Skip to content

মনমোহনভোগ

September 1, 2013

২৮ আগস্ট ২০০৯, শুক্রবার

================

২০ থেকে ৩০ কোটি সক্ষম মধ্যবিত্তের বাজার। ভারতীয় বা আরো বড় অর্থে দক্ষিণএশীয় এই বাজারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দাবী করছেন মনমোহন সিং। নব্বুই-এর দশকের শুরুতে নবুয়তপ্রাপ্ত মনমোহন ২০০৯-১৪ শাসনামলকে তার শ্রেষ্ঠ সময় মনে করছেন এবং বিস্তৃত কর্মপরিধির মধ্যে তার ক্ষমতার সব দিকের সুদৃঢ় বাস্তবায়ন চাইছেন।বিলগ্নীকরণের এক বিশাল কর্মযজ্ঞে নেমেছেন তিনি এবং সফলও হবেন বলেই মনে হচ্ছে। এর মধ্যেই আসিয়ানের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি তিনি সেরে ফেলেছেন, সাফটা হোক না হোক তাতে কিছু যায় আসেনা; বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সাথে ভারত ব্রাজিল দক্ষিণআফ্রিকা ও চীনের, ইউরোপ আমেরিকার কৃষি ভর্তুকি নিয়ে যে দ্বন্দ্ব ছিল, তার থেকে মনমোহন এবার সরে আসবেন বলেই মনে হচ্ছে। এই লক্ষ্যে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার দোহা রাউন্ডকে পুনরায় উজ্জীবিত করতে এর মধ্যেই ভারত পূর্ণশক্তিতে বাণিজ্যিক কূটনীতিতে নেমে পড়েছে এবং তাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে গেছেন গত জুলাইয়ে ভারত সফরে আসা মিসেস ক্লিন্টন। একই মাসে জি-৮-এর রাষ্ট্রনায়করাও অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে জি-৮ অতিথি সদস্য ভারতের সঙ্গে পূর্ণসদস্যদের চেয়েও বেশি মর্যাদা দিয়ে মনমোহনের সাথে আলাপ আলোচনায় ব্যস্ত ছিলেন। আর এবার জি-৮-এর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য চীনের রাষ্ট্রনায়ক উরুমচির জাতিগত দাঙ্গার কারণে সম্মেলনের শুরুতেই দেশে ফিরে যাওয়াতে ভারত পুরো সম্মেলন জুড়ে একধরনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল। অনেক পর্যবেক্ষক এও ধারনা করছেন, অলিম্পিকের আগে আগে তিব্বতের দাঙ্গার মতোই উরুমকির দাঙ্গার সময়টিও পরিকল্পিতভাবেই ঠিক করা হয়েছে। সবকিছু মিলে এতো খোলা হাওয়া আর কখনো মনমোহনের গায়ে লাগেনি। এবারের মহামন্দার পর যে মহা মূল্যস্ফীতি আসবে তার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করার সব পরিকল্পনা এর মধ্যেই মনমোহন শেষ করে এনেছেন। খুব দ্রুতই এক অসাধারণ খরা পরিস্থিতির সুযোগে বহু নীচুতলার মানুষ যখন নিঃশেষিত হবেন তখন এক বিভৎস মজার আক্রার বাজার থেকে মুনাফা লুটবেন বৃহৎ বিলগ্নীকারীরা। সবকিছু সামলাবেন খোলা বাজারের শেষ নবি অর্থনীতিবিদ প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। হ্যাঁ, তিনিই হবেন খোলা বাজারের শেষ নবি; এরপর খোলা বাজার আর থাকবে না সেকথা আমি বলছি না, কিন্তু এরপরে আর নবির দরকার হবে না; খোলা বাজারের ইমাম পুরোহিতরাই তখন সব সামলাতে পারবেন, যেমন এখন ধর্মের ইমাম পুরোহিতরাই ধর্ম সামলাচ্ছেন।

==========================================================================

১৮ জানুয়ারি ২০১১, মঙ্গলবার

=============

নবির নবুয়ত চলে গেছে, এখন শুধু খসে পড়ার অপেক্ষা — লীলা সাঙ্গের অপেক্ষা।

New Delhi. In a completely unexpected move, Congress today expelled its Rajya Sabha member and current Prime Minister Manmohan Singh from the primary membership of the party for six years, but the party said that it will let Dr. Singh continue as the Prime Minister of the UPA government.

Party insiders say that the decision was taken to help Congress perform well in the coming state assembly elections.

“We would continue to support the Manmohan Singh government and help him with our group of ministers to do good work for the aam aadmi,” said Congress spokesperson Manish Tewari, referring to the “UPA government” solely as “Manmohan Singh government” for the whole duration of the press conference, a first of its kind.

“We would also oppose the decisions of Manmohan Singh government that might be anti-people,” he informed, declaring that Congress was now officially against the hike in petroleum prices and would do everything to convince the Manmohan Singh government to roll it back.

“Our leader Soniaji is looking into this matter,” he added.

বিদূষকসূত্র : Congress expels Manmohan Singh, but will keep him as PM

==============================================================================

২৩ আগস্ট ২০১১, মঙ্গলবার

============

ভারতের মধ্যবিত্তের নবি বদল হয়ে গেছে মনে হয়। মনমোহন সিং ছিলেন তাদের এক নবি এখন আন্না হাজারে তাদের নতুন নবি। এই নবি বা সুপারম্যান ধরনের ভাবনা থেকে মনে হয় আমাদের মানব সমাজের মুক্তি নেই। রাজনীতি কোথায় যেন তল্পি পাচ্ছে না। সব দেশে সরকারগুলো কেমন শাসনকর্মে অনীহা নিয়ে দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত — সব দেশে সিভিল সোসাইটি রাজনীতিতে অনীহা নিয়ে শুধু অনাস্থার সুপারম্যান হতে মিডিয়ার হাত ধরে চলছে।

Watching all this is middle class India, which makes up between 25% and 33% of the population. This is the group that does not vote on the old caste/community lines that exemplified Indian politics. In a Parliamentary style democracy, with its first past the post system, they feel that their voice is not heard. They are also horrified at the loot fest and the lack of an alternative that stands for them. This is the class that voted for the Vajpayee-led NDA, and voted him out in favour of the UPA in 2004, and then pledged its allegiance to Manmohan Singh in 2009. Today it feels abandoned and orphaned.

Into this mire, steps Anna Hazare, a social activist who has been campaigning for clean administration for over three decades. He adopted the most visible form of Gandhism — the protest fast.

And, he called not for transformation of the self (after all there is nothing wrong with the middle-class. They don’t need to change), but punishment of the wicked, the corrupt and the looters. Backed by one of the slickest media management in recent years, he found resonance with the middle-class that wants to punish bad politicians. His solution is the Jan Lok Pal Bill, an independent ombudsman that will investigate, prosecute and judge any instance of corruption. The presumption of innocence is not a part of this equation, presumption of guilt is. Furthermore, Hazare has threatened to fast unto death if the bill is not made into an act by the August 30.

While Hazare’s intentions are noble — who doesn’t want a corruption-free society — the means of achieving these ends are poorly thought through. The Jan Lok Pal Bill is a highly flawed one that is pointed at Parliament with a ‘pass it or I kill myself’ threat.

This bill bodes ill for the future of India and its citizens.

পড়ুন : UPA 2, train wreck in slow motion

===========================================================================

September 7, 2011

===============

 

২৫ বঞ্চনা

গত জুলাইতে মনমোহনকে বলেছিলাম ২৫ নিয়ে বেশি মাতামাতি করো না। আপনারা সবাই জানেন কিনা জানি না, মনমোহন লোকজনের সামনে যতই কম কথা বলেন একান্তে ঠিক ততটাই বেশি কথা বলে কান ঝালাপালা করে ছড়েন। তার প্রমাণ তো গতকাল হাতেনাতেই পাওয়া গেল — ৩০ মিনিটের হাসিনা-মনমোহন একান্ত বৈঠক প্রায় ১ঘন্টা চলেছে। আবার এদিকে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ২১ আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার পর থেকে কানে কম শোনেন। নিন্দুকেরা বলে থাকে হাসিনা ২৫% শোনেন এবং ৭৫% শোনেন না — আবার নিন্দুকদের এও বলতে শোনা যায় মনমোহন ৭৫% দেখেন না শুধু ২৫% দেখেন (But we must reckon that at least 25 per cent of the population of Bangladesh swears by the Jamiat-ul-Islami and they are very anti-Indian, and they are in the clutches, many times, of the ISI.) এই দুই শীর্ষ নেতা শেষ পর্যন্ত গতকাল তাদের দেখাশোনার ২৫ সমস্যা নিয়ে শীর্ষবৈঠকের ৭৫ ভাগই নষ্ট করলেন। ভারত-বাংলাদেশ শীর্ষবৈঠকের শেষ ফলাফল এখনো পর্যন্ত ২৫ ভাগ পিদিম ৭৫ ভাগ মলিন। আরেক জনের কথা নিশ্চয়ই আপনাদের মনে পড়ছে — তিনি ২৫ ভাগ দেন ৭৫ ভাগে দেন না — মমতা,মনমোহন, হাসিনা — সোনিয়ার অজ্ঞাতবাসের কারণে তোমরা ২৫ ২৫ ২৫ নিজেদের পকেটে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে।

========================================================================================

 

৯ সেপ্টেম্বর ২০১১, শুক্রবার

================

ইউনুস আমাকে ২০০৭ সালের শেষদিকে বলেছিলেন, কোথায় পড়ে থাকলেন – আমি এখন নোবেল পুরস্কার পেয়েছি, একটা ঋণ মডেল ও একটা ব্যবসা মডেল নিয়ে সারা পৃথিবী চষে বেড়াচ্ছি, আর আপনি কিনা পৃথিবীর সবচেয়ে বিরক্তিকর গুরুতর মানুষের-ভারে-জর্জরিত কখন-জ্বলবে-তার-খবর-নেই একটা দেশের প্রধানমন্ত্রীত্ব বরণ করলেন অতিবৃদ্ধ এক রাজনৈতিক ডাইনেস্টির মোহময় ক্ষমতাময়ীর অনুরোধে? যেদেশ ইউনুস বানিয়েছে সেদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে শীর্ষবৈঠক সেরে উঠব উঠব, এমন সময় ভাবলাম হাসিনাকে কথাটা বলি। হাসিনা চুপচাপ শুনলেন, তাকে কেমন যেন উদভ্রান্ত মনে হচ্ছিল কিছুক্ষণের জন্য। কিছুই ঠিক বুঝতে পারছিলাম না। আমি এবার তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আচ্ছা আপনি ইউনুসের উপর এমন চটেছিলেন কেন? – আপনাকে ওই কথা বলেছিল তো, আমাকে বলল একেবারে উল্টো কথা – প্রধানমন্ত্রীত্বটা আমাকে দিয়ে দিন যেমন সোনিয়া মনমোহনকে দিয়েছিলেন, আমি আপনাকে আমার ঋণ মডেল ও ব্যবসা মডেল দিয়ে দেব, আপনি সারা পৃথিবী চষে বেড়াবেন, চান তো ওই অর্ধেক নোবেলটাও দিয়ে দেব, আপনার কতদিনের শখ!

এরপর থেকে আমি আর কোনো কিছুতেই মনোনিবেশ করতে পারছিলাম না। সবকিছুকে মায়া মনে হতে লাগল। বারবার অন্তরাত্মা কেঁপে উঠতে লাগল – বারবার একটা ধুনই আঘাত করছিল আমাকে নিঃশব্দে নিরবধি – জীবনে কিছুই তো করতে পারলাম না। ভারতের অর্থনীতির রিফর্ম করেছি আমি, ওই অর্থনীতিটাকে ‘হিন্দু বিকাশ’ থেকে ‘ব্যাঘ্র বিকাশ’-এর পথে নামিয়েছি আমি, তখন আমি ছিলাম অর্থমন্ত্রী। আর রিফর্মের ১৫ বছর পর দেখলাম আমার রিফর্ম ভালই এগিয়েছে, আমিও তখন দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী ক্ষমতায় প্রায় দুবছর কাটিয়ে ফেলেছি, কিন্তু সাথে সাথে এটাও বুঝতে পারছিলাম রাজনৈতিক(!) ক্ষমতাহীন(!) আমি(!) দুই হাজার ছয় থেকে অনবরত সেই রিফর্মে ক্লোরোফর্ম ঢেলেছি – আমিই এই অঞ্চলে নয়াব্রাহ্মন্যবাদের প্রবর্তন করেছি ঘৃতাহুতির বদলে এই ক্লোরোফরম ঢালার বিধান চালু করেছি। খালি মনে হচ্ছে পৃথিবীর কোনো কিছুতে শান্তি নেই। সর্বোচ্চ রাজনৈতিক ক্ষমতায়ও সর্দারজি হয়ে থাকতে হয় – পৃথিবীতে স্বীকৃত অসাধারণ অর্থনৈতিক প্রজ্ঞার অধিকারী হয়েও এই আমাকে নয়াব্রাহ্মন্যবাদ নিয়েই থাকতে হয়।

ভারত সন্ন্যাসের পূণ্যভূমি। আমার স্ত্রীকে দিল্লি ফিরে এসে বললাম, কিছু মনে কোরো না – মনে হয় আর এই সংসারধর্ম পালন করব না। এবারের শীর্ষবৈঠকে আমি জীবন ও জগৎ সম্বন্ধে এমন কিছু জেনেছি তাতে মনে হচ্ছে, সন্ন্যাসগ্রহণ ছাড়া আমার সামনে দ্বিতীয় পথ খোলা নেই। আমার স্ত্রী অভূতপূর্ব সাড়া দিলেন, বললেন, ঠিকই বলেছ – আমিও সন্ন্যাসের কথাই ভাবছি, শুধু আরেকটি শীর্ষবৈঠকের জন্য অপেক্ষা করতে অনুরোধ করব তোমায়। আমি বিস্মিত হলাম, আশা করিনি আমার স্ত্রীও আমার সঙ্গে সন্ন্যাস নেবেন, তার চেয়ে বিস্মিত হলাম আবার বাংলাদশে আরেকটি শীর্ষবৈঠক, কেন? আমার আর একদিনের জন্যও এই রাজকার্যে মন বসছে না। স্ত্রী বললেন, তুমি যেরাজ্য থেকে রাজ্যসভায় অধিষ্ঠিত সেই আসাম রাজ্যের বিলাসী মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ আমাকে বাংলাদেশের সবচেয়ে দামি জামদানি শাড়িটা উপহার দিয়েছে তো তুমি জান – ওই জামদানি শাড়িটা পরে একবার ওই বাংলাদশে শীর্ষবৈঠকের মিডিয়া কাভারেজে যেতে চাই – সে যাওয়া যত দ্রুত তুমি ব্যবস্থা করতে পার – তত দ্রুত আমরা সন্ন্যাস ব্রত নিয়ে সংসার ছাড়তে পারি।

=============================================================================

৭ মে ২০১২, সোমবার

==========

আজকের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সম্পাদকীয়।

When India receives Dipu Moni, the foreign minister of Bangladesh, this week, the diplomatic ball will be in New Delhi’s court. And if the UPA government does not act decisively, it will inflict lasting damage to one of India’s most important bilateral relationships. Reviving Delhi’s political credibility in Dhaka could take decades if the PM allows the narrow political calculations of the Congress party to trump consideration of India’s national interests.

More than two years ago, Singh and his Bangla counterpart, Sheikh Hasina, boldly agreed to resolve all outstanding bilateral problems and lay the foundation for a new partnership. The hard work that followed was to culminate in Singh’s visit to Dhaka last September. Before the celebrations could begin, West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee decided to play party-pooper. She opposed the Teesta waters agreement, which was to be one of the main outcomes from Singh’s visit. By failing to keep his word on Teesta, Singh exposed Hasina to attacks from the many enemies of the incipient Indo-Bangla strategic partnership.

Banerjee deserves much blame for wrecking one of India’s most consequential foreign policy initiatives; but not all. Last September, Singh had the option of signing the Teesta waters treaty, disprove Banerjee’s false arguments, and explain the larger stakes in improving relations with Bangladesh to the people of India, including those in West Bengal and the north-eastern states. Instead, Singh pulled back, citing India’s federalism and coalition politics. By law, Delhi has absolute monopoly over the conduct of foreign policy and the negotiation of treaties, including those on sharing waters that flow across the borders. What it lacks today is the courage of conviction and the political will to lead. Signing the Teesta accord and defending India’s national interests vis-a-vis Dhaka might improve the Congress’s leverage with Banerjee a lot more than Delhi’s unending appeasement of Kolkata.

লিন্ক : Engaging Dhaka

============================================================================

৩ জুলাই ২০১২, মঙ্গলবার

============

অর্থমন্ত্রীর পদ ছেড়ে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রণব মুখার্জির নেমে পড়ায়, বলা হচ্ছে ভারতের অর্থনীতির উদারতাবাদের সংস্কার সম্পন্ন করার নবুয়ত আবার হাতে পেয়েছেন মনমোহন সিং। অনেকে শুধু মনমোহনের কথা বলছেন না, বলছেন একগুচ্ছ ব্যক্তিত্বের কথা, বলছেন টিম মনমোহনের কথা। কিন্তু ‘বার্তাবাহক(জিব্রাইল)’এর দেখা মিলছে না। দেখা মিললে আংশিক সাফল্য আসতেও পারে Manmohanomics 3.0 (M3)এর। কিন্তু টিম মনমোহন কি জিব্রাইলের দেখা পাবে?

The reason why expectations have suddenly turned positive this past week, boosting market sentiment, is that Singh and his team have been saying all the right things. But if there is no quick delivery, sentiment can easily turn negative and unrelentingly critical. Managing expectations in the process will remain a key challenge.

Manmohanomics 1.0 (M1) was crafted in the cradle of a crisis and so focused on fiscal adjustment, trade liberalisation, decontrol and delicensing. Manmohanomics 2.0 (M2) was built on the foundation of a much stronger economy and based on the idea of inclusive growth. M2 was in part a response to the aberrations of M1. That is, it sought a balance between equity and efficiency, redistribution and growth.

Manmohanomics 3.0 (M3) will have to be a response to the aberrations of the last three years. It must restore credibility to economic policymaking and fiscal management, changing spending priorities so as to boost growth and stimulate saving and investment. The ministries of finance and industries and commerce require modern-minded, transparent and efficient leadership. While Singh will and should use the opportunity that presents itself now, he would have to get himself a full-time finance minister, given the day-to-day requirements of that job, and a more capable and energetic council of ministers. The finance ministry must once again have the best and the brightest.

বিস্তারিত পড়ুন : Manmohanomics 3.0

===============================================================================

১৭ সেপ্টেম্বর ২০১২, সোমবার

আর কোনো কিছুর তোয়াক্কা করবেন না মনমোহন সিং, ঘরে বাইরে সব প্রতিবন্ধকতার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামবেন — এবং যদি হারতে হয় যুদ্ধ করেই হারবেন। তিনি খুলে দিতে যাচ্ছেন বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করার সব দরজা-জানালা। এবং এটাই মনমোহনের শেষ সুযোগ, শেষ স্ট্রোক।

In an abrupt change in stance and risking its own survival, the Congress-led United Progressive Alliance (UPA) undertook a series of politically contentious policy changes that seek to kick-start economic reforms.

Not only did it free retail of its foreign investment bindings, it also opened up the civil aviation sector to foreign airlines. At the same time, it announced a fresh round of disinvestment of government shares in public sector undertakings that would, if successful, net the government some additional receipts; together with the Rs.20,300 crore saving achieved through a correction in fuel prices, the move should provide some fiscal relief to the exchequer.

While the bold initiatives have won the government praise from Indian industry and foreign investors alike, it has invited the collective wrath of the Opposition as well as some key allies such as the Trinamool Congress (TMC)—the party put the UPA on notice and has not ruled out the withdrawal of support from the government.

More political trouble could be brewing for the UPA after the Supreme Court on Friday took cognizance of a public interest litigation and asked the government to reply within eight weeks as to whether there had been violations in the allocation of coal blocks. The national auditor, the Comptroller of Auditor General of India (CAG), has said that there was wrongdoing in the allocations and estimated the loss to the exchequer at Rs.1.86 trillion.

Meanwhile, defending the government, Prime Minister Manmohan Singh said the measures were aimed at promoting economic growth and generating employment in “difficult times”.

“The cabinet has taken many decisions today to bolster economic growth and make India a more attractive destination for foreign investment,” Singh said in a press statement.

বিস্তারিত পড়ুন : Economic reforms: UPA goes for broke

===========================================================================

২৫ আগস্ট ২০১৩, রবিবার

============

masud karim @urumurum

is completely against with .Our stand on this will not be different even after we come to power:

masud karim @urumurum

& new generation of politicians. Big neighbors’ true representatives. .

Advertisements
2 Comments

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: