কে সাউথ অ্যাভিনিউয়ে মমতার কাছে পাঠিয়ে আমন্ত্রণ জানান হাসিনা। সম্মতি জানান মমতা। দুপুরে সৌজন্য বিনিময়ের পর মমতার সঙ্গে একপ্রস্থ কথা সেরে নেন হাসিনা। রাতে রাষ্ট্রপতি ভবনে উভয়ের মধ্যে দুই বাংলার নানা ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে। ঢাকা থেকে মমতার জন্য উপহার এনেছেন হাসিনা। গতকাল রাতেই প্যাকেটবন্দী উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে।
    এদিকে, দিল্লিতে বসেও বাংলার পরিস্থিতির ওপর নজর রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্য সচিব বাসুদেব ব্যানার্জি-‌সহ কয়েকজন উচ্চপদস্থ আধিকারিককে ডেকে পাঠিয়ে জরুরি নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি এদিন বিকেলে মমতার সঙ্গে দেখা করতে আসেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। বেশ কিছুক্ষণ কথা হয় তাঁদের। সামনেই দিল্লি নগর নিগম নির্বাচন। তাছাড়া পাঞ্জাবে আশানুরূপ ফল না হওয়া ইত্যাদি বিষয়ে মমতার পরামর্শ নেন কেজরিওয়াল। প্রায় আধঘণ্টা ছিলেন কেজরিওয়াল।‌‌‌‌‌‌

  2. masud karim permalink

  3. Mamata meets Modi, raises complains against Bangladesh
    http://www.thefinancialexpress-bd.com/2017/05/26/71687/Mamata-meets-Modi,-raises-complains-against-Bangladesh

    West Bengal Chief Minister and Trinamool Congress chief Mamata Banerjee complained about reduced flow of water from rivers like Atrayee, Tangon and Punarbhaga that flow into Bengal from Bangladesh.

    Barrages and dams built by Bangladesh side reduced the water flow, she said while talking to Indian Prime Minister Narendra Modi on Thursday

    Mamata also said about severe pollution from Bangladesh flowing into Bengal’s Churni river in Nadia district, according o a report by The Times of India.

    She also asked the PM to take up with Dhaka the issue of Malda mangoes on which Bangladesh has doubled the import duty.

    “They have stopped sending Hilsa and now they are imposing heavy duties on mangoes,” she said.

    In what could spell fresh trouble for the proposed Teesta water sharing pact between India and Bangladesh, Mamata Banerjee pointed out to Modi the problems the state faces for sharing river waters with the neighbouring country.

    Mamata’s meeting with the PM was to discuss fund allocation and other issues faced by the state.

    She submitted a three-page memorandum which focussed on problems that Bengal faces because of Bangladesh.

    She urged Modi to take up the issues with Dhaka. Mamata’s concerns over Bangladesh is a clear pointer that the CM is unlikely to agree to the pending Teesta water sharing treaty easily.

    She had made her displeasure clear to Modi and visiting Bangladesh PM Sheikh Hasina recently, saying that the Teesta pact in its present form was not acceptable to Bengal.

    Mamata is learnt to have told the PM that “Bengal’s experience of sharing Ganga water with Bangladesh is not good, as water shortage at the Farakka barrage causes the NTPC-run thermal power plant to shut down occasionally and the two ports in the state are impacted adversely”.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: