Skip to content

নেরুদা, মৃত্যু না চিকিৎসা খুন?

April 12, 2013

1365439759_469221_1365439841_album_normal

 

ভুল চিকিৎসায় কেউ মারা যেতে পারে, তাকে খুন বলা যায় না। কিন্তু চিকিৎসা খুন শাসকদের পুরনো অস্ত্র — চিকিৎসা বিলম্বিত করে দেয়া, ভুল ওষুধ প্রয়োগ, অল্প অল্প মাত্রায় বিষ প্রয়োগ বা কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ হত্যার পরিকল্পনায় নিয়ম মাফিক নির্দিষ্ট মাত্রায় সেবন করাতে করাতে মৃত্যু নিশ্চিত করা। কথা হল, পাবলো নেরুদা কি কোনো ভাবে চিকিৎসা খুনের শিকার হয়েছিলন? নাকি ভুল চিকিৎসায় মারা গিয়েছিলেন? নাকি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন? এযুগে ফরেনসিকের বিরাট অগ্রগতি আমাদের জানাতে পারবে, চিলির মহত্তম কবি কিভাবে মারা গিয়েছিলেন? আমরা সত্যিই জানতে চাই মৃত্যু কী রূপে এসেছিল কবির জীবনে।

 

1365439759_469221_1365440351_album_normal

The paradox is apparent. For a long time, it was thought that President Salvador Allende had been killed by the soldiers that stormed La Moneda, Chile’s presidential palace, on that fateful day of the military coup, September 11, 1973. We now know that Allende took his own life. In turn, we always thought that Pablo Neruda died of natural causes 12 days later. Now there are indications that may not have been the case.

The circumstances of Neruda’s death were odd. He spent a scarce 72 hours at the infamous Santa María Clinic in Santiago, where he was given a suspicious stomach injection that may have caused his heart failure. He had checked in there only on September 19, where he arrived from his home on the coast, Isla Negra, after the latter had been ransacked by the military. His plans were to take a plane that Mexican President Luis Echeverría had sent to pick him up and fly him to Mexico City, a plane that was waiting for him on the tarmac of Santiago’s Pudahuel airport. The official cause of death given at the time was cachexia — a bodily collapse triggered by a metastasised prostate cancer.

Yet, as Francisco Marín, the Mexican journalist and co-author of the book, The Double Murder of Pablo Neruda (2012), shows, although Neruda was afflicted by prostate cancer, extant medical tests of Neruda taken in 1972 and 1973 show no metastasis. Other medical records, including the clinic’s bulletin on his death and of Neruda’s prior treatment at another Santiago clinic, have disappeared.

Contrary to what one would expect from a cancer-stricken patient, photos of Neruda at the clinic show a robust, even heavy-set man. The nurses describe him as full of energy and with his usual playfulness. The same goes for the Mexican ambassador to Chile, Gonzalo Martínez, who was coordinating his departure to Mexico. Perhaps, fatally, it was Neruda himself who asked to leave two days later, rather than on the originally scheduled September 20, so that some books and clothes could be retrieved from his home. His wife, Matilde Urrutia, and his driver, Manuel Araya, left to fetch them. During their absence, the stomach injection was given to Neruda. His condition deteriorated immediately, and he died shortly thereafter. It was at the same Santa María Clinic that eight years later, former President Eduardo Frei would die as well, after a routine operation, in poisoning caused by thallium and mustard gas. Several medical staff members have now been charged with his murder.

After considering many documents and witness statements, Judge Mario Carroza authorised the exhumation of Neruda’s remains. The purpose is to establish whether traces of the poison allegedly administered to Neruda can be found, and whether there is evidence of metastasised cancer in his bones. Forty years after his death, that may seem a futile exercise. Yet, forensic science has made much progress. Some specialists consider it perfectly feasible to do so.

Some ask: what is the use of this now? The answer is simple. Chile, and the world, deserve to know how Neruda died.

বিস্তারিত পড়ুন : The death of a poet

Advertisements
One Comment
  1. পুনরায় সমাধিস্ত হলেন নেরুদা

    নোবেল পুরস্কারজয়ী চিলির কবি পাবলো নেরুদার দেহাবশেষ পুনরায় সমাধিস্ত করা হয়েছে।

    বিবিসি বলছে, এই লাতিন কবির মৃত্যুরহস্য উদ্ঘাটনের লক্ষ্যে তিন বছর আগে তার দেহাবশেষ কবর থেকে তোলা হয়েছিল।

    গেল বছর ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, নেরুদার দেহে এক ধরনের অজ্ঞাত ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ তারা খুঁজে পেয়েছেন।

    কবির দেহাবশেষ পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ ফলাফল আগামী মাসে প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

    নেরুদাকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে অভিযোগে ২০১১ সালে চিলি সরকার তদন্ত শুরু করে।

    বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ২০১৩ সালের এপ্রিলে তার দেহাবশেষ কবর থেকে তোলা হয়।

    মৃত্যুর পর নেরুদাকে চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোর ৭০ মাইল পশ্চিমে তার স্ত্রীর সমাধির পাশেই শায়িত করা হয়।

    নেরুদাকে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিলো বলে সন্দেহ করে চিলির কমিউনিস্ট পার্টি। আর এ লক্ষ্যে কবর থেকে তার দেহাবশেষ তুলে পরীক্ষার অনুরোধ জানিয়েছিল তারা।

    নেরুদা ১৯৭৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোতে মারা যান।

    তার মৃত্যুর ১২ দিন আগে এক রক্তক্ষয়ী সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট সালভাদর আলেন্দেকে সরিয়ে চিলির ক্ষমতা দখল করেন জেনারেল আগুস্তো পিনোশে।

    আলেন্দের মৃত্যু নিয়েও নানা জল্পনা-কল্পনা ছিল। কিন্তু ২০১১ সালের ডিসেম্বরে আলেন্দের দেহাবশেষ পরীক্ষা করে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    কিন্তু এরআগে পর্যন্ত তাকে সেনা অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতির বাসভবনে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে ধারণা করা হয়েছিল।

    আলেন্দে ও নেরুদা পরস্পরের বন্ধু ছিলেন। মৃত্যুসনদ অনুযায়ী প্রোস্টেট ক্যান্সারের কারণে নেরুদার মৃত্যু হয়েছে।
    কিন্তু তার সাবেক গাড়ি চালক ম্যানুয়েল অ্যারায়া অভিযোগ করেন, বিষাক্ত ইঞ্জেকশন দেওয়ায় হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন এই কবি।

    গেল নভেম্বরে অ্যারায়া তদন্তকারী বিচারক মারিও কারোজাকে জানিয়েছিলেন, মৃত্যুর কয়েকঘণ্টা আগেও নেরুদা স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করছিলেন ও কথা বলছিলেন।

    তিনি অভিযোগ করেন, জেনারেল আগুস্তো পিনোশের নির্দেশে গোয়েন্দারা হাসপাতালে নেরুদার শরীরে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে বিষ প্রয়োগ করেছিল।

    অন্য অনেকেও বিশ্বাস করেন, নেরুদাকে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে কারণ তিনি ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট সালভাদর আলেন্দের ঘোর সমর্থক ছিলেন।

    শোনা যায় তিনি জেনারেল পিনোশের সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

    নেরুদার দেহাবশেষ পুনরায় পরীক্ষার মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী এদুয়ার্দো কনট্রারেস বলেন, অনেক সময় চলে গেছে। এই পরীক্ষা অমীমাংসিত থেকে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, “যদিও সকল তথ্য-প্রমাণ নির্দেশ করছে এটি একটি অপরাধ কিন্তু কৌশলগতভাবে তা প্রমাণ করা খুব কঠিন।”

    বিশ্বব্যাপী প্রবল জনপ্রিয় কবি পাবলো নেরুদা আজীবন চিলির কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ছিলেন। তিনি একজন আইনজীবী ও একজন সফল কূটনীতিকও ছিলেন।

    বিশ্বসাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান গণমানুষের কবি বলে খ্যাত পাবলো নেরুদা।

    http://bangla.bdnews24.com/world/article1142874.bdnews

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: